০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

খুলনায় সাবেক এমপির জামাতার সন্ধান এখনো মিলেনি, নিখোঁজ তিন দিন পার

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের জামাতা ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন ওরফে সুজন নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কাজীর বাবা, ব্যবসায়ী কাজী আবদুস সোবহান। তিনি প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী আবদুস সোবহান বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পরে রাত ৮টার দিকে তার ছেলে নগরের পুলিশ লাইনস জামে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়তে বাসা থেকে বের হন। নামাজ শেষে প্রায় অর্ধঘণ্টা পর তিনি মসজিদ থেকে বের হন। মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিনি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তবে এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নামাজের সময় তিনি মোবাইল ফোন বাসায় রেখে গেছিলেন, ফলে যোগাযোগের কোনো উপায় ছিল না।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, আশপাশের বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে খোঁজ চালানো হলেও বেশ কিছু ক্যামেরা অচল থাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টিকে তারা রহস্যময় বলে আখ্যায়িত করেছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তির বাবা আরও জানান, ঘটনার পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। তবে এখনো কোনো অগ্রগতি প্রকাশ পায়নি।

তিনি বলেন, তার ছেলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও যেতেন না। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খুলনার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে থাকেন। এমন একজন মানুষ কী কারণ ছাড়াই নিখোঁজ হয়ে গেলে এটি রহস্যের গভীরতা বাড়ায়।

পরিবারের দাবি, কাজী নিজাম উদ্দিন কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। তিনি পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার মা, স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী সন্তান। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও তার খোঁজে জোরালো পদক্ষেপের জন্য আহ্বান জানান।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সিসিটিভি বিশ্লেষণ করেছি, তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পাইনি। আমরা আন্তরিকভাবে বিষয়টি দেখছি।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

খুলনায় সাবেক এমপির জামাতার সন্ধান এখনো মিলেনি, নিখোঁজ তিন দিন পার

প্রকাশিতঃ ১০:২০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের জামাতা ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন ওরফে সুজন নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কাজীর বাবা, ব্যবসায়ী কাজী আবদুস সোবহান। তিনি প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী আবদুস সোবহান বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পরে রাত ৮টার দিকে তার ছেলে নগরের পুলিশ লাইনস জামে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়তে বাসা থেকে বের হন। নামাজ শেষে প্রায় অর্ধঘণ্টা পর তিনি মসজিদ থেকে বের হন। মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিনি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তবে এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নামাজের সময় তিনি মোবাইল ফোন বাসায় রেখে গেছিলেন, ফলে যোগাযোগের কোনো উপায় ছিল না।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, আশপাশের বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে খোঁজ চালানো হলেও বেশ কিছু ক্যামেরা অচল থাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টিকে তারা রহস্যময় বলে আখ্যায়িত করেছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তির বাবা আরও জানান, ঘটনার পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। তবে এখনো কোনো অগ্রগতি প্রকাশ পায়নি।

তিনি বলেন, তার ছেলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও যেতেন না। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খুলনার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে থাকেন। এমন একজন মানুষ কী কারণ ছাড়াই নিখোঁজ হয়ে গেলে এটি রহস্যের গভীরতা বাড়ায়।

পরিবারের দাবি, কাজী নিজাম উদ্দিন কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। তিনি পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার মা, স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী সন্তান। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও তার খোঁজে জোরালো পদক্ষেপের জন্য আহ্বান জানান।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সিসিটিভি বিশ্লেষণ করেছি, তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পাইনি। আমরা আন্তরিকভাবে বিষয়টি দেখছি।’