০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল — ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়তি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের মিতসুই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতিসংঘে ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ড. খলিলুর রহমান জাপানের মিতসুই প্রতিনিধিদলের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৩৪ প্রবাসী কার্ড চালু: বিএমইটি কার্ডের বিকল্পে একক ডিজিটাল সেবা মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে আইএলও’র ১১৪তম সম্মেলনে সহ-সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন

আইওয়ার মুসকাটিনে বন্দুক হামলায় ৬ জন নিহত; সন্দেহভাজনও মৃত

আইওয়ার মুসকাটিনে সোমবার একাধিক স্থানে ঘটে যাওয়া বন্দুক হামলায় মোট ছয়জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পিছনে পারিবারিক বা গৃহস্থালি বিরোধ থাকতে পারে — এমনটাই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

স্থানীয় মুসকাটিন পুলিশ পরিদফতর বলেছে, নিহতরা সবাই সন্দেহভাজন হামলাকারীর পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রথমত হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে — তিনি হচ্ছেন ৫২ বছর বয়সী রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ড, মুসকাটিন শহরের একজন বাসিন্দা।

পুলিশপ্রধান অ্যান্থনি কাইস এই হামলাকে ‘অশুভ ও নিষ্ঠুর’ কর্ম বলে আখ্যা দিয়েছেন। ঘটনার সূচনা হয় সোমবার (১ জুন) দুপুরের কাছাকাছি, যখন পুলিশ প্রথম গুলির খবর পায়। প্রথম পুলিশ দল একটি বাড়িতে পৌঁছে সেখানে চারজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পায় এবং তাদের ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ম্যাকফারল্যান্ড ওই বাড়ি থেকে পুলিশ পৌঁছার আগেই চলে গিয়েছিলেন।

কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই কর্মকর্তারা তাকে একটি নদীতীরবর্তী হাঁটাপথের কাছে, একটি পথচারী সেতুর কাছে খুঁজে পান। পুলিশ বলেছে, তার শরীরে নিজের গুলির কারণে সৃষ্ট ক্ষত ছিল। তাকে চিকিৎসাসাহায্য দেওয়া হয়, কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি হয়নি এবং তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

পরবর্তী তল্লাশিতে তদন্তকারীরা আরও দুটি জায়গায় মরদেহ উদ্ধার করেন — একটি বাড়িতে আরেকজন এবং একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আরও একজন। পুলিশ জানায়, ওই কুলগুলোও গুলির আঘাতে মারা যাওয়ার মতো বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। পুলিশ যে ঠিকানার তথ্য প্রকাশ করেছে, সেখান অনলাইন মানচিত্রে একটি মেটাল ওয়ার্কশপের অবস্থান দেখা যায়।

মুসকাটিন পুলিশ বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া সূত্রগুলো থেকে এই ঘটনায় পারিবারিক বা গৃহস্থালি বিবাদ জড়িত থাকার সম্ভাবনা বেশি। নিহতদের নাম বা বয়স পুলিশ এখনও প্রকাশ করেনি। পুলিশপ্রধান কাইস নিশ্চিত করেছেন যে, সন্দেহভাজন হামলাকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে কিছু অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল, কিন্তু তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি।

মুসকাটিন শহরটি মিসিসিপি নদীর তীরে অবস্থিত এবং আইওয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রয়েছে; সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখানে জনসংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার ৫০০। মুসকাটিনের মেয়র ব্র্যাড বার্ক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই মর্মান্তিক বন্দুক হামলার ঘটনা আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত করেছে।’

পুলিশি তদন্ত এখনো চলমান আছে এবং অনুমানগুলো চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ ও সময়রেখা বোঝার জন্য তদন্তকারীরা শৌল্যকতা ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল — ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়তি

আইওয়ার মুসকাটিনে বন্দুক হামলায় ৬ জন নিহত; সন্দেহভাজনও মৃত

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

আইওয়ার মুসকাটিনে সোমবার একাধিক স্থানে ঘটে যাওয়া বন্দুক হামলায় মোট ছয়জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পিছনে পারিবারিক বা গৃহস্থালি বিরোধ থাকতে পারে — এমনটাই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

স্থানীয় মুসকাটিন পুলিশ পরিদফতর বলেছে, নিহতরা সবাই সন্দেহভাজন হামলাকারীর পরিবারের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রথমত হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে — তিনি হচ্ছেন ৫২ বছর বয়সী রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ড, মুসকাটিন শহরের একজন বাসিন্দা।

পুলিশপ্রধান অ্যান্থনি কাইস এই হামলাকে ‘অশুভ ও নিষ্ঠুর’ কর্ম বলে আখ্যা দিয়েছেন। ঘটনার সূচনা হয় সোমবার (১ জুন) দুপুরের কাছাকাছি, যখন পুলিশ প্রথম গুলির খবর পায়। প্রথম পুলিশ দল একটি বাড়িতে পৌঁছে সেখানে চারজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পায় এবং তাদের ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ম্যাকফারল্যান্ড ওই বাড়ি থেকে পুলিশ পৌঁছার আগেই চলে গিয়েছিলেন।

কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই কর্মকর্তারা তাকে একটি নদীতীরবর্তী হাঁটাপথের কাছে, একটি পথচারী সেতুর কাছে খুঁজে পান। পুলিশ বলেছে, তার শরীরে নিজের গুলির কারণে সৃষ্ট ক্ষত ছিল। তাকে চিকিৎসাসাহায্য দেওয়া হয়, কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি হয়নি এবং তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

পরবর্তী তল্লাশিতে তদন্তকারীরা আরও দুটি জায়গায় মরদেহ উদ্ধার করেন — একটি বাড়িতে আরেকজন এবং একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আরও একজন। পুলিশ জানায়, ওই কুলগুলোও গুলির আঘাতে মারা যাওয়ার মতো বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। পুলিশ যে ঠিকানার তথ্য প্রকাশ করেছে, সেখান অনলাইন মানচিত্রে একটি মেটাল ওয়ার্কশপের অবস্থান দেখা যায়।

মুসকাটিন পুলিশ বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া সূত্রগুলো থেকে এই ঘটনায় পারিবারিক বা গৃহস্থালি বিবাদ জড়িত থাকার সম্ভাবনা বেশি। নিহতদের নাম বা বয়স পুলিশ এখনও প্রকাশ করেনি। পুলিশপ্রধান কাইস নিশ্চিত করেছেন যে, সন্দেহভাজন হামলাকারীর বিরুদ্ধে পূর্বে কিছু অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল, কিন্তু তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি।

মুসকাটিন শহরটি মিসিসিপি নদীর তীরে অবস্থিত এবং আইওয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রয়েছে; সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখানে জনসংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার ৫০০। মুসকাটিনের মেয়র ব্র্যাড বার্ক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিরপরাধ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই মর্মান্তিক বন্দুক হামলার ঘটনা আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত করেছে।’

পুলিশি তদন্ত এখনো চলমান আছে এবং অনুমানগুলো চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ ও সময়রেখা বোঝার জন্য তদন্তকারীরা শৌল্যকতা ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছেন।