০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

প্রকাশিতঃ ০৬:০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।