১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘকে প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের বাংলাদেশ পুলিশের উচ্চপদস্থ ৮ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপির প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি সরকারের ঘোষণা: নির্বাচনের পর দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত হবে চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি ইজারাকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা, জরুরি সভার আহ্বান চট্টগ্রাম বন্দর: শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্ষোভের মুখে নৌ উপদেষ্টা ভোটের দিন ও ছুটির সময় মেট্রোরেল সচল থাকবে; কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ

নির্বাচনি ইশতেহারে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ঘোষণা বিএনপির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষা এবং স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের ইশতেহার প্রকাশ করেছে। এই ইশতেহারে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করবে, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের স্বাধীনতার জন্য বিশেষ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে এক জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই নতুন অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। তিনি জানান, জনগণের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইশতেহার ঘোষণা কালে তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি প্রথমে ৩১ দফার মধ্যে জুলাই সনদ বিষয়টি ছিল না; কিন্তু দেশের সব দলই স্বৈরশাসন পুনরাবৃত্তি চায় না। আমরা চাই দেশের গণতান্ত্রিক সুবিধা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক, তাই আমরা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করব।” তিনি আরও বলেন, এই ‘জুলাই সনদ’-এর মূল বিষয়াবলি বিএনপির আগে ঘোষণা করা রাষ্ট্র সংস্কার ৩১ দফার সাথে ব্যাপক উপাদানে একত্রিত রয়েছে।

শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এবং তাদের স্মৃতি রক্ষা করতে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তিনি জানান, শহীদদের নামের উল্লেখ করে তাদের জন্য রাস্তা, ব্রিজ ও অন্যান্য স্থাপনায় নামকরণ করা হবে যেন তারা চিরদিন মনে রাখা হয়।

বিএনপির ৪৭ বছরের গৌরবময় ইতিহাসের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখনো তারা মূল রাজনৈতিক আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হয়নি। এই বিখ্যাত ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানটি মঞ্চায়নে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। এই ইশতেহার মূলত একটি স্বচ্ছ, সমতা-ভিত্তিক এবং স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রচিত হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমির হামজার ফেসবুক পেজ বন্ধ করল মেটা কর্তৃপক্ষ

নির্বাচনি ইশতেহারে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ঘোষণা বিএনপির

প্রকাশিতঃ ১২:৩০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষা এবং স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের ইশতেহার প্রকাশ করেছে। এই ইশতেহারে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করবে, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের স্বাধীনতার জন্য বিশেষ একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে এক জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই নতুন অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। তিনি জানান, জনগণের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইশতেহার ঘোষণা কালে তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি প্রথমে ৩১ দফার মধ্যে জুলাই সনদ বিষয়টি ছিল না; কিন্তু দেশের সব দলই স্বৈরশাসন পুনরাবৃত্তি চায় না। আমরা চাই দেশের গণতান্ত্রিক সুবিধা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক, তাই আমরা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করব।” তিনি আরও বলেন, এই ‘জুলাই সনদ’-এর মূল বিষয়াবলি বিএনপির আগে ঘোষণা করা রাষ্ট্র সংস্কার ৩১ দফার সাথে ব্যাপক উপাদানে একত্রিত রয়েছে।

শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এবং তাদের স্মৃতি রক্ষা করতে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তিনি জানান, শহীদদের নামের উল্লেখ করে তাদের জন্য রাস্তা, ব্রিজ ও অন্যান্য স্থাপনায় নামকরণ করা হবে যেন তারা চিরদিন মনে রাখা হয়।

বিএনপির ৪৭ বছরের গৌরবময় ইতিহাসের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখনো তারা মূল রাজনৈতিক আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হয়নি। এই বিখ্যাত ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানটি মঞ্চায়নে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। এই ইশতেহার মূলত একটি স্বচ্ছ, সমতা-ভিত্তিক এবং স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রচিত হয়েছে।