১১:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শুধু রাজনীতি নয়, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ’ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন দিল ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি শিল্পমন্ত্রী: বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল দ্রুত পুনঃচালুর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচারে কোনো আপস থাকবে না — চিফ প্রসিকিউটর চার অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া—নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত কোটি কর্মসংস্থান গড়তে বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ তথ্যমন্ত্রী স্বপন: তথ্যপ্রযুক্তির যুগে রাষ্ট্র আর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না টিকাদান সত্ত্বেও হামজনিত শিশুমৃত্যু থামছে না

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ: তিন আয়োজক দেশে স্বতন্ত্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে — আয়োজক তিন দেশই নিজ নিজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করবে। প্রতিটি দেশে তাদের প্রথম ম্যাচ শুরুর আগে আলাদা করে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে, যা টুর্নামেন্টের বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক রঙ তুলে ধরবে।

এই মহাযজ্ঞের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে, যেখানে মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে। মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠানে দেশটির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আধুনিক লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধন দেখানো হবে। মঞ্চ মাতাবেন গ্র্যামি জয়ী ব্যান্ড মানা, আলেহান্দ্রো ফের্নান্দেজ, বেলিন্ডা এবং আন্তর্জাতিক তারকা জে বালভিনসহ আরও কয়েকজন শিল্পী।

এরপর ১২ জুন কানাডার টরোন্টোতে আয়োজিত হবে তাদের নিজস্ব উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; ঠিক তার পরই মাঠে নামবে স্বাগতিক কানাডা আর বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। কানাডার কনসার্টে দেশের বহুজাতিক সংস্কৃতি উঠে আসবে মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেত্তে ও বলিউড তারকা নোরা ফাতেহির পারফরম্যান্সে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সেখানে থাকবেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়ও।

যুক্তরাষ্ট্রে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে ১৩ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে, যেখানে স্বাগতিক দল খেলবে প্যারাগুয়েরের বিরুদ্ধে। ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে অনুষ্ঠিতব্য ওই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন ক্যাটি পেরি; একই সঙ্গে পারফর্ম করবেন র‍্যাপ তারকা ফিউচার, আনিতা, লিসা এবং রেমা। ফিফা জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কনসার্টটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে টুর্নামেন্টের ভৌগোলিক বিস্তৃতি, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সাংস্কৃতিক শক্তিকে আলোকিত করার সঙ্গে দর্শকদের জন্য উচ্চমানের বিনোদন নিশ্চিত হয়।

ফিফার এই সিদ্ধান্তটি বিশ্বকাপকে শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং তিনটি দেশের ভিন্ন ভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উদযাপনে পরিণত করছে। প্রতিটি অনুষ্ঠানই দর্শকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে—স্থানীয় ঐতিহ্য, আন্তর্জাতিক তারকা ও উৎসবমুখর পরিবেশ মিলিয়ে এই বিশ্বকাপ হবে আরও প্রাণবন্ত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

‘আমার পুলিশ, আমার দেশ’ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ: তিন আয়োজক দেশে স্বতন্ত্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে — আয়োজক তিন দেশই নিজ নিজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করবে। প্রতিটি দেশে তাদের প্রথম ম্যাচ শুরুর আগে আলাদা করে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে, যা টুর্নামেন্টের বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক রঙ তুলে ধরবে।

এই মহাযজ্ঞের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে, যেখানে মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে। মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠানে দেশটির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আধুনিক লোকজ সংস্কৃতির মেলবন্ধন দেখানো হবে। মঞ্চ মাতাবেন গ্র্যামি জয়ী ব্যান্ড মানা, আলেহান্দ্রো ফের্নান্দেজ, বেলিন্ডা এবং আন্তর্জাতিক তারকা জে বালভিনসহ আরও কয়েকজন শিল্পী।

এরপর ১২ জুন কানাডার টরোন্টোতে আয়োজিত হবে তাদের নিজস্ব উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; ঠিক তার পরই মাঠে নামবে স্বাগতিক কানাডা আর বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। কানাডার কনসার্টে দেশের বহুজাতিক সংস্কৃতি উঠে আসবে মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেত্তে ও বলিউড তারকা নোরা ফাতেহির পারফরম্যান্সে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সেখানে থাকবেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়ও।

যুক্তরাষ্ট্রে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে ১৩ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে, যেখানে স্বাগতিক দল খেলবে প্যারাগুয়েরের বিরুদ্ধে। ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে অনুষ্ঠিতব্য ওই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন ক্যাটি পেরি; একই সঙ্গে পারফর্ম করবেন র‍্যাপ তারকা ফিউচার, আনিতা, লিসা এবং রেমা। ফিফা জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের কনসার্টটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে টুর্নামেন্টের ভৌগোলিক বিস্তৃতি, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সাংস্কৃতিক শক্তিকে আলোকিত করার সঙ্গে দর্শকদের জন্য উচ্চমানের বিনোদন নিশ্চিত হয়।

ফিফার এই সিদ্ধান্তটি বিশ্বকাপকে শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং তিনটি দেশের ভিন্ন ভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উদযাপনে পরিণত করছে। প্রতিটি অনুষ্ঠানই দর্শকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে—স্থানীয় ঐতিহ্য, আন্তর্জাতিক তারকা ও উৎসবমুখর পরিবেশ মিলিয়ে এই বিশ্বকাপ হবে আরও প্রাণবন্ত।