০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে আইএলও’র ১১৪তম সম্মেলনে সহ-সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন জনতুষ্টি নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী হামের তাণ্ডবের মাঝে ডেঙ্গু নিয়েও সতর্কতা বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী শারীরিক অসুস্থতা জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ

বিজয়ের বড় সিদ্ধান্ত: নতুন ছবির প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন ৫টি শো অনুমতি

অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দফতরভার নেওয়ার পর তামিল চলচ্চিত্র ক্ষেত্রের জন্য বেশ কয়েকটি প্রত্যাশিত উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। তার নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকার সম্প্রতি একটি প্রশাসনিক আদেশ জারি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে—রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে বড় বাজেটের ছবিগুলোর ব্যবসায়িক সাফল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে প্রাদেশিকভাবে চলমান তামিলনাড়ু সিনেমাস (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি শো প্রদর্শনের নিয়ম ছিল। বিশেষ উৎসব বা সরকারি ছুটির দিনে অতিরিক্ত শোর জন্য জেলা কালেক্টর বা পুলিশ কমিশনারের কাছে অনুমতি নিতে হতো। নতুন নির্দেশনায় সেই প্রশাসনিক জটিলতা সরিয়ে সাধারণ দিনেও শো বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়া হয়েছে, ফলে প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের বারবার অনুমতির অপেক্ষা করতে হবে না।

ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধি ও সংগঠনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রযোজক-পরিবেশকরা মনে করছেন, আধুনিক সময়ে বড় বিনিয়োগ করা ছবিগুলোর লগ্নি দ্রুত তোলার জন্য প্রদর্শনী সংখ্যা বাড়ানো অপরিহার্য। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে—মুক্তির প্রথম সাত দিন এবং পরবর্তী সময়ে সব সাপ্তাহিক ছুটি ও বিশেষ দিনে কোনো প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই পাঁচটি শো প্রদর্শন করা যাবে।

এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানাচ্ছেন প্রদর্শক ও সিনেমাপ্রেমীরা। তারা আশা করছেন যে উদ্বোধনী সপ্তাহের আয় বাড়তে থাকবে এবং ছোট ও মাঝারি সিনেমা হলে ব্যবসায়িক গতিশীলতা ফিরে আসবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশাসনিক বাধা কমলে শুধু বাণিজ্যিক লভ্যাংশই নয়, সামগ্রিকভাবে তামিল সংস্কৃতি ও বিনোদন ক্ষেত্রও উপকৃত হবে।

শো বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন সরকার পাইরেসি রোধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে। প্রযোজক সংগঠনের নেতারা পাইরেসি চক্রের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নিজেও পাইরেসির শিকার হয়েছেন—তার অভিনীত সাম্প্রতিক ছবি ‘জন নায়াগন’ মুক্তির আগেই অনলাইনে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। এই কারণে সংশ্লিষ্ট মহলে বলা হচ্ছে সরকার শীঘ্রই আরও কঠোর আইন বা কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আসতে পারে।

মোটMil, মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই পদক্ষেপকে চলচ্চিত্র শিল্পের আর্থিক পুনরুজ্জীবন এবং প্রশাসনিক বাধা হ্রাসের জন্য সময়োপযোগী বলা হচ্ছে। অভিনেতা-রাজনীতিক হিসেবে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তারই প্রতিফলন হিসাবে এই ঘোষণা বোঝা হচ্ছে—তবে বাস্তবে এর প্রভাব কেমন হবে তা পরবর্তী কয়েকটি মুক্তি ও বক্স অফিস ফলাফল থেকেই স্পষ্ট হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে

বিজয়ের বড় সিদ্ধান্ত: নতুন ছবির প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন ৫টি শো অনুমতি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দফতরভার নেওয়ার পর তামিল চলচ্চিত্র ক্ষেত্রের জন্য বেশ কয়েকটি প্রত্যাশিত উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। তার নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকার সম্প্রতি একটি প্রশাসনিক আদেশ জারি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে—রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে বড় বাজেটের ছবিগুলোর ব্যবসায়িক সাফল্য বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে প্রাদেশিকভাবে চলমান তামিলনাড়ু সিনেমাস (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি শো প্রদর্শনের নিয়ম ছিল। বিশেষ উৎসব বা সরকারি ছুটির দিনে অতিরিক্ত শোর জন্য জেলা কালেক্টর বা পুলিশ কমিশনারের কাছে অনুমতি নিতে হতো। নতুন নির্দেশনায় সেই প্রশাসনিক জটিলতা সরিয়ে সাধারণ দিনেও শো বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়া হয়েছে, ফলে প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের বারবার অনুমতির অপেক্ষা করতে হবে না।

ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধি ও সংগঠনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রযোজক-পরিবেশকরা মনে করছেন, আধুনিক সময়ে বড় বিনিয়োগ করা ছবিগুলোর লগ্নি দ্রুত তোলার জন্য প্রদর্শনী সংখ্যা বাড়ানো অপরিহার্য। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে—মুক্তির প্রথম সাত দিন এবং পরবর্তী সময়ে সব সাপ্তাহিক ছুটি ও বিশেষ দিনে কোনো প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই পাঁচটি শো প্রদর্শন করা যাবে।

এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানাচ্ছেন প্রদর্শক ও সিনেমাপ্রেমীরা। তারা আশা করছেন যে উদ্বোধনী সপ্তাহের আয় বাড়তে থাকবে এবং ছোট ও মাঝারি সিনেমা হলে ব্যবসায়িক গতিশীলতা ফিরে আসবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশাসনিক বাধা কমলে শুধু বাণিজ্যিক লভ্যাংশই নয়, সামগ্রিকভাবে তামিল সংস্কৃতি ও বিনোদন ক্ষেত্রও উপকৃত হবে।

শো বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন সরকার পাইরেসি রোধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে। প্রযোজক সংগঠনের নেতারা পাইরেসি চক্রের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নিজেও পাইরেসির শিকার হয়েছেন—তার অভিনীত সাম্প্রতিক ছবি ‘জন নায়াগন’ মুক্তির আগেই অনলাইনে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। এই কারণে সংশ্লিষ্ট মহলে বলা হচ্ছে সরকার শীঘ্রই আরও কঠোর আইন বা কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আসতে পারে।

মোটMil, মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই পদক্ষেপকে চলচ্চিত্র শিল্পের আর্থিক পুনরুজ্জীবন এবং প্রশাসনিক বাধা হ্রাসের জন্য সময়োপযোগী বলা হচ্ছে। অভিনেতা-রাজনীতিক হিসেবে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তারই প্রতিফলন হিসাবে এই ঘোষণা বোঝা হচ্ছে—তবে বাস্তবে এর প্রভাব কেমন হবে তা পরবর্তী কয়েকটি মুক্তি ও বক্স অফিস ফলাফল থেকেই স্পষ্ট হবে।