১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নির্বাচন কমিশন গেজেটে ত্রয়োদশ সংসদের ২৯৭ নির্বাচিতের নাম নবীন—প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবে বিএনপি জাতিসংঘ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় অভিনন্দন, পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস আগামী সোমবার নতুন সরকারের শপথগ্রহণ চূড়ান্ত প্রধান উপদেষ্টা তাঁর আগের পেশায় ফিরে যাবেন: আলী রীয়াজ শুক্রবারের ছুটি শেষ, ঢাকায় ফিরছেন মানুষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রীরা শপথ পাঠ করাবেন তারেক রহমান ও বিএনপিকে কমনওয়েলথ মহাসচিবের শুভেচ্ছা সংসদ সদস্যদের বেতন ছাড়াও পাওয়া সুযোগ-সুবিধা ৩-৪ দিনের মধ্যে নতুন মন্ত্রিদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা ধীরগতি ও সরবরাহ উদ্বৃত্তের পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, চলতি বছরে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে ধীরগতিতে এগোতে পারে। প্রাক্কলন অনুযায়ী, বর্তমানে দৈনিক ৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল করে তেলের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গত মাসের পূর্বাভাসের তুলনায় ৮০ হাজার ব্যারেল কম। এছাড়া, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চমূল্যের আশঙ্কা এবং বৈশ্বিক মহামারীর প্রভাবের কারণে বিশ্লেষকরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে ২০২৬ সাল নাগাদ বিশ্বজুড়ে তেলের মোট ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে পারে।

আইইএর মাসিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা বলছে, ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় দৈনিক গড়ে ৩৭ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল সরবরাহ এঁকেবেঁকে থাকতে পারে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪ শতাংশের সমান। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উত্তর আমেরিকার শীতকালীন তুষারঝড়, চরম আবহাওয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের উৎপাদন বাধার কারণে সারা বিশ্বে তেলের সরবরাহ দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেলে কমে ১০ কোটি ৬৬ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায়, আইইএ ২০২৬ সালের জন্য সরবরাহ বৃদ্ধির লক্ষ্য সুসংহত করে পূর্বের ২৫ লাখ ব্যারেল থেকে কমিয়ে ২৪ লাখ ব্যারেলে পুনঃনির্ধারণ করেছে।

বাজারের এই অস্থিরতার মূল কারণের মধ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ওপেক প্লাসভুক্ত সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি পরিকল্পনা এবং নতুন উদীয়মান দেশগুলোর তেল উত্তোলনে মনোযোগ। বিশেষ করে ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ওপেক পলাসহ গায়ানা ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলো উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করলেও, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে তাদের এই উদ্যোগ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর এখন নিম্নমুখী, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। শেষ আপডেটে জানা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১২ সেন্ট কমে ৬৭ ডলার ৪০ সেন্টে এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ১৩ সেন্ট কমে ৬২ ডলার ৭১ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নবীন—প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবে বিএনপি

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা ধীরগতি ও সরবরাহ উদ্বৃত্তের পূর্বাভাস

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, চলতি বছরে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে ধীরগতিতে এগোতে পারে। প্রাক্কলন অনুযায়ী, বর্তমানে দৈনিক ৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল করে তেলের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গত মাসের পূর্বাভাসের তুলনায় ৮০ হাজার ব্যারেল কম। এছাড়া, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চমূল্যের আশঙ্কা এবং বৈশ্বিক মহামারীর প্রভাবের কারণে বিশ্লেষকরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে ২০২৬ সাল নাগাদ বিশ্বজুড়ে তেলের মোট ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে পারে।

আইইএর মাসিক প্রতিবেদনের পর্যালোচনা বলছে, ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় দৈনিক গড়ে ৩৭ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল সরবরাহ এঁকেবেঁকে থাকতে পারে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪ শতাংশের সমান। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উত্তর আমেরিকার শীতকালীন তুষারঝড়, চরম আবহাওয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের উৎপাদন বাধার কারণে সারা বিশ্বে তেলের সরবরাহ দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেলে কমে ১০ কোটি ৬৬ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায়, আইইএ ২০২৬ সালের জন্য সরবরাহ বৃদ্ধির লক্ষ্য সুসংহত করে পূর্বের ২৫ লাখ ব্যারেল থেকে কমিয়ে ২৪ লাখ ব্যারেলে পুনঃনির্ধারণ করেছে।

বাজারের এই অস্থিরতার মূল কারণের মধ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ওপেক প্লাসভুক্ত সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি পরিকল্পনা এবং নতুন উদীয়মান দেশগুলোর তেল উত্তোলনে মনোযোগ। বিশেষ করে ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ওপেক পলাসহ গায়ানা ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলো উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করলেও, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে তাদের এই উদ্যোগ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর এখন নিম্নমুখী, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। শেষ আপডেটে জানা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১২ সেন্ট কমে ৬৭ ডলার ৪০ সেন্টে এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ১৩ সেন্ট কমে ৬২ ডলার ৭১ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।