০২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

বাজুস ঘোষণা: ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

টানা দুটি দফার দর বাড়ার পর দেশের স্বর্ণবাজারে অবশেষে দরপতনের খবর এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দाम ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা সোনার দর কমার প্রেক্ষাপটেই এই সমন্বয় আনা হয়েছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ এখন বিক্রি হবে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকায়। এর আগের দিন বুধবার দাম বাড়ার পর ওই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণির স্বর্ণের নতুন দরগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা।

স্বর্ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রুপার দামও কমানো হয়েছে। বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে রাখা হয়েছে, ফলে তা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। অন্য রুপার দরগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।

সংগঠনটি বলেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থার ওঠামানির কারণেই মূল্যবৃদ্ধি ও দরপতন প্রায়দিনই ঘটছে। উল্লেখ্য, মাত্র এক দিন আগেই বুধবার সকালে বাজুস ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা করে দাম বাড়িয়েছিল; কিন্তু ২৪ ঘণ্টার ভেতর আবারও তিন হাজার টাকার বেশি দর কমায় ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশ্বিক সোনার দর ও স্থানীয় পরিস্থিতি কিভাবে বদলায় তা কাজে লাগিয়ে সামনের দিনগুলোতে দেশের বাজারেও তার প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাজুস ঘোষণা: ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিতঃ ০২:৫১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

টানা দুটি দফার দর বাড়ার পর দেশের স্বর্ণবাজারে অবশেষে দরপতনের খবর এসেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দाम ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা সোনার দর কমার প্রেক্ষাপটেই এই সমন্বয় আনা হয়েছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ এখন বিক্রি হবে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকায়। এর আগের দিন বুধবার দাম বাড়ার পর ওই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণির স্বর্ণের নতুন দরগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা।

স্বর্ণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রুপার দামও কমানো হয়েছে। বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে রাখা হয়েছে, ফলে তা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। অন্য রুপার দরগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।

সংগঠনটি বলেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থার ওঠামানির কারণেই মূল্যবৃদ্ধি ও দরপতন প্রায়দিনই ঘটছে। উল্লেখ্য, মাত্র এক দিন আগেই বুধবার সকালে বাজুস ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা করে দাম বাড়িয়েছিল; কিন্তু ২৪ ঘণ্টার ভেতর আবারও তিন হাজার টাকার বেশি দর কমায় ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশ্বিক সোনার দর ও স্থানীয় পরিস্থিতি কিভাবে বদলায় তা কাজে লাগিয়ে সামনের দিনগুলোতে দেশের বাজারেও তার প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে।