১২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় সামরিক পরীক্ষা সফল

ভারত তার সমুদ্রসীমায় পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট থেকে সফলভাবে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী কে-৪ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এই মিসাইলের পাল্লা ৩,৫০০ কিলোमीटर, যা সরাসরি লক্ষ্যে লক্ষ্য করে আঘাত হানতে সক্ষম। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে টাইমস অব ইন্ডিয়া এর প্রতিবেদনে।

বিশাখাপত্তনম উপকূলে অবস্থিত এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই সলিড-ফুয়েল চালিত কে-৪ মিসাইলটি প্রায় দুই টন ওজনের পরমাণু অস্ত্র বহন করতে পারে। এই মিসাইলের মাধ্যমে ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে পরমাণু হামলা চালানোর মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে আরও मजबूत করা হয়।

বর্তমানে ভারতের কাছে দুটি পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে—আইএনএস অরিহন্ত এবং আইএনএস আরিঘাট। তবে অরিহন্ত কেবল ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার মিসাইল বহন করতে সক্ষম, আর আরিঘাটের এই নতুন সক্ষমতা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশের সঙ্গে তুলনা করার মতো অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ভারতের ভবিষ্যতের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে আরও বড় এবং শক্তিশালী একটি সাবমেরিন—আইএনএস অরিধাম—নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা।

তালিকার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় ভারতের এই সাবমেরিনগুলো আকারে ছোট হলেও, কো-৪ মিসাইলের মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আরও সুরক্ষিত করবে। ভারতের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতির অংশ হিসেবে, যেখানে আগে পরমাণু হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই সাবমেরিনগুলো সর্বোত্তম ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। সমুদ্রের গভীর থেকে শত্রুর বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ভারতীয় পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিশ্বজনপ্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় সামরিক পরীক্ষা সফল

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারত তার সমুদ্রসীমায় পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট থেকে সফলভাবে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী কে-৪ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এই মিসাইলের পাল্লা ৩,৫০০ কিলোमीटर, যা সরাসরি লক্ষ্যে লক্ষ্য করে আঘাত হানতে সক্ষম। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে টাইমস অব ইন্ডিয়া এর প্রতিবেদনে।

বিশাখাপত্তনম উপকূলে অবস্থিত এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই সলিড-ফুয়েল চালিত কে-৪ মিসাইলটি প্রায় দুই টন ওজনের পরমাণু অস্ত্র বহন করতে পারে। এই মিসাইলের মাধ্যমে ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে পরমাণু হামলা চালানোর মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে আরও मजबूत করা হয়।

বর্তমানে ভারতের কাছে দুটি পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে—আইএনএস অরিহন্ত এবং আইএনএস আরিঘাট। তবে অরিহন্ত কেবল ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার মিসাইল বহন করতে সক্ষম, আর আরিঘাটের এই নতুন সক্ষমতা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশের সঙ্গে তুলনা করার মতো অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ভারতের ভবিষ্যতের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে আরও বড় এবং শক্তিশালী একটি সাবমেরিন—আইএনএস অরিধাম—নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা।

তালিকার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় ভারতের এই সাবমেরিনগুলো আকারে ছোট হলেও, কো-৪ মিসাইলের মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আরও সুরক্ষিত করবে। ভারতের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতির অংশ হিসেবে, যেখানে আগে পরমাণু হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই সাবমেরিনগুলো সর্বোত্তম ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। সমুদ্রের গভীর থেকে শত্রুর বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ভারতীয় পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিশ্বজনপ্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।