০২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

সাধারণ একজন গৃহবধূ থেকে শুরু করে কঠিন রাজনীতির জটিল মঞ্চে পা রেখে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার সংগ্রামী জীবন ও কর্মময় কর্মকাণ্ডের ওপর বগুড়ায় দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজনে করেছে বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বাদ জুমা, জিয়া উদ্যানে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন এতই বিস্তৃত ও বর্ণাঢ্য যে, একখণ্ড ছবি বা ছোট আয়োজনের মাধ্যমে তার জীবনাচার সম্পূর্ণরূপে বোঝানো সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, সংগঠনটির পক্ষ থেকে আমরা আশ্বাস দিচ্ছি, বেগম জিয়ার সামাজিক, রাজনৈতিক আন্দোলন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর বিভিন্ন আলাদা আলাদা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।

জনপ্রিয় নেত্রীর জানাজায় আকাশচুম্বীরা অংশগ্রহণ করে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানবসমাগমের মধ্যে অন্যতম বলে মনে করা হয়। তার জীবনের আদর্শ এবং লড়াই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য। তরুণ প্রজন্ম, যারা বেগম জিয়ার নেতৃত্ব সরাসরি দেখেননি, তারা আরও জানতে চায় তার জীবন ও সংগ্রামের বিষয়ে। এজন্য আমি সংগঠনটিকে অনুরোধ করব, তারা যেন এসব বিষয়ে আরও কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির উপদেষ্টা আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীই নন, বরং বাংলাদেশের চার দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী নারী নেতৃত্বের মধ্যে সাহস, দৃঢ়তা ও গণআস্থার প্রতীক; তার জীবননদী ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন আপসহীনতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তরুণরা এখানে এসে বেগম জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পারবে। আমরা শিগগিরই দেশের বিভিন্ন স্থানে তার জীবনকাহিনী ভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করব।

বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার সভাপতি মারুফা রহমান বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। এখানে প্রদর্শিত প্রতিটি ছবি তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার সংগ্রামের দলিল। দেশের বাইরে থেকেও অনেক মানুষ এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন, বিশেষ করে তরুণদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে, যাতে তারা আরও চাক্ষুষভাবে তার জীবন ও কাজের সম্পর্কে জানতে পারে।

উক্ত প্রদর্শনীতে বেগম জিয়ার পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ১০০টি স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আদনান আজাদ, সহ-সভাপতি ফেরদৌস মামুন, জুলফিকার হোসাইন সোহাগ, আনোয়ার হোসেন জনি, রাশেদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম আমিনুল ইসলাম, গোলাম রাব্বী সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম জনি, অর্থ সম্পাদক ইসহাক আসিফ, দপ্তর সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবিরসহ আরও অনেকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

সাধারণ একজন গৃহবধূ থেকে শুরু করে কঠিন রাজনীতির জটিল মঞ্চে পা রেখে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার সংগ্রামী জীবন ও কর্মময় কর্মকাণ্ডের ওপর বগুড়ায় দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজনে করেছে বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বাদ জুমা, জিয়া উদ্যানে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন এতই বিস্তৃত ও বর্ণাঢ্য যে, একখণ্ড ছবি বা ছোট আয়োজনের মাধ্যমে তার জীবনাচার সম্পূর্ণরূপে বোঝানো সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, সংগঠনটির পক্ষ থেকে আমরা আশ্বাস দিচ্ছি, বেগম জিয়ার সামাজিক, রাজনৈতিক আন্দোলন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর বিভিন্ন আলাদা আলাদা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।

জনপ্রিয় নেত্রীর জানাজায় আকাশচুম্বীরা অংশগ্রহণ করে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানবসমাগমের মধ্যে অন্যতম বলে মনে করা হয়। তার জীবনের আদর্শ এবং লড়াই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য। তরুণ প্রজন্ম, যারা বেগম জিয়ার নেতৃত্ব সরাসরি দেখেননি, তারা আরও জানতে চায় তার জীবন ও সংগ্রামের বিষয়ে। এজন্য আমি সংগঠনটিকে অনুরোধ করব, তারা যেন এসব বিষয়ে আরও কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির উপদেষ্টা আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীই নন, বরং বাংলাদেশের চার দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী নারী নেতৃত্বের মধ্যে সাহস, দৃঢ়তা ও গণআস্থার প্রতীক; তার জীবননদী ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন আপসহীনতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তরুণরা এখানে এসে বেগম জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পারবে। আমরা শিগগিরই দেশের বিভিন্ন স্থানে তার জীবনকাহিনী ভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করব।

বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার সভাপতি মারুফা রহমান বলেন, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। এখানে প্রদর্শিত প্রতিটি ছবি তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার সংগ্রামের দলিল। দেশের বাইরে থেকেও অনেক মানুষ এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন, বিশেষ করে তরুণদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে, যাতে তারা আরও চাক্ষুষভাবে তার জীবন ও কাজের সম্পর্কে জানতে পারে।

উক্ত প্রদর্শনীতে বেগম জিয়ার পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ১০০টি স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আদনান আজাদ, সহ-সভাপতি ফেরদৌস মামুন, জুলফিকার হোসাইন সোহাগ, আনোয়ার হোসেন জনি, রাশেদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম আমিনুল ইসলাম, গোলাম রাব্বী সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম জনি, অর্থ সম্পাদক ইসহাক আসিফ, দপ্তর সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবিরসহ আরও অনেকে।