১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারের গুলিবর্ষণে কক্সবাজারের দুই বাংলাদেশি কিশোর গুরুতর আহত

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতে আবারো বাংলাদেশি ভূমি রক্তাক্ত হলো। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হো_coordinates1য়ং ইউনিয়নের নাফ নদী সংলগ্ন কানজর পাড়া সীমান্তে, ওপার থেকে আসা গুলির আওয়াজে দুই কিশোর গুরুতর আহত হয়। এই ঘটনার সময় মিয়ানমারসেনা ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চলা তীব্র গোলাগুলির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত দুই কিশোর হলো—কানজর পাড়া এলাকার মোহাম্মদ তোফায়েলের ছেলে মোহাম্মদ সোহেল (১৩) এবং একই এলাকার মো. ইউনুছের ছেলে ওবায়েদউল্লাহ (১৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালেই দুই কিশোর নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই মিয়ানমার সীমান্তে সংঘর্ষের শুরু হয়, যেখানে ব্যাপক গোলাগুলি চলতে থাকে। এক পর্যায়ে, ওপার থেকে ছোড়া গুলির কিছু শরীরের ওপর অতিক্রম করে এসে তাদের আঘাত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি ও নজরদারি চলছে বলে পরিবার সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে টেকনাফের সীমান্ত অঞ্চলে আতঙ্ক বেড়ে গেছে। নাফ নদীর আশপাশের গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি কিছুটা আশ্চর্যজনকভাবে থমথমে। বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিজিবি ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছে, গোলাগুলির কারণে দুই কিশোর আহত হওয়া ঘটনার গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। তারা পরিস্থিতির উপর নজরদারি বাড়িয়েছেন এবং সীমান্তে টহল এবং নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে চলা জাতিগত সংঘাতের কারণে প্রায়ই সীমান্তে গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি এই এলাকায়, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আরও এক বাংলাদেশি শিশু আফনান গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। একের পর এক এই ধরনের ঘটনায়, সীমান্তের ওপার থেকে বাংলাদেশে চাপ পড়ছে। ফলে সীমান্তবর্তী মানুষজনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সাধারণ মানুষকে নদী সংলগ্ন এলাকায় সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

মিয়ানমারের গুলিবর্ষণে কক্সবাজারের দুই বাংলাদেশি কিশোর গুরুতর আহত

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতে আবারো বাংলাদেশি ভূমি রক্তাক্ত হলো। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হো_coordinates1য়ং ইউনিয়নের নাফ নদী সংলগ্ন কানজর পাড়া সীমান্তে, ওপার থেকে আসা গুলির আওয়াজে দুই কিশোর গুরুতর আহত হয়। এই ঘটনার সময় মিয়ানমারসেনা ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চলা তীব্র গোলাগুলির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত দুই কিশোর হলো—কানজর পাড়া এলাকার মোহাম্মদ তোফায়েলের ছেলে মোহাম্মদ সোহেল (১৩) এবং একই এলাকার মো. ইউনুছের ছেলে ওবায়েদউল্লাহ (১৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালেই দুই কিশোর নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই মিয়ানমার সীমান্তে সংঘর্ষের শুরু হয়, যেখানে ব্যাপক গোলাগুলি চলতে থাকে। এক পর্যায়ে, ওপার থেকে ছোড়া গুলির কিছু শরীরের ওপর অতিক্রম করে এসে তাদের আঘাত করে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি ও নজরদারি চলছে বলে পরিবার সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে টেকনাফের সীমান্ত অঞ্চলে আতঙ্ক বেড়ে গেছে। নাফ নদীর আশপাশের গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি কিছুটা আশ্চর্যজনকভাবে থমথমে। বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বিজিবি ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছে, গোলাগুলির কারণে দুই কিশোর আহত হওয়া ঘটনার গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। তারা পরিস্থিতির উপর নজরদারি বাড়িয়েছেন এবং সীমান্তে টহল এবং নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে চলা জাতিগত সংঘাতের কারণে প্রায়ই সীমান্তে গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি এই এলাকায়, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আরও এক বাংলাদেশি শিশু আফনান গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। একের পর এক এই ধরনের ঘটনায়, সীমান্তের ওপার থেকে বাংলাদেশে চাপ পড়ছে। ফলে সীমান্তবর্তী মানুষজনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সাধারণ মানুষকে নদী সংলগ্ন এলাকায় সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন।