১১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ম্যাসাচুসেটস–নিউ হ্যাম্পশায়ারে উল্কাপিণ্ড বিস্ফোরণ, বিকট শব্দে আতঙ্ক

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শনিবার দুপুরে একটি শক্তিশালী উল্কাপিণ্ড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ০৬ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

নাসা জানিয়েছে, উল্কাপিণ্ডটি প্রায় ৪০ মাইল (প্রায় ৬৪ কিলোমিটার) উচ্চতায় খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায় এবং এর ক্ষুদ্রনিষ্ঠু উৎপাদিত শক্তি প্রায় ৩০০ টন টিএনটিকে সমপরিমাণ। বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে তার প্রচণ্ড ঘর্ষণের ফলে তৈরি হওয়া সেই শক্তিই পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলোতে বজ্রতুল্য বিকট শব্দ ও কম্পন সৃষ্টি করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে এটি একটি প্রাকৃতিক মহাজাগতিক বস্তু; কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ বা মহাকাশ বর্জ্য নয়।

অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির তথ্যমতে উল্কাপিণ্ডটির আকার ছিল প্রায় তিন ফুট (প্রায় ০.৯ মিটার) বা এক গজ চওড়া — যা সাধারণ অগ্নিগোলকের চেয়ে বড়। বিস্ফোরণের সময় ম্যাসাচুসেটস ও রোড আইল্যান্ডসহ আশেপাশের অঞ্চলে দু’বার করে বিকট শব্দ শোনা যায়; অনেক আবাসিক ভবন কেঁপে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায় যে আকস্মিক শব্দে মানুষ হতবিহ্বল ও ঘাবড়ে পড়েছেন। তবুও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর মেলেনি।

বিজ্ঞানের দিক থেকে এ ধরনের বায়ুমণ্ডলে মহাজাগতিক বস্তুর বিস্ফোরণ অদ্ভুত নয়, কিন্তু এটিই ছিল অনন্য কারণে তাৎপর্যপূর্ণ: নির্গত শক্তির পরিমাণ ও বিস্তৃতি। অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির প্রোগ্রাম মনিটর রবার্ট লুনসফোর্ড জানান, উল্কাপিণ্ডটি যদি সম্পূর্ণভাবে পোড়ে নিঃশেষ না হয়ে থাকে, তবে অবশিষ্ট অংশ সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা তার সঠিক গতিপথ, গতি ও অবশিষ্টাংশ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনও সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ও উপকেন্দ্রীয় এলাকায় তদন্তে নামেছে এবং 주민দের নিরাপদ থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এরকম মহাজাগতিক ঘটনার কারণে জনজীবনে যখন অস্থিরতা দেখা যায়, তখনই বিজ্ঞানী ও কর্তৃপক্ষ দ্রুত তথ্য মিলিয়ে মানুষকে সঠিক এবং স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক কমে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ম্যাসাচুসেটস–নিউ হ্যাম্পশায়ারে উল্কাপিণ্ড বিস্ফোরণ, বিকট শব্দে আতঙ্ক

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শনিবার দুপুরে একটি শক্তিশালী উল্কাপিণ্ড বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ০৬ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

নাসা জানিয়েছে, উল্কাপিণ্ডটি প্রায় ৪০ মাইল (প্রায় ৬৪ কিলোমিটার) উচ্চতায় খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায় এবং এর ক্ষুদ্রনিষ্ঠু উৎপাদিত শক্তি প্রায় ৩০০ টন টিএনটিকে সমপরিমাণ। বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে তার প্রচণ্ড ঘর্ষণের ফলে তৈরি হওয়া সেই শক্তিই পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলোতে বজ্রতুল্য বিকট শব্দ ও কম্পন সৃষ্টি করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে এটি একটি প্রাকৃতিক মহাজাগতিক বস্তু; কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ বা মহাকাশ বর্জ্য নয়।

অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির তথ্যমতে উল্কাপিণ্ডটির আকার ছিল প্রায় তিন ফুট (প্রায় ০.৯ মিটার) বা এক গজ চওড়া — যা সাধারণ অগ্নিগোলকের চেয়ে বড়। বিস্ফোরণের সময় ম্যাসাচুসেটস ও রোড আইল্যান্ডসহ আশেপাশের অঞ্চলে দু’বার করে বিকট শব্দ শোনা যায়; অনেক আবাসিক ভবন কেঁপে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায় যে আকস্মিক শব্দে মানুষ হতবিহ্বল ও ঘাবড়ে পড়েছেন। তবুও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর মেলেনি।

বিজ্ঞানের দিক থেকে এ ধরনের বায়ুমণ্ডলে মহাজাগতিক বস্তুর বিস্ফোরণ অদ্ভুত নয়, কিন্তু এটিই ছিল অনন্য কারণে তাৎপর্যপূর্ণ: নির্গত শক্তির পরিমাণ ও বিস্তৃতি। অ্যামেরিকান মিটিওর সোসাইটির প্রোগ্রাম মনিটর রবার্ট লুনসফোর্ড জানান, উল্কাপিণ্ডটি যদি সম্পূর্ণভাবে পোড়ে নিঃশেষ না হয়ে থাকে, তবে অবশিষ্ট অংশ সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা তার সঠিক গতিপথ, গতি ও অবশিষ্টাংশ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ চালাচ্ছেন।

স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনও সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ও উপকেন্দ্রীয় এলাকায় তদন্তে নামেছে এবং 주민দের নিরাপদ থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। এরকম মহাজাগতিক ঘটনার কারণে জনজীবনে যখন অস্থিরতা দেখা যায়, তখনই বিজ্ঞানী ও কর্তৃপক্ষ দ্রুত তথ্য মিলিয়ে মানুষকে সঠিক এবং স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক কমে।