০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
রাষ্ট্রপতি: সম্মিলিত আন্দোলনেই ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন সংসদে খালেদা জিয়া ও বিশিষ্ট দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলামের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের প্রতি অভিনন্দন খালেদা জিয়া ও মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জনের স্মরণে সংসদে শোকপ্রস্তাব খালেদা জিয়া ও মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জনের মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত এডভোকেট আহমেদ আযম খান মন্ত্রী হলেন সংসদের আচরণ নিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: চিফ হুইপ সংসদীয় দলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের হাতে এখনও নীতিগত সুযোগ: সিপিডি আত্মসমর্পণকারী কিছু চরমপন্থি ফের সক্রিয়

জামায়াত আমির চান তার পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগ দিতে চান। এ লক্ষ্যের জন্য তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে বলা হয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তর ২২ ফেব্রুয়ারি এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি প্রেরণ করে। চিঠিতে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন এবং তার কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সরকারের জন্য কাজে লাগবে।

বিরোধীদলীয় নেতা মনে করেন, মাহমুদুল হাসানের এই ধরণের পদায়ন সরকারের কাছে বিরোধী দলের ‘পররাষ্ট্রনীতিসমূহ’ উপস্থাপন, পর্যালোচনা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘ভূরাজনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতি একসঙ্গে পরিচালনার জন্য পদায়নটি সরকারের কাছে বিবেচনার জন্য সুপারিশ করছি।’

চিঠিতে অধ্যাপকের কৃতিত্বও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ওশেনিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে বাংলাদেশ তথা রাষ্ট্রের জন্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে সক্ষম হয়েছেন।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান আমিরকে অবহিত করেছিলেন এবং আমির সেখানে মৌখিকভাবে সম্মতিও দিয়েছেন। তবে আমিরের দিক থেকে ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ অংশটুকুতে স্পষ্ট সম্মতি দেওয়া হয়নি।

এই প্রস্তাব সরকারের পর্যবেক্ষণে যাচ্ছে, এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠির প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

রাষ্ট্রপতি: সম্মিলিত আন্দোলনেই ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন

জামায়াত আমির চান তার পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ

প্রকাশিতঃ ০৫:২৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগ দিতে চান। এ লক্ষ্যের জন্য তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে বলা হয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তর ২২ ফেব্রুয়ারি এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি প্রেরণ করে। চিঠিতে শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন যে, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন এবং তার কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সরকারের জন্য কাজে লাগবে।

বিরোধীদলীয় নেতা মনে করেন, মাহমুদুল হাসানের এই ধরণের পদায়ন সরকারের কাছে বিরোধী দলের ‘পররাষ্ট্রনীতিসমূহ’ উপস্থাপন, পর্যালোচনা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘ভূরাজনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতি একসঙ্গে পরিচালনার জন্য পদায়নটি সরকারের কাছে বিবেচনার জন্য সুপারিশ করছি।’

চিঠিতে অধ্যাপকের কৃতিত্বও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ওশেনিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে বাংলাদেশ তথা রাষ্ট্রের জন্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে সক্ষম হয়েছেন।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান আমিরকে অবহিত করেছিলেন এবং আমির সেখানে মৌখিকভাবে সম্মতিও দিয়েছেন। তবে আমিরের দিক থেকে ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ অংশটুকুতে স্পষ্ট সম্মতি দেওয়া হয়নি।

এই প্রস্তাব সরকারের পর্যবেক্ষণে যাচ্ছে, এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠির প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে।