০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন স্মারণ ও বিশ্লেষণে দাবি: নির্বাচন পরিকল্পনায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মатарবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা- ৯ ঘণ্টা চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে দ্বিগুণেরও বেশি বাজেটে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন সংস্কারের নামে পুরোনো আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের পুনর্বাসন: টিআইবির অভিযোগ

উরুগুয়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য সম্ভাব্য প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হচ্ছে মারকোসুর অঞ্চল

দক্ষিণ আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জোট মারকোসুর বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে উরুগুয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্ভাব্য প্রবেশদ্বার হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংগঠন, বিজিএমইএ। সম্প্রতিকালে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উরুগুগের রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি বাংলাদেশে নিযুক্তি পেলে বিজিএমইএ’র নেতারা এ ব্যাপারে আলোচনা করেন। সেই সময়, বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ছিলেন পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, সুমাইয়া ইসলাম ও শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের উরুগুয়ের অনারারি কনসাল মোস্তফা কামরুস সোবহান। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সময়টিতে বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ইনামুল হক খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হলেও লাতিন আমেরিকার বাজারে প্রবেশে এখনও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি উরুগুয়ে মারকোসুর অঞ্চলকে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য প্রধান গেটওয়ে হিসেবে দেখার প্রস্তাব করেন। উরুগুর রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং উরুগুয়ের বিশ্বমানের ট্রেসেবিলিটি সনদযুক্ত মেরিনো উলের বাংলাদেশে রপ্তানি করার প্রস্তাব দেন। মোস্তফা কামরুস সোবহান বলেন, উরুগুয়ের মেরিনো উলের ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত বৈশ্বিক মানের এবং এটি বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারীদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ আরও জানান, উরুগুয়ে থেকে উল আমদানি করে বাংলাদেশের পণ্য বৈচিত্র্য আনা সম্ভব, যা লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ় করবে। প্রস্তাব ওঠে উরুগুয়েতে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানোর, যার জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণের বিষয় আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি জানান, উরুগুয়েত পক্ষ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে, যেখানে বিজিএমইএ এর অংশগ্রহণের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ভিসা প্রক্রিয়া সহজকরণে উভয় পক্ষ একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এই সব আলোচনার মধ্যে, উভয় দেশই ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

উরুগুয়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য সম্ভাব্য প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হচ্ছে মারকোসুর অঞ্চল

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জোট মারকোসুর বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে উরুগুয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্ভাব্য প্রবেশদ্বার হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সংগঠন, বিজিএমইএ। সম্প্রতিকালে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) উরুগুগের রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি বাংলাদেশে নিযুক্তি পেলে বিজিএমইএ’র নেতারা এ ব্যাপারে আলোচনা করেন। সেই সময়, বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ছিলেন পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, সুমাইয়া ইসলাম ও শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের উরুগুয়ের অনারারি কনসাল মোস্তফা কামরুস সোবহান। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সময়টিতে বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ইনামুল হক খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হলেও লাতিন আমেরিকার বাজারে প্রবেশে এখনও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি উরুগুয়ে মারকোসুর অঞ্চলকে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য প্রধান গেটওয়ে হিসেবে দেখার প্রস্তাব করেন। উরুগুর রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং উরুগুয়ের বিশ্বমানের ট্রেসেবিলিটি সনদযুক্ত মেরিনো উলের বাংলাদেশে রপ্তানি করার প্রস্তাব দেন। মোস্তফা কামরুস সোবহান বলেন, উরুগুয়ের মেরিনো উলের ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত বৈশ্বিক মানের এবং এটি বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারীদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ আরও জানান, উরুগুয়ে থেকে উল আমদানি করে বাংলাদেশের পণ্য বৈচিত্র্য আনা সম্ভব, যা লাতিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ় করবে। প্রস্তাব ওঠে উরুগুয়েতে একটি শক্তিশালী বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানোর, যার জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণের বিষয় আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি জানান, উরুগুয়েত পক্ষ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে, যেখানে বিজিএমইএ এর অংশগ্রহণের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ভিসা প্রক্রিয়া সহজকরণে উভয় পক্ষ একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এই সব আলোচনার মধ্যে, উভয় দেশই ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ করে।