১০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তরেক রহমান: টিকে থাকতে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রই একমাত্র বিকল্প দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ জনগণের জন্য নতুন পরিকল্পনা সরকারের সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে দেরিতে আসা কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ সচিব ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজি মো. সরওয়ার মনোনীত হওয়ার পরও বাংলা একাডেমি পুরস্কার ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’ এগ্রো-প্রোডাক্টকে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারি: কৃষি মন্ত্রী মনোনীত হলেও মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাময়িক স্থগিত অফিসে দেরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব বইমেলা: দেশের মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফেরার সংকেত শেয়ারবাজারে

দুই বছরের স্থবিরতা শেষে চলতি বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আবার বাড়তে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় বিক্রির প্রবণতা থেকে সরে এসে তারা এখন সক্রিয়ভাবে শেয়ার কিনছেন, যা বাজারে নতুন আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন, যেখানে তারা বিক্রি করেছেন ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার। ফলে মাস শেষে নিট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায়। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনেও বিদেশিদের লেনদেন গতবছর একই সময়ের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৩ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে তাদের লেনদেন ছিল ১১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বাজারের বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে তেলবাজারে তরলতা বাড়বে এবং বিদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়াবে, যা নতুন বিনিয়োগের জন্য পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের তথ্য কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। জানুয়ারির শুরুতে বিদেশি হিসাবধারীর বিও অ্যাকাউন্ট ছিল ৪৩ হাজার ৫৪৯টি, যেখানে ফেব্রুয়ারির ১৫ দিন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ১০১টিতে, অর্থাৎ এ সময়ে ৪৪৮টি বিও অ্যাকাউন্টের কমতি হয়েছে। যদিও অংশগ্রহণের সংখ্যা কমে গেলেও বিনিয়োগের অঙ্ক বেড়েছে। ডিএসইর তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বিদেশিরা যথাক্রমে ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন, যেখানে তারা কিনেছেন ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। বছর শেষে তাদের নিট বিনিয়োগের পরিমাণ কমে ২৭০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে নিট বিনিয়োগ কমেছিল ২৬১ কোটি টাকায়। তবে ২০২৩ সালে তারা ৬৪ কোটি টাকার পজিটিভ নিট বিনিয়োগ করেছিলেন। গত আট বছরে সাত বছরই বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল নেতিবাচক। ২০২৫ সালের ১২ মাসের মধ্যে পাঁচ মাসে তাদের অবস্থান ছিল ইতিবাচক, বিশেষ করে মে থেকে আগস্টের মধ্যে তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করেন, যা ডিএসইএক্স সূচককে উর্ধ্বমুখী করে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা ধারাবাহিকভাবে বিক্রি করে বিনিয়োগ তুলে নেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফেরার সংকেত শেয়ারবাজারে

প্রকাশিতঃ ০৩:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুই বছরের স্থবিরতা শেষে চলতি বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আবার বাড়তে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় বিক্রির প্রবণতা থেকে সরে এসে তারা এখন সক্রিয়ভাবে শেয়ার কিনছেন, যা বাজারে নতুন আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন, যেখানে তারা বিক্রি করেছেন ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার। ফলে মাস শেষে নিট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৮ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায়। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনেও বিদেশিদের লেনদেন গতবছর একই সময়ের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৩ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে তাদের লেনদেন ছিল ১১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বাজারের বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে তেলবাজারে তরলতা বাড়বে এবং বিদেশিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়াবে, যা নতুন বিনিয়োগের জন্য পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের তথ্য কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। জানুয়ারির শুরুতে বিদেশি হিসাবধারীর বিও অ্যাকাউন্ট ছিল ৪৩ হাজার ৫৪৯টি, যেখানে ফেব্রুয়ারির ১৫ দিন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ১০১টিতে, অর্থাৎ এ সময়ে ৪৪৮টি বিও অ্যাকাউন্টের কমতি হয়েছে। যদিও অংশগ্রহণের সংখ্যা কমে গেলেও বিনিয়োগের অঙ্ক বেড়েছে। ডিএসইর তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বিদেশিরা যথাক্রমে ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন, যেখানে তারা কিনেছেন ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। বছর শেষে তাদের নিট বিনিয়োগের পরিমাণ কমে ২৭০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে নিট বিনিয়োগ কমেছিল ২৬১ কোটি টাকায়। তবে ২০২৩ সালে তারা ৬৪ কোটি টাকার পজিটিভ নিট বিনিয়োগ করেছিলেন। গত আট বছরে সাত বছরই বিদেশিদের বিনিয়োগ ছিল নেতিবাচক। ২০২৫ সালের ১২ মাসের মধ্যে পাঁচ মাসে তাদের অবস্থান ছিল ইতিবাচক, বিশেষ করে মে থেকে আগস্টের মধ্যে তারা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করেন, যা ডিএসইএক্স সূচককে উর্ধ্বমুখী করে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা ধারাবাহিকভাবে বিক্রি করে বিনিয়োগ তুলে নেন।