১১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় সামরিক পরীক্ষা সফল

ভারত তার সমুদ্রসীমায় পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট থেকে সফলভাবে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী কে-৪ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এই মিসাইলের পাল্লা ৩,৫০০ কিলোमीटर, যা সরাসরি লক্ষ্যে লক্ষ্য করে আঘাত হানতে সক্ষম। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে টাইমস অব ইন্ডিয়া এর প্রতিবেদনে।

বিশাখাপত্তনম উপকূলে অবস্থিত এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই সলিড-ফুয়েল চালিত কে-৪ মিসাইলটি প্রায় দুই টন ওজনের পরমাণু অস্ত্র বহন করতে পারে। এই মিসাইলের মাধ্যমে ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে পরমাণু হামলা চালানোর মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে আরও मजबूत করা হয়।

বর্তমানে ভারতের কাছে দুটি পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে—আইএনএস অরিহন্ত এবং আইএনএস আরিঘাট। তবে অরিহন্ত কেবল ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার মিসাইল বহন করতে সক্ষম, আর আরিঘাটের এই নতুন সক্ষমতা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশের সঙ্গে তুলনা করার মতো অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ভারতের ভবিষ্যতের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে আরও বড় এবং শক্তিশালী একটি সাবমেরিন—আইএনএস অরিধাম—নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা।

তালিকার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় ভারতের এই সাবমেরিনগুলো আকারে ছোট হলেও, কো-৪ মিসাইলের মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আরও সুরক্ষিত করবে। ভারতের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতির অংশ হিসেবে, যেখানে আগে পরমাণু হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই সাবমেরিনগুলো সর্বোত্তম ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। সমুদ্রের গভীর থেকে শত্রুর বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ভারতীয় পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিশ্বজনপ্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় সামরিক পরীক্ষা সফল

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারত তার সমুদ্রসীমায় পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট থেকে সফলভাবে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী কে-৪ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এই মিসাইলের পাল্লা ৩,৫০০ কিলোमीटर, যা সরাসরি লক্ষ্যে লক্ষ্য করে আঘাত হানতে সক্ষম। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে টাইমস অব ইন্ডিয়া এর প্রতিবেদনে।

বিশাখাপত্তনম উপকূলে অবস্থিত এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই সলিড-ফুয়েল চালিত কে-৪ মিসাইলটি প্রায় দুই টন ওজনের পরমাণু অস্ত্র বহন করতে পারে। এই মিসাইলের মাধ্যমে ভারতের ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে, যেখানে পরমাণু হামলা চালানোর মাধ্যমে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে আরও मजबूत করা হয়।

বর্তমানে ভারতের কাছে দুটি পরমাণু সাবমেরিন রয়েছে—আইএনএস অরিহন্ত এবং আইএনএস আরিঘাট। তবে অরিহন্ত কেবল ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাল্লার মিসাইল বহন করতে সক্ষম, আর আরিঘাটের এই নতুন সক্ষমতা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশের সঙ্গে তুলনা করার মতো অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ভারতের ভবিষ্যতের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে আরও বড় এবং শক্তিশালী একটি সাবমেরিন—আইএনএস অরিধাম—নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা।

তালিকার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় ভারতের এই সাবমেরিনগুলো আকারে ছোট হলেও, কো-৪ মিসাইলের মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আরও সুরক্ষিত করবে। ভারতের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতির অংশ হিসেবে, যেখানে আগে পরমাণু হামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই সাবমেরিনগুলো সর্বোত্তম ও নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। সমুদ্রের গভীর থেকে শত্রুর বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ভারতীয় পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে বিশ্বজনপ্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।