০২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

ইউরোপীয় শিরোপা রক্ষায় আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

বুদাপেস্টের পুসকাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা নিজের করে নিল পিএসজি। নিয়মিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে সমতা থাকায় ম্যাচের বিধায়ক নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটে।

খেলার মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। অল্প সময় আগতেই লিড নিলেও পিএসজি ম্যাচে ফিরে আসতে চেষ্টায় বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে, আর প্রতিপক্ষ মূলত রক্ষণ সামলাতে বাধ্য হয়। প্রথমার্ধ শেষে আর্সেনাল তার লিড ধরে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভঙ্গের একটি মুহূর্তে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

৬২ মিনিটে বক্সের ভেতরে কাভারাস্কেইয়াকে ফাউল করার কারণে পিএসজি পায় পেনাল্টি। একে কাজে লাগিয়ে উসমান দেম্বেলে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন সমতা। পেনাল্টি নেওয়ার সময় গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে সময়ক্ষেপণের অভিযোগে উত্তেজনা দেখা দিল মাঠে।

পরবর্তী সময়ে দু’-পক্ষই জয়ের জন্য আক্রমণে উঠে আসে। ৭১ মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস থেকে দেম্বেলে একটি সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি। কিছু সময় পর কাভারাস্কেইয়ার একটি শক্তিশালী শট পোস্ট খুঁটে ফিরে গেলে আর্সেনাল ভাগ্যক্রমে রক্ষা পায়। নিয়মিত সময় ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল পুনরায় লিড নিতে না পারায় ম্যাচের সিদ্ধান্ত চলে আসে টাইব্রেকারে।

পেনাল্টি শুটআউটে পিএসজির সার্জিও রামোস ও ডুয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যভেদ করেন। আর্সেনালের পক্ষে ভিক্টর ইয়োকেরেস তাদের একটি শট সফল করে যদিও অন্যদিকে এজে একটি শট মিস করেন। নুনো মেন্দেসের একটি শট ডেভিড রায়া ঠেকিয়ে ফেরাতে পারতেন না, তবে শেষ পর্যন্ত গাব্রিয়েলের শট আকাশছোঁয়া হয়ে গেলে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের আশা ভগ্ন হয়।

ফাইনালে প্রমাণিত হলো পারফরম্যান্স ও মানসিক দৃঢ়তা—লুইস এনরিকের শিষ্যরা কঠোর লড়াইয়ের পর ইউরোপীয় শিরোপা নিজেদেরই রেখে দিল। ম্যাচটি ব্যাখ্যাও করে দিল যে ছোট ভুল কিংবা এক মুহূর্তের অমনোযোগ কীভাবে বড় ফলাফল নির্ধারণ করতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সারাদেশে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত

ইউরোপীয় শিরোপা রক্ষায় আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

বুদাপেস্টের পুসকাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা নিজের করে নিল পিএসজি। নিয়মিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে সমতা থাকায় ম্যাচের বিধায়ক নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটে।

খেলার মাত্র ষষ্ঠ মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। অল্প সময় আগতেই লিড নিলেও পিএসজি ম্যাচে ফিরে আসতে চেষ্টায় বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে, আর প্রতিপক্ষ মূলত রক্ষণ সামলাতে বাধ্য হয়। প্রথমার্ধ শেষে আর্সেনাল তার লিড ধরে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভঙ্গের একটি মুহূর্তে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

৬২ মিনিটে বক্সের ভেতরে কাভারাস্কেইয়াকে ফাউল করার কারণে পিএসজি পায় পেনাল্টি। একে কাজে লাগিয়ে উসমান দেম্বেলে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন সমতা। পেনাল্টি নেওয়ার সময় গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে সময়ক্ষেপণের অভিযোগে উত্তেজনা দেখা দিল মাঠে।

পরবর্তী সময়ে দু’-পক্ষই জয়ের জন্য আক্রমণে উঠে আসে। ৭১ মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস থেকে দেম্বেলে একটি সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি। কিছু সময় পর কাভারাস্কেইয়ার একটি শক্তিশালী শট পোস্ট খুঁটে ফিরে গেলে আর্সেনাল ভাগ্যক্রমে রক্ষা পায়। নিয়মিত সময় ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল পুনরায় লিড নিতে না পারায় ম্যাচের সিদ্ধান্ত চলে আসে টাইব্রেকারে।

পেনাল্টি শুটআউটে পিএসজির সার্জিও রামোস ও ডুয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যভেদ করেন। আর্সেনালের পক্ষে ভিক্টর ইয়োকেরেস তাদের একটি শট সফল করে যদিও অন্যদিকে এজে একটি শট মিস করেন। নুনো মেন্দেসের একটি শট ডেভিড রায়া ঠেকিয়ে ফেরাতে পারতেন না, তবে শেষ পর্যন্ত গাব্রিয়েলের শট আকাশছোঁয়া হয়ে গেলে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের আশা ভগ্ন হয়।

ফাইনালে প্রমাণিত হলো পারফরম্যান্স ও মানসিক দৃঢ়তা—লুইস এনরিকের শিষ্যরা কঠোর লড়াইয়ের পর ইউরোপীয় শিরোপা নিজেদেরই রেখে দিল। ম্যাচটি ব্যাখ্যাও করে দিল যে ছোট ভুল কিংবা এক মুহূর্তের অমনোযোগ কীভাবে বড় ফলাফল নির্ধারণ করতে পারে।