১২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের প্রায় অর্ধেকই বেকার

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে সাম্প্রতিক দশকে প্রবেশ করা বড় অংকের তরুণদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই কর্মসংস্থানের বাইরে রয়ে গেছেন এবং নারীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে ওই দিনই তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত এক দশকে মোট প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে তৈরি হওয়া নতুন কর্মসংস্থান প্রায় ৮৭ লাখ—ফলে বাজারে আসা বড় অংশ কর্মহীন থেকে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এই বেকারত্ব দেশীয় অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্বব্যাংকের বিবৃতি অনুযায়ী, সরকার বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছে; এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা জোরদার করবে—বিশেষ করে যুব ও নারীদের কর্মসংস্থান বাড়াতে।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মাঝেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং চাকরি বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজন আছে। দীর্ঘদিন ধরে শিথিল থাকা সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বব্যাংক এমন অর্থনীতি গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এই লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের প্রায় অর্ধেকই বেকার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে সাম্প্রতিক দশকে প্রবেশ করা বড় অংকের তরুণদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই কর্মসংস্থানের বাইরে রয়ে গেছেন এবং নারীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে ওই দিনই তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত এক দশকে মোট প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে তৈরি হওয়া নতুন কর্মসংস্থান প্রায় ৮৭ লাখ—ফলে বাজারে আসা বড় অংশ কর্মহীন থেকে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এই বেকারত্ব দেশীয় অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্বব্যাংকের বিবৃতি অনুযায়ী, সরকার বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছে; এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা জোরদার করবে—বিশেষ করে যুব ও নারীদের কর্মসংস্থান বাড়াতে।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মাঝেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং চাকরি বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজন আছে। দীর্ঘদিন ধরে শিথিল থাকা সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বব্যাংক এমন অর্থনীতি গড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এই লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে সহায়তা অব্যাহত থাকবে।