১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ মোট ৭ হাজার অভিবাসী আটক

প্রকাশিতঃ ০৬:০৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ায় গেল ১ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনের মধ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে পরিচালিত কঠোর অভিযানের ফলাফল, যা ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়েই ইমিগ্রেশন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, দেশটির অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে তারা ধারাবাহিক, সমন্বিত ও লক্ষ্যমুখী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশনের আইন প্রয়োগ শাখা ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মোট ৩০,১৭৭ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে অবস্থান করায় আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মামলার বিষয়েও উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের জন্য। এছাড়া ১,২৫০ মামলায় জমা হয়েছে ধারা ১৫(১)(সি), যার অর্থ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের জন্য।

অন্য মামলার মধ্যে রয়েছে ৮০৬টি ধারা ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আরও ১৮৩টি মামলা বিভিন্ন অপরাধের মধ্যে নথিভুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশসহ ভারতের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ায় অবৈধ হিসেবে আটকপরিছন্ন এসব নাগরিকের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিকরা রয়েছেন। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে চলবে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও, সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দেন, তাহলে তা কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে আরও কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করা যায়।