০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আইওএম সহযোগিতায় তেহরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার সারাদেশে অভিযান: অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী: খেলোয়াড়রা রাজনীতিতে না এসে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলুন ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অবৈধ জ্বালানি তেল মজুত-পাচার রোধে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা মার্চের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা: প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল সরকার ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

সূচক পতনের মধ্যেও পুঁজিবাজারে লেনদেনের গতি বেড়েছে

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে—সোমবার (৩০ মার্চ)—দেশের পুঁজিবাজারে সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ বাড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) দু’ই বাজারেই এ চিত্র দেখা গেছে।

দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট নেমে ৫,২৩১ পয়েন্টে এসেছে। শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ১,০৬১ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১,৯৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানি ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়; এর মধ্যে ১১১টির শেয়ারের দর বাড়ে, ২৩১টির দর কমে এবং ৫১টির দর অপরিবর্তিত থাকে। তালিকাভুক্ত ২১টি খাতের মধ্যে ১৬টিতেই নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, মিউচুয়াল ফান্ড, টেলিযোগাযোগ, ওষুধ, জ্বালানি, বস্ত্র ও খাদ্যসহ বেশিরভাগ খাতে দরপতন ঘটেছে। বিপরীতে সেবা ও আবাসন, তথ্যপ্রযুক্তি, করপোরেট বন্ড, কাগজ ও মুদ্রণ এবং চামড়া খাতে কিছুটা ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। লেনদেনের শুরুতে সূচক কিছু সময় উর্ধ্বমুখী থাকলেও বিক্রির চাপ বেড়ে পড়ার ফলে বাজার ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হয় এবং দিনের শেষে অধিকাংশ শেয়ার দরপতনের মধ্যেই লেনদেন সম্পন্ন হয়।

ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ হয়েছে ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকারapproximately, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৭ কোটি টাকা বেশি।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২১ পয়েন্ট কমে ১৪,৭৮২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসসিএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ৯,০২০ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ২৬ পয়েন্ট নেমে ১২,৯১২ পয়েন্টে এসে পৌঁছায়। যদিও সেখানকার শরিয়াহ সূচক সামান্য উঠে ৯০১ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

সিএসইতে মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়; এর মধ্যে ৭৯টির দাম বাড়ে, ৯৯টির দাম কমে এবং ২৮টির দাম অপরিবর্তিত থাকে। দিনশেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সামগ্রিকভাবে, সূচকের মন্দা থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার লেনদেনের ঘনত্ব বাড়ায় বাজারে কার্যক্রম তীব্র হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার

সূচক পতনের মধ্যেও পুঁজিবাজারে লেনদেনের গতি বেড়েছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে—সোমবার (৩০ মার্চ)—দেশের পুঁজিবাজারে সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ বাড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) দু’ই বাজারেই এ চিত্র দেখা গেছে।

দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট নেমে ৫,২৩১ পয়েন্টে এসেছে। শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ১,০৬১ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১,৯৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানি ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়; এর মধ্যে ১১১টির শেয়ারের দর বাড়ে, ২৩১টির দর কমে এবং ৫১টির দর অপরিবর্তিত থাকে। তালিকাভুক্ত ২১টি খাতের মধ্যে ১৬টিতেই নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, মিউচুয়াল ফান্ড, টেলিযোগাযোগ, ওষুধ, জ্বালানি, বস্ত্র ও খাদ্যসহ বেশিরভাগ খাতে দরপতন ঘটেছে। বিপরীতে সেবা ও আবাসন, তথ্যপ্রযুক্তি, করপোরেট বন্ড, কাগজ ও মুদ্রণ এবং চামড়া খাতে কিছুটা ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। লেনদেনের শুরুতে সূচক কিছু সময় উর্ধ্বমুখী থাকলেও বিক্রির চাপ বেড়ে পড়ার ফলে বাজার ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হয় এবং দিনের শেষে অধিকাংশ শেয়ার দরপতনের মধ্যেই লেনদেন সম্পন্ন হয়।

ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ হয়েছে ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকারapproximately, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৭ কোটি টাকা বেশি।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২১ পয়েন্ট কমে ১৪,৭৮২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসসিএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ৯,০২০ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ২৬ পয়েন্ট নেমে ১২,৯১২ পয়েন্টে এসে পৌঁছায়। যদিও সেখানকার শরিয়াহ সূচক সামান্য উঠে ৯০১ পয়েন্টে পৌঁছেছে।

সিএসইতে মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়; এর মধ্যে ৭৯টির দাম বাড়ে, ৯৯টির দাম কমে এবং ২৮টির দাম অপরিবর্তিত থাকে। দিনশেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সামগ্রিকভাবে, সূচকের মন্দা থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার লেনদেনের ঘনত্ব বাড়ায় বাজারে কার্যক্রম তীব্র হয়েছে।