০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

ইসিতে নাসীরুদ্দীনের আবেদন: মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখার দাবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ভোট জালিয়াতি, অনিয়ম ও বেআইনি প্রভাবের অভিযোগ করে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন। তিনি নবনির্বাচিত এমপি মির্জা আব্বাসের শপথ গ্রহণ স্থগিত রাখার পাশাপাশি ওই আসনের ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

আবেদনটি রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নাসীরুদ্দীনের পক্ষে এনসিপি নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরে জমা দেন। পাটওয়ারী ওই অভিযোগপত্রটি গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজে লিখে কমিশনার বরাবর দাখিল করেছিলেন বলে জানানো হয়েছে।

আবেদনে পাটওয়ারী নির্দিষ্টভাবে মোট ১২টি ভোটকেন্দ্রে ঘটেছে এমন অনিয়মের বিস্তারিত উল্লিখন করেছেন, যা ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি দাবি করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, তার নেতাকর্মী, এজেন্ট এবং পরিবারের সদস্যরা ভোট রিগিং, ভোটারদের ওপর প্রভাব চাপানো, ফলাফল আটকানো এবং বাতিল ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।

নাসীরুদ্দীনের অভিযোগ, একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারাও এসব অনিয়মে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি বলছেন, সুপরিকল্পিত কারচুপি ও সংগঠিত অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফল মুছে ফেলে মির্জা আব্বাসকে অন্যায়ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলের অনুসারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ৫৭,০৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষণা হন, আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫১,৩৯৬ ভোট। ফলাফল সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে এনসিপি এখন আইনি ও প্রশাসনিক পথে লড়াই চালাতে উদ্যোগ নিয়েছে।

এনসিপির দাবি-অভিযোগ যাচাই করে নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেয় এবং শপথ গ্রহণ স্থগিত রাখার অনুরোধ মেনে নেওয়া হবে কিনা—এ বিষয়গুলো আগামীদিনে পরিষ্কার হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

ইসিতে নাসীরুদ্দীনের আবেদন: মির্জা আব্বাসের শপথ স্থগিত রাখার দাবি

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ভোট জালিয়াতি, অনিয়ম ও বেআইনি প্রভাবের অভিযোগ করে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন। তিনি নবনির্বাচিত এমপি মির্জা আব্বাসের শপথ গ্রহণ স্থগিত রাখার পাশাপাশি ওই আসনের ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

আবেদনটি রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নাসীরুদ্দীনের পক্ষে এনসিপি নেতা কাজী ফখরুল ইসলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরে জমা দেন। পাটওয়ারী ওই অভিযোগপত্রটি গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজে লিখে কমিশনার বরাবর দাখিল করেছিলেন বলে জানানো হয়েছে।

আবেদনে পাটওয়ারী নির্দিষ্টভাবে মোট ১২টি ভোটকেন্দ্রে ঘটেছে এমন অনিয়মের বিস্তারিত উল্লিখন করেছেন, যা ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি দাবি করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, তার নেতাকর্মী, এজেন্ট এবং পরিবারের সদস্যরা ভোট রিগিং, ভোটারদের ওপর প্রভাব চাপানো, ফলাফল আটকানো এবং বাতিল ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।

নাসীরুদ্দীনের অভিযোগ, একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারাও এসব অনিয়মে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি বলছেন, সুপরিকল্পিত কারচুপি ও সংগঠিত অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃত ফলাফল মুছে ফেলে মির্জা আব্বাসকে অন্যায়ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলের অনুসারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ৫৭,০৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী ঘোষণা হন, আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫১,৩৯৬ ভোট। ফলাফল সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে এনসিপি এখন আইনি ও প্রশাসনিক পথে লড়াই চালাতে উদ্যোগ নিয়েছে।

এনসিপির দাবি-অভিযোগ যাচাই করে নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেয় এবং শপথ গ্রহণ স্থগিত রাখার অনুরোধ মেনে নেওয়া হবে কিনা—এ বিষয়গুলো আগামীদিনে পরিষ্কার হবে।