০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১০–১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ কিংবা তার এক থেকে দুই দিন আগে বসতে পারে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সালাহউদ্দিন জানান, ওই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা কিছু অধ্যাদেশ এবং কয়েকটি শোকপ্রস্তাবও অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

এরই মধ্যে সংসদে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বিরোধী দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়; এটি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শের ভিত্তিতেই করা হয়। এবারের নির্বাচনের ফল ঘোষণার গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় — নির্বাচন হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি।

অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, পুরনো সংসদের মেয়াদ শেষ হলে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন কয়েকদিন পরে বসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, দ্বাদশ সংসদের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি শপথ নিলেও প্রথম অধিবেশন ৩০ জানুয়ারি বসেছিল, কারণ একাদশ সংসদের মেয়াদ ২৯ জানুয়ারি শেষ হয়েছিল। এবার ঐ কারণে অপেক্ষা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন সংক্রান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয় এবং ফলাফল ঘোষণা হয়েছে ২৯৭ আসনের। এর মধ্যে বিএনপি ২০৯ আসনে জিতেছে এবং তাদের জোটের তিন শরিক দলে সমগ্রত: তিনটি আসন রয়েছে। স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জিতেছে। তাদের ১১ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়ী হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন একটি আসন অর্জন করেছে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন — এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিএনপির বিদ্রোহী বলে চিহ্নিত হয়েছেন।

রাজনীতিক ও সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী এখন গেজেট ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া এবং রাষ্ট্রপতির অফিস থেকে আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানানো বাকি। সেই প্রক্রিয়া শেষে ত্বরিতভাবে স্পিকার নির্বাচন ও অন্যান্য সাংবিধানিক কার্যক্রম শুরু হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১০–১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে

প্রকাশিতঃ ০৩:২৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ কিংবা তার এক থেকে দুই দিন আগে বসতে পারে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সালাহউদ্দিন জানান, ওই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা কিছু অধ্যাদেশ এবং কয়েকটি শোকপ্রস্তাবও অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

এরই মধ্যে সংসদে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বিরোধী দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়; এটি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শের ভিত্তিতেই করা হয়। এবারের নির্বাচনের ফল ঘোষণার গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় — নির্বাচন হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি।

অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, পুরনো সংসদের মেয়াদ শেষ হলে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন কয়েকদিন পরে বসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, দ্বাদশ সংসদের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি শপথ নিলেও প্রথম অধিবেশন ৩০ জানুয়ারি বসেছিল, কারণ একাদশ সংসদের মেয়াদ ২৯ জানুয়ারি শেষ হয়েছিল। এবার ঐ কারণে অপেক্ষা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন সংক্রান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয় এবং ফলাফল ঘোষণা হয়েছে ২৯৭ আসনের। এর মধ্যে বিএনপি ২০৯ আসনে জিতেছে এবং তাদের জোটের তিন শরিক দলে সমগ্রত: তিনটি আসন রয়েছে। স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জিতেছে। তাদের ১১ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়ী হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন একটি আসন অর্জন করেছে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন — এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিএনপির বিদ্রোহী বলে চিহ্নিত হয়েছেন।

রাজনীতিক ও সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী এখন গেজেট ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া এবং রাষ্ট্রপতির অফিস থেকে আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানানো বাকি। সেই প্রক্রিয়া শেষে ত্বরিতভাবে স্পিকার নির্বাচন ও অন্যান্য সাংবিধানিক কার্যক্রম শুরু হবে।