০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও ডিএসইর বাজারমূল্য কমেছে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়া সত্ত্বেও বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির দরপতনের কারণে সামগ্রিক বাজার মূলধন খাটো হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনই সেক্টরভিত্তিক আবেদন বাড়ায় বহু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বৃদ্ধি দেখা গেলেও সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন প্রায় ২ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা কমে গিয়েছিল।

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় প্রায় ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় নীচে। এর আগের সপ্তাহেও বাজার মূলধনে ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকার পতন দেখা গিয়েছিল। অর্থাৎ বড় কিছু কোম্পানির দরপতন সামগ্রিক অবস্থাকে নেতিবাচক রেখেছে।

তবু সূচকভিত্তিক পারফরম্যান্স মিশ্র চিত্র দেখিয়েছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে ১১.১২ পয়েন্ট বা ০.২১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর ডিএসই শরিয়াহ সূচকও ৭.৯৬ পয়েন্ট বাড়ে। অন্যদিকে শক্তিশালী মৌলিক সূচক ডিএসই-৩০ গত সপ্তাহে ১৯.৯৪ পয়েন্ট বা আনুমানিক ১ শতাংশ হ্রাস করেছে।

লেনদেনের দিক থেকেও গত সপ্তাহে বেশি জোর দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনের গড় দৈনিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, যা আগের সাপ্তাহিক গড়ের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বা ৬৯ কোটি টাকার বাড়তি। লেনদেনে ব্র্যাক ব্যাংকের আধিপত্য লক্ষ্যনীয় ছিল; ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে ৭৪ কোটি টাকার বেশি কেনাবেচা হওয়ায় এটি মোট লেনদেনের ৮.৪৪ শতাংশ দখল করেছে। এর পাশাপাশি ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, মুন্নু সিরামিক, এনসিসি ব্যাংক ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজসহ কয়েকটি কোম্পানি লেনদেনের শীর্ষে ছিল।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২০৫টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৪৫টির দাম কমেছে এবং ৪০টির শেয়ার দামে পরিবর্তন হয়নি। সূচকের এই মিশ্র অবস্থার মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বাজারে তরলতা বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতে মূল্য ওঠানামার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও ডিএসইর বাজারমূল্য কমেছে

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়া সত্ত্বেও বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির দরপতনের কারণে সামগ্রিক বাজার মূলধন খাটো হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনই সেক্টরভিত্তিক আবেদন বাড়ায় বহু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বৃদ্ধি দেখা গেলেও সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন প্রায় ২ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা কমে গিয়েছিল।

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় প্রায় ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় নীচে। এর আগের সপ্তাহেও বাজার মূলধনে ৫ হাজার ১২৪ কোটি টাকার পতন দেখা গিয়েছিল। অর্থাৎ বড় কিছু কোম্পানির দরপতন সামগ্রিক অবস্থাকে নেতিবাচক রেখেছে।

তবু সূচকভিত্তিক পারফরম্যান্স মিশ্র চিত্র দেখিয়েছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে ১১.১২ পয়েন্ট বা ০.২১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর ডিএসই শরিয়াহ সূচকও ৭.৯৬ পয়েন্ট বাড়ে। অন্যদিকে শক্তিশালী মৌলিক সূচক ডিএসই-৩০ গত সপ্তাহে ১৯.৯৪ পয়েন্ট বা আনুমানিক ১ শতাংশ হ্রাস করেছে।

লেনদেনের দিক থেকেও গত সপ্তাহে বেশি জোর দেখা গেছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনের গড় দৈনিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, যা আগের সাপ্তাহিক গড়ের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বা ৬৯ কোটি টাকার বাড়তি। লেনদেনে ব্র্যাক ব্যাংকের আধিপত্য লক্ষ্যনীয় ছিল; ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে ৭৪ কোটি টাকার বেশি কেনাবেচা হওয়ায় এটি মোট লেনদেনের ৮.৪৪ শতাংশ দখল করেছে। এর পাশাপাশি ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, মুন্নু সিরামিক, এনসিসি ব্যাংক ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজসহ কয়েকটি কোম্পানি লেনদেনের শীর্ষে ছিল।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২০৫টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৪৫টির দাম কমেছে এবং ৪০টির শেয়ার দামে পরিবর্তন হয়নি। সূচকের এই মিশ্র অবস্থার মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বাজারে তরলতা বাড়িয়েছে, যা ভবিষ্যতে মূল্য ওঠানামার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।