০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাফুফে কোচিং প্যানেলে বড় পরিবর্তন: ফিরলেন বিপ্লব, থাকছেন ছোটন

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কোচিং প্যানেলে নতুন বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় ধরনের পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ হয়েছে। এই বছর আবারও কোচিং স্টাফে ফিরেছেন সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ গোলرক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য্য, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেডারেশনের কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে তিনি বাফুফের অধীনে জাতীয় নারী ও পুরুষ দলের পাশাপাশি একাডেমির গোলরক্ষক কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। কিছুদিন পরে তিনি ক্লাব কোচিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য ফেডারেশন ত্যাগ করলেও দুই বছরের বিরতি শেষে আবারও পুরোনো কর্মস্থলে ফিরছেন। বিপ্লবের সঙ্গে নতুন বছরে বাফুফে আরও তিনজন নতুন কোচ নিযুক্ত করেছে। তারা হলেন সাবেক ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশু, আকবর হোসেন রিদন এবং নারী ফুটবলার লিনা চাকমা। আতিকুর রহমান মিশু আগে ফর্টিজ ও ব্রাদার্স ইউনিয়নে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন এবং তৃণমূল ফুটবলে নিজেকে প্রশিক্ষিত করার ইচ্ছে থেকেই তিনি বাফুফেতে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচ লিনা চাকমাকে নারী ফুটবল ও ফুটসাল—দোভাবেই কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কোচিং প্যানেলে নতুন নিয়োগের পাশাপাশি পুরোনো কোচদের ওপরও ভরসা রেখেছে বাফুফে। একাডেমির হед কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হলেও ফেডারেশন তাঁর চুক্তি এক বছর বাড়িয়েছে। একইভাবে, ২০২৫ সালে মোট ২১ জন কোচের চুক্তিও আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালে মোট কোচের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫ জন। এই সিদ্ধান্ত মূলত ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) অর্থায়নে স্থানীয় কোচদের পারিশ্রমিক ও উন্নয়নে ব্যয় করা হয়, যা দেশের ফুটবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

তবে এত সংখ্যক স্থানীয় কোচ থাকা সত্ত্বেও দক্ষতা ও কাজের মান নিয়ে কিছু প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত এএফসি অ-১৭ টুর্নামেন্টের বাছাইপর্বে বাফুফের বাইরে থেকে বিকেএসপি কোচ ইমরুলকে সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, কেন প্যানেলভুক্ত কোচরা এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য যোগ্যতা না থাকলে, প্রতিবারই বাইরের কোচ নিয়োগ দিতে হয়। এতে করে দেশের কোচিং দক্ষতায় প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন মহল। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দেশের ফুটবল মানোন্নয়নে অ্যাকাডেমি ও জাতীয় পর্যায়ের কোচদের দক্ষতা উন্নতির মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাফুফে কোচিং প্যানেলে বড় পরিবর্তন: ফিরলেন বিপ্লব, থাকছেন ছোটন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কোচিং প্যানেলে নতুন বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় ধরনের পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ হয়েছে। এই বছর আবারও কোচিং স্টাফে ফিরেছেন সাবেক জাতীয় অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ গোলرক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য্য, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেডারেশনের কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে তিনি বাফুফের অধীনে জাতীয় নারী ও পুরুষ দলের পাশাপাশি একাডেমির গোলরক্ষক কোচ হিসেবে কাজ করেছেন। কিছুদিন পরে তিনি ক্লাব কোচিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য ফেডারেশন ত্যাগ করলেও দুই বছরের বিরতি শেষে আবারও পুরোনো কর্মস্থলে ফিরছেন। বিপ্লবের সঙ্গে নতুন বছরে বাফুফে আরও তিনজন নতুন কোচ নিযুক্ত করেছে। তারা হলেন সাবেক ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশু, আকবর হোসেন রিদন এবং নারী ফুটবলার লিনা চাকমা। আতিকুর রহমান মিশু আগে ফর্টিজ ও ব্রাদার্স ইউনিয়নে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন এবং তৃণমূল ফুটবলে নিজেকে প্রশিক্ষিত করার ইচ্ছে থেকেই তিনি বাফুফেতে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচ লিনা চাকমাকে নারী ফুটবল ও ফুটসাল—দোভাবেই কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কোচিং প্যানেলে নতুন নিয়োগের পাশাপাশি পুরোনো কোচদের ওপরও ভরসা রেখেছে বাফুফে। একাডেমির হед কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হলেও ফেডারেশন তাঁর চুক্তি এক বছর বাড়িয়েছে। একইভাবে, ২০২৫ সালে মোট ২১ জন কোচের চুক্তিও আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালে মোট কোচের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫ জন। এই সিদ্ধান্ত মূলত ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) অর্থায়নে স্থানীয় কোচদের পারিশ্রমিক ও উন্নয়নে ব্যয় করা হয়, যা দেশের ফুটবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

তবে এত সংখ্যক স্থানীয় কোচ থাকা সত্ত্বেও দক্ষতা ও কাজের মান নিয়ে কিছু প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত এএফসি অ-১৭ টুর্নামেন্টের বাছাইপর্বে বাফুফের বাইরে থেকে বিকেএসপি কোচ ইমরুলকে সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, কেন প্যানেলভুক্ত কোচরা এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য যোগ্যতা না থাকলে, প্রতিবারই বাইরের কোচ নিয়োগ দিতে হয়। এতে করে দেশের কোচিং দক্ষতায় প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন মহল। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দেশের ফুটবল মানোন্নয়নে অ্যাকাডেমি ও জাতীয় পর্যায়ের কোচদের দক্ষতা উন্নতির মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যত আরও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা।