০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নাশকতা পরিকল্পনার আশঙ্কায় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি নির্মূল করতে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল সামাজিক সুরক্ষার জন্য ২৫ কোটি (২৫০ মিলিয়ন) ডলারের ঋণ অনুমোদন করল এডিবি বড়পুকুরিয়ায় মেরামত শেষে ১ নম্বর ইউনিট ফের উৎপাদনে পুলিশ ইউনিফর্ম বদল স্থগিতের দাবিতে আইনি নোটিশ রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: বিচার থেমে, ন্যায়বিচারের অপেক্ষা অব্যাহত পুলিশ ইউনিফর্ম পরিবর্তন বন্ধের দাবিতে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ এনসিপি-যোগী বৈষম্যবিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রতি কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা, প্রজ্ঞাপন জারি বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং ঘোষণা

মে মাসেই বড়পর্দায় রোশান-বুবলীর ‘সর্দারবাড়ির খেলা’

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত নতুন সিনেমা ‘সর্দারবাড়ির খেলা’ আগামী ৮ মে সারা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলছে। অনেক প্রতীক্ষার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত ট্রেলারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। এ সিনেমায় প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটিতে দেখা যাবে জিয়াউল রোশান ও শবনম বুবলীর।

চলচ্চিত্রটি গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতি ও প্রান্তিক মানুষের সংগ্রামকে কেন্দ্রবিন্দু করে নির্মিত। গল্পের মূল উপজীব্য রুকির মতো হারতে বসা লাঠিখেলা—একটি ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া—এবং তার সঙ্গে জড়িত লাঠিয়ালদের পারিবারিক সংকট। রোশান এখানে একজন খ্যাতনামা লাঠি খেলোয়াড়ের চরিত্রে, যাকে চরম আর্থিক সংকটের ফলে সংসারের আসবাবপত্র পর্যন্ত বন্ধক রাখতে হয়। শবনম বুবলী চরিত্রে অভিনীত তরুলতা সংসারের আর্থিক তদারকি না পেরে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু মানবপাচারের দালালের কবলে পড়ে তার জীবন এক হদরকম নষ্টমুখীর দিকে এগিয়ে যায়।

রাখাল সবুজ পরিচালিত ‘সর্দারবাড়ির খেলা’ তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এই প্রজেক্টটি ২০২২–২৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পেয়েছিল এবং নির্মাণকাজও বেশ আগেই শেষ হয়েছিল। নির্মাণের সময় এটি হঠাৎ ‘পুলসিরাত’ নামে নামকরণ করা হয়েছিল, তবে প্রিভিউ কমিটির আপত্তির পর নির্মাতা আবার আগের নামেই ফিরেছেন। রোশান ও বুবলীর পাশাপাশি এতে গুণী অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম, আজাদ আবুল কালামসহ আরও অনেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে।

ট্রেলারটি পরিবেশক সংস্থা টাইগার মিডিয়া প্রকাশ করেছে, তবে প্রধান অভিনয়শিল্পী ও নির্মাণদলের পক্ষ থেকে এখনো প্রচারণায় তেমন কার্যক্রম দেখা যায়নি। রোশান বা বুবলী—দুইজনকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমা সম্পর্কিত পোস্ট বা প্রচারণা করতে দেখা যায়নি; নির্মাতা-প্রযোজকও বেশ নীরব রয়েছেন। গত বছর রোজার ঈদে মুক্তির কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে গিয়েছিল; এবার মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সিনেমাটি দর্শকের সামনে আসছে।

প্রজেক্টের সংশ্লিষ্টরা আশা করেন, বাংলা চলচ্চিত্রে প্রায় বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য ও লড়াকু মানুষের বাস্তবজীবনকে রুক্ষতা ও আন্তরিকতায় তুলে ধরা হলে দর্শকের মন পিটিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। নিয়মিত অ্যাকশন বা রোমান্স থেকে ভিন্ন ধরনের গল্প হিসেবে লাঠিখেলার মতো বিষয় নিয়ে কাজটি এই ধারায় নতুনত্ব যোগ করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, প্রচারণার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারলে মুক্তির পর বক্স অফিসে দর্শকরা চলচ্চিত্রটিকে কতটা গ্রহণ করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি নির্মূল করতে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

মে মাসেই বড়পর্দায় রোশান-বুবলীর ‘সর্দারবাড়ির খেলা’

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত নতুন সিনেমা ‘সর্দারবাড়ির খেলা’ আগামী ৮ মে সারা দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলছে। অনেক প্রতীক্ষার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত ট্রেলারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়। এ সিনেমায় প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটিতে দেখা যাবে জিয়াউল রোশান ও শবনম বুবলীর।

চলচ্চিত্রটি গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতি ও প্রান্তিক মানুষের সংগ্রামকে কেন্দ্রবিন্দু করে নির্মিত। গল্পের মূল উপজীব্য রুকির মতো হারতে বসা লাঠিখেলা—একটি ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া—এবং তার সঙ্গে জড়িত লাঠিয়ালদের পারিবারিক সংকট। রোশান এখানে একজন খ্যাতনামা লাঠি খেলোয়াড়ের চরিত্রে, যাকে চরম আর্থিক সংকটের ফলে সংসারের আসবাবপত্র পর্যন্ত বন্ধক রাখতে হয়। শবনম বুবলী চরিত্রে অভিনীত তরুলতা সংসারের আর্থিক তদারকি না পেরে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু মানবপাচারের দালালের কবলে পড়ে তার জীবন এক হদরকম নষ্টমুখীর দিকে এগিয়ে যায়।

রাখাল সবুজ পরিচালিত ‘সর্দারবাড়ির খেলা’ তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এই প্রজেক্টটি ২০২২–২৩ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পেয়েছিল এবং নির্মাণকাজও বেশ আগেই শেষ হয়েছিল। নির্মাণের সময় এটি হঠাৎ ‘পুলসিরাত’ নামে নামকরণ করা হয়েছিল, তবে প্রিভিউ কমিটির আপত্তির পর নির্মাতা আবার আগের নামেই ফিরেছেন। রোশান ও বুবলীর পাশাপাশি এতে গুণী অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম, আজাদ আবুল কালামসহ আরও অনেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে।

ট্রেলারটি পরিবেশক সংস্থা টাইগার মিডিয়া প্রকাশ করেছে, তবে প্রধান অভিনয়শিল্পী ও নির্মাণদলের পক্ষ থেকে এখনো প্রচারণায় তেমন কার্যক্রম দেখা যায়নি। রোশান বা বুবলী—দুইজনকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমা সম্পর্কিত পোস্ট বা প্রচারণা করতে দেখা যায়নি; নির্মাতা-প্রযোজকও বেশ নীরব রয়েছেন। গত বছর রোজার ঈদে মুক্তির কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে গিয়েছিল; এবার মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সিনেমাটি দর্শকের সামনে আসছে।

প্রজেক্টের সংশ্লিষ্টরা আশা করেন, বাংলা চলচ্চিত্রে প্রায় বিলুপ্তপ্রায় লোকজ ঐতিহ্য ও লড়াকু মানুষের বাস্তবজীবনকে রুক্ষতা ও আন্তরিকতায় তুলে ধরা হলে দর্শকের মন পিটিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। নিয়মিত অ্যাকশন বা রোমান্স থেকে ভিন্ন ধরনের গল্প হিসেবে লাঠিখেলার মতো বিষয় নিয়ে কাজটি এই ধারায় নতুনত্ব যোগ করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, প্রচারণার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারলে মুক্তির পর বক্স অফিসে দর্শকরা চলচ্চিত্রটিকে কতটা গ্রহণ করে।