০৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অদূরদর্শী সিদ্ধান্তে টিকা কর্মসূচি বিঘ্নিত: ডা. মুশতাকের অভিযোগ ১৮ এপ্রিল থেকে ২০২৬ হজ ফ্লাইট শুরু হবে — ধর্মমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ ৯টি অধ্যাদেশ বিল হিসেবে সংসদে পাস করোনা ভ্যাকসিনে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ‘ক্যাপ্টেন’ তারেক রহমান: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম চিফ হুইপ নূরুল ইসলামের সঙ্গে আমেরিকান কূটনীতিক স্টুয়ার্ট জেমসের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রত্যেক নাগরিকের সম্মানসহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: ঢাকায় ৯৭২ ফ্লাইট বাতিল একনেকে ৫টি প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ধরা ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক: সহযোগিতা ও পাইপলাইন ডিলে নিয়ে আলোচনা

দরবৃদ্ধিতে চাঙ্গা শেয়ারবাজার, সূচক ও লেনদেন উভয়েই বাড়তি

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরলেন; অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় সূচক ও লেনদেন দুটোই বাড়তি রেকর্ড দেখালো। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে থেকেই বাজারে ঊর্ধ্বমুখী সঞ্চার দেখা যায় এবং দিনের পরিক্রমায় অ্যাডভান্সার সংখ্যাই প্রাধান্য করে।

দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৩৯৩টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়; এর মধ্যে ২৭৫টির দাম বেড়েছে, ৭০টির কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৪ পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫ হাজার ১৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সময়ে ডিএসই-৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে ১ হাজার ৯৭১ পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট উত্থান করে ১ হাজার ৪৬ পয়েন্টে পৌঁছায়।

লেনদেনের দিকেও বড় অগ্রগতি দেখা গেছে। দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৫৯৭ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২৬ কোটি টাকা বেশি। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক মুনাফা দাঁড় করানো ও কাইকর্তা ক্রয়চেষ্টার প্রভাব সহ কিছু মৌলিক অনুপ্রেরণা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচকগুলোতে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেল, যদিও লেনদেনে সামান্য ধীরগতি রয়ে গেছে। সিএএসপিআই সূচক ৮ পয়েন্ট বাড়ে ১৪ হাজার ৪৯০ পয়েন্টে এবং সিএসসিএক্স সূচক ৬ পয়েন্ট উত্থান করে ৮ হাজার ৮৬৭ পয়েন্টে পৌঁছায়।

সিএসইতে মোট ১৮৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়; এর মধ্যে ৮৮টির দাম বেড়েছে, ৭০টির কমেছে এবং ২৫টির অপরিবর্তিত ছিল। তবে লেনদেনের মূল্যগত পরিসরে সীমাবদ্ধতা থেকে সিএসইতে মোট লেনদেন হল ২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার তুলনায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা কম।

মোটমিলিয়ে বাজারে ইতিবাচক সেন্টিমেন্ট লক্ষ্য করা গেলেও স্থায়ী প্রবণতা নির্ধারণ করতে আরও কিছু কার্যদিবস পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন থাকবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো হবে যে তারা অর্থনৈতিক খবর, কোম্পানির মৌলিক তথ্য ও বাজার অস্থিরতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

১৮ এপ্রিল থেকে ২০২৬ হজ ফ্লাইট শুরু হবে — ধর্মমন্ত্রী

দরবৃদ্ধিতে চাঙ্গা শেয়ারবাজার, সূচক ও লেনদেন উভয়েই বাড়তি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরলেন; অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় সূচক ও লেনদেন দুটোই বাড়তি রেকর্ড দেখালো। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে থেকেই বাজারে ঊর্ধ্বমুখী সঞ্চার দেখা যায় এবং দিনের পরিক্রমায় অ্যাডভান্সার সংখ্যাই প্রাধান্য করে।

দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৩৯৩টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়; এর মধ্যে ২৭৫টির দাম বেড়েছে, ৭০টির কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৪ পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫ হাজার ১৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সময়ে ডিএসই-৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে ১ হাজার ৯৭১ পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট উত্থান করে ১ হাজার ৪৬ পয়েন্টে পৌঁছায়।

লেনদেনের দিকেও বড় অগ্রগতি দেখা গেছে। দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৫৯৭ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২৬ কোটি টাকা বেশি। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক মুনাফা দাঁড় করানো ও কাইকর্তা ক্রয়চেষ্টার প্রভাব সহ কিছু মৌলিক অনুপ্রেরণা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচকগুলোতে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেল, যদিও লেনদেনে সামান্য ধীরগতি রয়ে গেছে। সিএএসপিআই সূচক ৮ পয়েন্ট বাড়ে ১৪ হাজার ৪৯০ পয়েন্টে এবং সিএসসিএক্স সূচক ৬ পয়েন্ট উত্থান করে ৮ হাজার ৮৬৭ পয়েন্টে পৌঁছায়।

সিএসইতে মোট ১৮৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়; এর মধ্যে ৮৮টির দাম বেড়েছে, ৭০টির কমেছে এবং ২৫টির অপরিবর্তিত ছিল। তবে লেনদেনের মূল্যগত পরিসরে সীমাবদ্ধতা থেকে সিএসইতে মোট লেনদেন হল ২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার তুলনায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা কম।

মোটমিলিয়ে বাজারে ইতিবাচক সেন্টিমেন্ট লক্ষ্য করা গেলেও স্থায়ী প্রবণতা নির্ধারণ করতে আরও কিছু কার্যদিবস পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন থাকবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো হবে যে তারা অর্থনৈতিক খবর, কোম্পানির মৌলিক তথ্য ও বাজার অস্থিরতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।