১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতীয় সংসদের গ্যালারি সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

বেসরকারি বিনিয়োগ ও নীতি সংস্কারের ওপর ডিসিসিআই সভাপতির অর্থমন্ত্রীকে চিঠি ও বৈঠক

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ সরকারীভাবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ও নীতি সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আজ রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতে ব্যবসা-শিল্প ও অর্থনীতির প্রাসঙ্গিক ব্যবস্থা নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে।

বৈঠকে তাসকীন আহমেদ মূলত ঋণের সুদের হার কমানো ও বেসরকারি বিনিয়োগ অনুকূল করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি নীতিগত সুদহার ক্রমান্বয়ে হ্রাস করার প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাও জোরদার হবে। পাশাপাশি তিনি প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের প্রয়োজনে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পুনর্বিবেচনা ও ঋণের শ্রেণিকরণ সংক্রান্ত সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

ডিসিসিআই সভাপতি বৈঠকে বলেন, “মুদ্রানীতি, রাজস্বনীতি এবং কাঠামোগত সংস্কারের সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে।”

এতে মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি বেসরকারি খাতই। বর্তমান সরকার শিল্প, ব্যবসা ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং অর্থনীতির অগ্রগতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি আরও জানান, সরকার পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যবসাবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান সম্প্রসারণও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈঠকে ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী এবং সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মানও উপস্থিত ছিলেন। সভায় উভয়পক্ষই নীতি-প্রস্তাব ও প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক

বেসরকারি বিনিয়োগ ও নীতি সংস্কারের ওপর ডিসিসিআই সভাপতির অর্থমন্ত্রীকে চিঠি ও বৈঠক

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ সরকারীভাবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ও নীতি সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আজ রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতে ব্যবসা-শিল্প ও অর্থনীতির প্রাসঙ্গিক ব্যবস্থা নিয়েও কথাবার্তা হয়েছে।

বৈঠকে তাসকীন আহমেদ মূলত ঋণের সুদের হার কমানো ও বেসরকারি বিনিয়োগ অনুকূল করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি নীতিগত সুদহার ক্রমান্বয়ে হ্রাস করার প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাও জোরদার হবে। পাশাপাশি তিনি প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের প্রয়োজনে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পুনর্বিবেচনা ও ঋণের শ্রেণিকরণ সংক্রান্ত সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

ডিসিসিআই সভাপতি বৈঠকে বলেন, “মুদ্রানীতি, রাজস্বনীতি এবং কাঠামোগত সংস্কারের সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবে।”

এতে মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি বেসরকারি খাতই। বর্তমান সরকার শিল্প, ব্যবসা ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং অর্থনীতির অগ্রগতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি আরও জানান, সরকার পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যবসাবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান সম্প্রসারণও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈঠকে ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী এবং সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মানও উপস্থিত ছিলেন। সভায় উভয়পক্ষই নীতি-প্রস্তাব ও প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।