১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, কারা ডাক পেতে পারেন? আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন আইজিপি বাহারুল আলমের পদত্যাগ নিয়ে প্রশাসনে তীব্র গুঞ্জন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথে ১৩ দেশের প্রধানকে আমন্ত্রণ গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নির্বাচনী সফলতার জন্য তিন শীর্ষ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, নতুন সরকারের শপথ আজ মঙ্গলবার আসিফ নজরুলের স্পষ্টবার্তা: বিএনপির মন্ত্রিসভায় আমার থাকাটা সম্ভব নয় সেনাবাহিনী ফিরে যাবে ব্যারাকে: সেনাপ্রধান নবনির্বাচিত সরকার শপথ নিলে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে: সেনাপ্রধান

গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নির্বাচনী সফলতার জন্য তিন শীর্ষ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তিন জায়গার শীর্ষ নেতা—বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম—কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রশংসা জানান।শনিবার (১৪ ফেরুয়ারি) পৃথক টেলিফোন আলাপের মাধ্যমে তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং শুভেচ্ছা ও শুভকামনা ব্যক্ত করেন।আলাপের সময় প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সংযম আর পরিমিতিবোধের প্রশংসা করে বলেন, এই ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে সংশ্লিষ্ট দলের দায়িত্বশীল আচরণ একান্ত জরুরি, যা দেশজুড়ে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।প্রেস উইং জানিয়েছে, আলাপচারিতার শুরুতেই তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলটির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই ঐতিহাসিক পর্যায়ে মানুষের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে পাঠানো আলাদা বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস দলটির সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে প্রার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ফলাফলের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক গ্রহণযোগ্যতা সত্যিই প্রশংসনীয়।”অন্যদিকে, নবগঠিত দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “তরুণ নেতৃত্বে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আপনার দলের সাহস, দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে।” মাত্র এক বছর আগে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এই নবীন দলটি ৩০টি আসনে লড়াই করে ৬টিতে জয়লাভ করে এবং বাকিগুলিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের প্রকাশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে।প্রধান উপদেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলো এমন ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি সবাইকে একযোগে কাজ করে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আহ্বান জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, কারা ডাক পেতে পারেন?

গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নির্বাচনী সফলতার জন্য তিন শীর্ষ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তিন জায়গার শীর্ষ নেতা—বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম—কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রশংসা জানান।শনিবার (১৪ ফেরুয়ারি) পৃথক টেলিফোন আলাপের মাধ্যমে তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং শুভেচ্ছা ও শুভকামনা ব্যক্ত করেন।আলাপের সময় প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সংযম আর পরিমিতিবোধের প্রশংসা করে বলেন, এই ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে সংশ্লিষ্ট দলের দায়িত্বশীল আচরণ একান্ত জরুরি, যা দেশজুড়ে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।প্রেস উইং জানিয়েছে, আলাপচারিতার শুরুতেই তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলটির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই ঐতিহাসিক পর্যায়ে মানুষের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে পাঠানো আলাদা বার্তায় অধ্যাপক ইউনূস দলটির সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে প্রার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ফলাফলের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক গ্রহণযোগ্যতা সত্যিই প্রশংসনীয়।”অন্যদিকে, নবগঠিত দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “তরুণ নেতৃত্বে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আপনার দলের সাহস, দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে।” মাত্র এক বছর আগে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এই নবীন দলটি ৩০টি আসনে লড়াই করে ৬টিতে জয়লাভ করে এবং বাকিগুলিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের প্রকাশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে।প্রধান উপদেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলো এমন ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি সবাইকে একযোগে কাজ করে সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আহ্বান জানান।