১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঝিনাইদহে কৃষকদল নেতার মৃতদেহ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রাম থেকে ঝিনাইদহ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর মৃতদেহ নিয়ে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মর্গ থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদাহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। জেলা বিএনপির নেতা-কর্মী ও নিহতের স্বজনরা সেখানে বক্তব্য দেন।

বক্তব্য দেয় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা। তাদের অভিযোগ, জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা তরু মুন্সীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে; মাথায় বাশ দিয়ে আঘাত করা হয়, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। তারা এই ঘটনার ন্যায়বিচার দাবি করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

অপর দিক থেকে জেলা জামায়াত মঙ্গলবারের ঘটনাটি নিয়ে স্বতন্ত্র দাবি জানিয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা জামায়াতের থানা আমীর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার ইফতার মাহফিল চলাকালে স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতা সেখানে ঢুকে নারীদের ওপর হামলা ও শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে; এরপর স্থানীয় জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে বিবাদ ও সংঘর্ষ ঘটে। ড. হাবিবুর দাবি করেন যে, তরু মুন্সীর মৃত্যু স্ট্রোকজনিত কারণে হয়েছে এবং মারামারির ভয়ে তিনি আতঙ্কে স্ট্রোক করেন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা এবং দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ উঠছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।

ঘটনার পটভূমি হিসেবে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দুপুরে সেই ইফতারের বিষয় নিয়ে নারী কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মহিলাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়; সেখানে রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি মারা যান।

নিহত তরু মুন্সী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা দাবি করে নিহতের পরিবার ও বিএনপি নেতারা বিচারvoeringের আশ্বাস চান। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে ঘটনার সন্ধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি উভয় পক্ষই তুলেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঝিনাইদহে কৃষকদল নেতার মৃতদেহ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রাম থেকে ঝিনাইদহ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর মৃতদেহ নিয়ে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মর্গ থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদাহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। জেলা বিএনপির নেতা-কর্মী ও নিহতের স্বজনরা সেখানে বক্তব্য দেন।

বক্তব্য দেয় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা। তাদের অভিযোগ, জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা তরু মুন্সীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে; মাথায় বাশ দিয়ে আঘাত করা হয়, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। তারা এই ঘটনার ন্যায়বিচার দাবি করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

অপর দিক থেকে জেলা জামায়াত মঙ্গলবারের ঘটনাটি নিয়ে স্বতন্ত্র দাবি জানিয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা জামায়াতের থানা আমীর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার ইফতার মাহফিল চলাকালে স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতা সেখানে ঢুকে নারীদের ওপর হামলা ও শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে; এরপর স্থানীয় জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে বিবাদ ও সংঘর্ষ ঘটে। ড. হাবিবুর দাবি করেন যে, তরু মুন্সীর মৃত্যু স্ট্রোকজনিত কারণে হয়েছে এবং মারামারির ভয়ে তিনি আতঙ্কে স্ট্রোক করেন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা এবং দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ উঠছে, যা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।

ঘটনার পটভূমি হিসেবে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দুপুরে সেই ইফতারের বিষয় নিয়ে নারী কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মহিলাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত আটজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়; সেখানে রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি মারা যান।

নিহত তরু মুন্সী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা দাবি করে নিহতের পরিবার ও বিএনপি নেতারা বিচারvoeringের আশ্বাস চান। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে ঘটনার সন্ধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি উভয় পক্ষই তুলেছে।