১২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতীয় সংসদের গ্যালারি সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রেমিট্যান্স ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

চলতি মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে রেমিট্যান্স ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি পৌঁছেছে। এতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ কোটি ২৭ লাখ ডলার করে প্রবাসী আয় দেশে প্রবেশ করেছে, যা অর্থনীতিকে উৎসাহ দিচ্ছে—বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে পাঠানো অর্থ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে।

রবিবার (৮ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছেন আরিফ হোসেন খান। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘চলতি মার্চের প্রথম সপ্তাহে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে সেটি ছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার।’’

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ব্যাংক সূত্র들은 বলছেন, ঈদের প্রস্তুতির কারণে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন, ফলে সামগ্রিকপ্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যায়।

তবে ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা সতর্কও করেছেন—মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, কারণ ওই অঞ্চলে অনেক প্রবাসী কর্মরত রয়েছেন।

পূর্বের মাসগুলোর ছবিটাও ইতিবাচক ছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। জানুয়ারি ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল। আর গত ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার — যা ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মোটের ওপর নজর রেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সপ্রবাহ বজায় রাখতে সহায়তা করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, যাতে উৎসাহিত প্রবাহ অব্যাহত থাকে এবং প্রয়োজনে ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও থাকতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক

মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রেমিট্যান্স ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

চলতি মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে রেমিট্যান্স ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি পৌঁছেছে। এতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ কোটি ২৭ লাখ ডলার করে প্রবাসী আয় দেশে প্রবেশ করেছে, যা অর্থনীতিকে উৎসাহ দিচ্ছে—বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে পাঠানো অর্থ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে।

রবিবার (৮ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছেন আরিফ হোসেন খান। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘চলতি মার্চের প্রথম সপ্তাহে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে সেটি ছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার।’’

তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ব্যাংক সূত্র들은 বলছেন, ঈদের প্রস্তুতির কারণে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন, ফলে সামগ্রিকপ্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যায়।

তবে ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা সতর্কও করেছেন—মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, কারণ ওই অঞ্চলে অনেক প্রবাসী কর্মরত রয়েছেন।

পূর্বের মাসগুলোর ছবিটাও ইতিবাচক ছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। জানুয়ারি ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল। আর গত ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার — যা ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মোটের ওপর নজর রেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সপ্রবাহ বজায় রাখতে সহায়তা করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, যাতে উৎসাহিত প্রবাহ অব্যাহত থাকে এবং প্রয়োজনে ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও থাকতে পারে।