০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রশাসনের

অতিসম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করেছে। সমগ্র দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সহিংসতা এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈধ অস্ত্র মালিকরা অতিসত্তরে তাদের অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা না দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অনূর্ধ্ব প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্বাচনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

প্রজ্ঞাপে জানানো হয়, এই সময়ে অস্ত্র বহন বা প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মাধ্যমে কেউ যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক উসকানি বা ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা না করে, তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ কিছু ব্যক্তিত্ব বা গোষ্ঠী এই নির্দেশের বাইরে থাকবেন। যেমন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রার্থী এবং তাঁদের নিরাপত্তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনাররা তাদের বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন। অন্যদিকে, সাধারণ লাইসেন্সধারীরা যদি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

নির্বাচনী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলায় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত একধরনের নিয়মিত প্রক্রিয়া যা নির্বাচনের সময়ে নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ও বৈধ দুই ধরনের অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ ভোটের মাঠে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে এবং সহিংসতা কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রশাসনের

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

অতিসম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করেছে। সমগ্র দেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সহিংসতা এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৈধ অস্ত্র মালিকরা অতিসত্তরে তাদের অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা না দিলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অনূর্ধ্ব প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্বাচনের নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

প্রজ্ঞাপে জানানো হয়, এই সময়ে অস্ত্র বহন বা প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মাধ্যমে কেউ যাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক উসকানি বা ভয়ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা না করে, তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষ কিছু ব্যক্তিত্ব বা গোষ্ঠী এই নির্দেশের বাইরে থাকবেন। যেমন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রার্থী এবং তাঁদের নিরাপত্তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনাররা তাদের বৈধ অস্ত্র বহন করতে পারবেন। অন্যদিকে, সাধারণ লাইসেন্সধারীরা যদি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

নির্বাচনী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলায় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত একধরনের নিয়মিত প্রক্রিয়া যা নির্বাচনের সময়ে নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ ও বৈধ দুই ধরনের অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ ভোটের মাঠে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে এবং সহিংসতা কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।