১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মুফতি রেজাউল করিমের দাবি: জামায়াত আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, আমাদের দল ও অন্যান্য ইসলামপন্থী জোট গঠনের মাধ্যমে আমরা এগুচ্ছিলাম। কিন্তু পরে দেখা গেল, জামায়াতে ইসলামী অঘোষিতভাবেই অন্যান্য দলের নেতৃত্ব নিজের হাতে নেওয়ার জন্য আমাদের অপপ্রয়াস চালিয়েছে। তারা আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। আমাদের বড় আশাটা ছিল, দেশের ইসলামপন্থীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে, একটি বড় উত্থান হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই আশায় বাস্তবায়ন হয়নি; বরং সেটি অন্ধকারে পরিণত হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও বলেন, জামায়াত ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করতে চায় না, যে কারণে আমাদের সিদ্ধান্তে বাধ্য হয়ে সরে আসতে হয়। তখন আমরা ঐতিহ্যবাহী হাতপাখা প্রতীকের মাধ্যমে ইসলামের বার্তা দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আশা করছি, সেই ইসলামী শক্তির বাক্সই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ। যারা মানবতার মুক্তির জন্য কাজ করে, যারা ইসলামের প্রতিষ্ঠা চায়, তারা আমাদের সঙ্গে আছে। তারা মুখিয়ে রয়েছে হাতপাখাকে বিজয়ী করতে।”

তিনি আরও বলেন, “আন্তঃকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল, এমন নির্বাচন শুভময় পরিবেশে হবে, যা সবাই স্মরণ করবে। কিন্তু সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি প্রশাসন। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও অরাজকতা চলছে, যা উদ্বেগজনক।”

এছাড়া, তিনি বাংলায় ভোলা জেলার নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “পরিবেশ ঠিক না থাকলে আগামীতে সামনে আরও বড় সংকটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যার দায়টা আমাদের সকলের। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

জনসভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন তিনি। তাছাড়া, এই সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতাকর্মীরা, যারা সমৃদ্ধ করেন এই আলাপচারিতা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মুফতি রেজাউল করিমের দাবি: জামায়াত আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, আমাদের দল ও অন্যান্য ইসলামপন্থী জোট গঠনের মাধ্যমে আমরা এগুচ্ছিলাম। কিন্তু পরে দেখা গেল, জামায়াতে ইসলামী অঘোষিতভাবেই অন্যান্য দলের নেতৃত্ব নিজের হাতে নেওয়ার জন্য আমাদের অপপ্রয়াস চালিয়েছে। তারা আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। আমাদের বড় আশাটা ছিল, দেশের ইসলামপন্থীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে, একটি বড় উত্থান হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই আশায় বাস্তবায়ন হয়নি; বরং সেটি অন্ধকারে পরিণত হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও বলেন, জামায়াত ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করতে চায় না, যে কারণে আমাদের সিদ্ধান্তে বাধ্য হয়ে সরে আসতে হয়। তখন আমরা ঐতিহ্যবাহী হাতপাখা প্রতীকের মাধ্যমে ইসলামের বার্তা দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আশা করছি, সেই ইসলামী শক্তির বাক্সই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ। যারা মানবতার মুক্তির জন্য কাজ করে, যারা ইসলামের প্রতিষ্ঠা চায়, তারা আমাদের সঙ্গে আছে। তারা মুখিয়ে রয়েছে হাতপাখাকে বিজয়ী করতে।”

তিনি আরও বলেন, “আন্তঃকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল, এমন নির্বাচন শুভময় পরিবেশে হবে, যা সবাই স্মরণ করবে। কিন্তু সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি প্রশাসন। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও অরাজকতা চলছে, যা উদ্বেগজনক।”

এছাড়া, তিনি বাংলায় ভোলা জেলার নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “পরিবেশ ঠিক না থাকলে আগামীতে সামনে আরও বড় সংকটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যার দায়টা আমাদের সকলের। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

জনসভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন তিনি। তাছাড়া, এই সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতাকর্মীরা, যারা সমৃদ্ধ করেন এই আলাপচারিতা।