১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০২৬ বিশ্বকাপ: তিন আয়োজক দেশে পৃথক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

ফিফা ঘোষণা করেছে—২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এক ইতিহাসবহুল সিদ্ধান্ত: প্রথমবারের মতো তিনটি আয়োজক দেশেই আলাদা–আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার প্রতিটি স্থানে অনুষ্ঠানগুলো হবে তাদের নিজ নিজ প্রথম ম্যাচের আগেই, যা টুর্নামেন্টের বৈচিত্র্য ও উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও উজ্জ্বল করবে।

এই ভাঁজের পর্দা উঠবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহ্যবাহী আজতেকা স্টেডিয়ামে, যেখানে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার খেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। মেক্সিকোর প্রদর্শনী হবে দেশটির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আধুনিক লোকজ সংস্কৃতির মিশেল—পারফর্ম করবেন গ্র্যামি জয়ী ব্যান্ড মানা, আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্ডা ও জে বালভিনের মতো নামচেনা তারকারা।

পরদিন ১২ জুন কানাডার টরোন্টোতে দেশটির নিজস্ব উদ্বোধনী আয়োজিত হবে; এর পর মাঠে নামবে স্বাগতিক কানাডা ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। টরোন্টো অনুষ্ঠানটি দেশটির বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক পরিচয় ফুটিয়ে তুলবে—মঞ্চে থাকবেন মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মোরিসেট এবং বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে দর্শক দেখবে বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়ের পারফরম্যান্সও।

যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ১৩ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে, যেখানে স্বাগতিক দলের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। এখানে ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে আয়োজিত কনসার্টে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন মার্কিন পপ তারকা ক্যাটি পেরি। এ ছাড়াও র‌্যাপার ফিউচার, আনিতা, লিসা ও রেমা সহ আন্তর্জাতিক স্তরের শিল্পীরা পারফর্ম করবেন। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের কনসার্টটি পরিকল্পনা করা হয়েছে টুর্নামেন্টের বিস্তৃতি, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সাংস্কৃতিক শক্তিকে শক্তভাবে প্রতিফলিত করানোর জন্য—এবং দর্শকদের জন্য উচ্চমানের বিনোদন নিশ্চিত করতে।

ফিফার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপে ভিন্নভঙ্গি ও স্থানীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে সামনে আনার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, যাতে একই সঙ্গে বিভিন্ন আয়োজক দেশের নিজস্ব পরিচয় ও উৎসবমুখরতা ফুটে ওঠে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

২০২৬ বিশ্বকাপ: তিন আয়োজক দেশে পৃথক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ফিফা ঘোষণা করেছে—২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এক ইতিহাসবহুল সিদ্ধান্ত: প্রথমবারের মতো তিনটি আয়োজক দেশেই আলাদা–আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার প্রতিটি স্থানে অনুষ্ঠানগুলো হবে তাদের নিজ নিজ প্রথম ম্যাচের আগেই, যা টুর্নামেন্টের বৈচিত্র্য ও উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও উজ্জ্বল করবে।

এই ভাঁজের পর্দা উঠবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহ্যবাহী আজতেকা স্টেডিয়ামে, যেখানে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার খেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। মেক্সিকোর প্রদর্শনী হবে দেশটির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও আধুনিক লোকজ সংস্কৃতির মিশেল—পারফর্ম করবেন গ্র্যামি জয়ী ব্যান্ড মানা, আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্ডা ও জে বালভিনের মতো নামচেনা তারকারা।

পরদিন ১২ জুন কানাডার টরোন্টোতে দেশটির নিজস্ব উদ্বোধনী আয়োজিত হবে; এর পর মাঠে নামবে স্বাগতিক কানাডা ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। টরোন্টো অনুষ্ঠানটি দেশটির বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক পরিচয় ফুটিয়ে তুলবে—মঞ্চে থাকবেন মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মোরিসেট এবং বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে দর্শক দেখবে বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়ের পারফরম্যান্সও।

যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ১৩ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে, যেখানে স্বাগতিক দলের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। এখানে ম্যাচ শুরুর প্রায় ৯০ মিনিট আগে আয়োজিত কনসার্টে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন মার্কিন পপ তারকা ক্যাটি পেরি। এ ছাড়াও র‌্যাপার ফিউচার, আনিতা, লিসা ও রেমা সহ আন্তর্জাতিক স্তরের শিল্পীরা পারফর্ম করবেন। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের কনসার্টটি পরিকল্পনা করা হয়েছে টুর্নামেন্টের বিস্তৃতি, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সাংস্কৃতিক শক্তিকে শক্তভাবে প্রতিফলিত করানোর জন্য—এবং দর্শকদের জন্য উচ্চমানের বিনোদন নিশ্চিত করতে।

ফিফার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপে ভিন্নভঙ্গি ও স্থানীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে সামনে আনার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, যাতে একই সঙ্গে বিভিন্ন আয়োজক দেশের নিজস্ব পরিচয় ও উৎসবমুখরতা ফুটে ওঠে।