০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মুফতি রেজাউল করিমের দাবি: জামায়াত আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, আমাদের দল ও অন্যান্য ইসলামপন্থী জোট গঠনের মাধ্যমে আমরা এগুচ্ছিলাম। কিন্তু পরে দেখা গেল, জামায়াতে ইসলামী অঘোষিতভাবেই অন্যান্য দলের নেতৃত্ব নিজের হাতে নেওয়ার জন্য আমাদের অপপ্রয়াস চালিয়েছে। তারা আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। আমাদের বড় আশাটা ছিল, দেশের ইসলামপন্থীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে, একটি বড় উত্থান হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই আশায় বাস্তবায়ন হয়নি; বরং সেটি অন্ধকারে পরিণত হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও বলেন, জামায়াত ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করতে চায় না, যে কারণে আমাদের সিদ্ধান্তে বাধ্য হয়ে সরে আসতে হয়। তখন আমরা ঐতিহ্যবাহী হাতপাখা প্রতীকের মাধ্যমে ইসলামের বার্তা দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আশা করছি, সেই ইসলামী শক্তির বাক্সই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ। যারা মানবতার মুক্তির জন্য কাজ করে, যারা ইসলামের প্রতিষ্ঠা চায়, তারা আমাদের সঙ্গে আছে। তারা মুখিয়ে রয়েছে হাতপাখাকে বিজয়ী করতে।”

তিনি আরও বলেন, “আন্তঃকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল, এমন নির্বাচন শুভময় পরিবেশে হবে, যা সবাই স্মরণ করবে। কিন্তু সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি প্রশাসন। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও অরাজকতা চলছে, যা উদ্বেগজনক।”

এছাড়া, তিনি বাংলায় ভোলা জেলার নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “পরিবেশ ঠিক না থাকলে আগামীতে সামনে আরও বড় সংকটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যার দায়টা আমাদের সকলের। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

জনসভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন তিনি। তাছাড়া, এই সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতাকর্মীরা, যারা সমৃদ্ধ করেন এই আলাপচারিতা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

মুফতি রেজাউল করিমের দাবি: জামায়াত আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, আমাদের দল ও অন্যান্য ইসলামপন্থী জোট গঠনের মাধ্যমে আমরা এগুচ্ছিলাম। কিন্তু পরে দেখা গেল, জামায়াতে ইসলামী অঘোষিতভাবেই অন্যান্য দলের নেতৃত্ব নিজের হাতে নেওয়ার জন্য আমাদের অপপ্রয়াস চালিয়েছে। তারা আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল। আমাদের বড় আশাটা ছিল, দেশের ইসলামপন্থীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে, একটি বড় উত্থান হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই আশায় বাস্তবায়ন হয়নি; বরং সেটি অন্ধকারে পরিণত হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রংপুরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম আরও বলেন, জামায়াত ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করতে চায় না, যে কারণে আমাদের সিদ্ধান্তে বাধ্য হয়ে সরে আসতে হয়। তখন আমরা ঐতিহ্যবাহী হাতপাখা প্রতীকের মাধ্যমে ইসলামের বার্তা দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আশা করছি, সেই ইসলামী শক্তির বাক্সই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ। যারা মানবতার মুক্তির জন্য কাজ করে, যারা ইসলামের প্রতিষ্ঠা চায়, তারা আমাদের সঙ্গে আছে। তারা মুখিয়ে রয়েছে হাতপাখাকে বিজয়ী করতে।”

তিনি আরও বলেন, “আন্তঃকালীন সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল, এমন নির্বাচন শুভময় পরিবেশে হবে, যা সবাই স্মরণ করবে। কিন্তু সেই পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি প্রশাসন। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ও অরাজকতা চলছে, যা উদ্বেগজনক।”

এছাড়া, তিনি বাংলায় ভোলা জেলার নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “পরিবেশ ঠিক না থাকলে আগামীতে সামনে আরও বড় সংকটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যার দায়টা আমাদের সকলের। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

জনসভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন তিনি। তাছাড়া, এই সভায় আরও বক্তব্য দেন দলের নেতাকর্মীরা, যারা সমৃদ্ধ করেন এই আলাপচারিতা।