০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে কাল হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন তারেক রহমান বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে পশু কোরবানি

ম্যাসাচুসেটস–নিউ হ্যাম্পশায়ারে উল্কাপিণ্ড বিস্ফোরণ, বিকট শব্দে আতঙ্ক

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শনিবার দুপুরে একটি শক্তিশালী উল্কাপিণ্ড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ০৬ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

নাসা জানিয়েছে, উল্কাপিণ্ডটি প্রায় ৪০ মাইল (প্রায় ৬৪ কিলোমিটার) উচ্চতায় খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায় এবং এর ক্ষুদ্রনিষ্ঠু উৎপাদিত শক্তি প্রায় ৩০০ টন টিএনটিকে সমপরিমাণ। বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে তার প্রচণ্ড ঘর্ষণের ফলে তৈরি হওয়া সেই শক্তিই পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলোতে বজ্রতুল্য বিকট শব্দ ও কম্পন সৃষ্টি করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে এটি একটি প্রাকৃতিক মহাজাগতিক বস্তু; কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ বা মহাকাশ বর্জ্য নয়।

অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির তথ্যমতে উল্কাপিণ্ডটির আকার ছিল প্রায় তিন ফুট (প্রায় ০.৯ মিটার) বা এক গজ চওড়া — যা সাধারণ অগ্নিগোলকের চেয়ে বড়। বিস্ফোরণের সময় ম্যাসাচুসেটস ও রোড আইল্যান্ডসহ আশেপাশের অঞ্চলে দু’বার করে বিকট শব্দ শোনা যায়; অনেক আবাসিক ভবন কেঁপে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায় যে আকস্মিক শব্দে মানুষ হতবিহ্বল ও ঘাবড়ে পড়েছেন। তবুও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর মেলেনি।

বিজ্ঞানের দিক থেকে এ ধরনের বায়ুমণ্ডলে মহাজাগতিক বস্তুর বিস্ফোরণ অদ্ভুত নয়, কিন্তু এটিই ছিল অনন্য কারণে তাৎপর্যপূর্ণ: নির্গত শক্তির পরিমাণ ও বিস্তৃতি। অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির প্রোগ্রাম মনিটর রবার্ট লুনসফোর্ড জানান, উল্কাপিণ্ডটি যদি সম্পূর্ণভাবে পোড়ে নিঃশেষ না হয়ে থাকে, তবে অবশিষ্ট অংশ সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা তার সঠিক গতিপথ, গতি ও অবশিষ্টাংশ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনও সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ও উপকেন্দ্রীয় এলাকায় তদন্তে নামেছে এবং 주민দের নিরাপদ থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এরকম মহাজাগতিক ঘটনার কারণে জনজীবনে যখন অস্থিরতা দেখা যায়, তখনই বিজ্ঞানী ও কর্তৃপক্ষ দ্রুত তথ্য মিলিয়ে মানুষকে সঠিক এবং স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক কমে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি

ম্যাসাচুসেটস–নিউ হ্যাম্পশায়ারে উল্কাপিণ্ড বিস্ফোরণ, বিকট শব্দে আতঙ্ক

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শনিবার দুপুরে একটি শক্তিশালী উল্কাপিণ্ড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ০৬ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

নাসা জানিয়েছে, উল্কাপিণ্ডটি প্রায় ৪০ মাইল (প্রায় ৬৪ কিলোমিটার) উচ্চতায় খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায় এবং এর ক্ষুদ্রনিষ্ঠু উৎপাদিত শক্তি প্রায় ৩০০ টন টিএনটিকে সমপরিমাণ। বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে তার প্রচণ্ড ঘর্ষণের ফলে তৈরি হওয়া সেই শক্তিই পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলোতে বজ্রতুল্য বিকট শব্দ ও কম্পন সৃষ্টি করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে এটি একটি প্রাকৃতিক মহাজাগতিক বস্তু; কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ বা মহাকাশ বর্জ্য নয়।

অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির তথ্যমতে উল্কাপিণ্ডটির আকার ছিল প্রায় তিন ফুট (প্রায় ০.৯ মিটার) বা এক গজ চওড়া — যা সাধারণ অগ্নিগোলকের চেয়ে বড়। বিস্ফোরণের সময় ম্যাসাচুসেটস ও রোড আইল্যান্ডসহ আশেপাশের অঞ্চলে দু’বার করে বিকট শব্দ শোনা যায়; অনেক আবাসিক ভবন কেঁপে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায় যে আকস্মিক শব্দে মানুষ হতবিহ্বল ও ঘাবড়ে পড়েছেন। তবুও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর মেলেনি।

বিজ্ঞানের দিক থেকে এ ধরনের বায়ুমণ্ডলে মহাজাগতিক বস্তুর বিস্ফোরণ অদ্ভুত নয়, কিন্তু এটিই ছিল অনন্য কারণে তাৎপর্যপূর্ণ: নির্গত শক্তির পরিমাণ ও বিস্তৃতি। অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির প্রোগ্রাম মনিটর রবার্ট লুনসফোর্ড জানান, উল্কাপিণ্ডটি যদি সম্পূর্ণভাবে পোড়ে নিঃশেষ না হয়ে থাকে, তবে অবশিষ্ট অংশ সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা তার সঠিক গতিপথ, গতি ও অবশিষ্টাংশ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনও সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ও উপকেন্দ্রীয় এলাকায় তদন্তে নামেছে এবং 주민দের নিরাপদ থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এরকম মহাজাগতিক ঘটনার কারণে জনজীবনে যখন অস্থিরতা দেখা যায়, তখনই বিজ্ঞানী ও কর্তৃপক্ষ দ্রুত তথ্য মিলিয়ে মানুষকে সঠিক এবং স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক কমে।