০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইউরোপ যাওয়ার পথে ৫ মাসে সমুদ্রে ১,৩১৭ অভিবাসীর মৃত্যু

উন্নত জীবন ও পরিবারের স্বপ্নে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে গত পাঁচ মাসে স্পেন উপকূলে পৌঁছার চেষ্টা করে সমুদ্রে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন ১,৩১৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। বুধবার (১০ জুন) এমন তথ্য জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা কামিনান্দো ফ্রোন্তেরাস; খবরটি প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ১,৩১৭ জনের মধ্যে ১৪২ জন নারী এবং ১২৯ জন শিশু রয়েছেন। এছাড়া রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে যে ২৭টি নৌকা আরোহীসহ নিখোঁজ আছে। এই হিসাব ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসের উৎসাহিত পরিমাণ।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে অনিয়মিত অভিবাসন বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, যা পোপের ক্যানারি দ্বীপ সফরের আগেই আসে। চলতি সপ্তাহে স্পেনে সফরকালে পোপ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে এটিকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানো সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইউরোপীয় পন্থাগুলোতে সীমান্ত রক্ষা জোরদার হলে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কোস্টগার্ড বা অন্যান্য নজরদারি এড়াতে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও দীর্ঘতর পথ বেছে নিচ্ছেন। এতে তারা আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে নিরাপদ পথের বদলে বিপজ্জনক উপায় অবলম্বন করছেন। সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, ২০২৫ সালে স্পেন উপকূলে পৌঁছার পথে ৩ হাজার ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ও পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল)। আবার কিছু অভিবাসনপ্রত্যাশী মরক্কো থেকে স্পেনের দিকে যেতে প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রশস্ত পথও চেষ্টা করেন, যা হলেও সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর স্রোত ও বিপজ্জনক।

মানবিকভাবেই এই সংখ্যাগুলো উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সংস্থাগুলো এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এধরনের রকমারি নীতিমালা ও সীমান্তকাঠোরতার বদলে নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা ও বৈধ প্রত্যাবর্তন-অবস্থান বিধানের ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন, যাতে ঝুঁকি কমে এবং প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইউরোপ যাওয়ার পথে ৫ মাসে সমুদ্রে ১,৩১৭ অভিবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

উন্নত জীবন ও পরিবারের স্বপ্নে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে গত পাঁচ মাসে স্পেন উপকূলে পৌঁছার চেষ্টা করে সমুদ্রে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন ১,৩১৭ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। বুধবার (১০ জুন) এমন তথ্য জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা কামিনান্দো ফ্রোন্তেরাস; খবরটি প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ১,৩১৭ জনের মধ্যে ১৪২ জন নারী এবং ১২৯ জন শিশু রয়েছেন। এছাড়া রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে যে ২৭টি নৌকা আরোহীসহ নিখোঁজ আছে। এই হিসাব ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসের উৎসাহিত পরিমাণ।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে অনিয়মিত অভিবাসন বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, যা পোপের ক্যানারি দ্বীপ সফরের আগেই আসে। চলতি সপ্তাহে স্পেনে সফরকালে পোপ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে এটিকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানো সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইউরোপীয় পন্থাগুলোতে সীমান্ত রক্ষা জোরদার হলে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কোস্টগার্ড বা অন্যান্য নজরদারি এড়াতে আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও দীর্ঘতর পথ বেছে নিচ্ছেন। এতে তারা আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে নিরাপদ পথের বদলে বিপজ্জনক উপায় অবলম্বন করছেন। সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, ২০২৫ সালে স্পেন উপকূলে পৌঁছার পথে ৩ হাজার ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ও পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল)। আবার কিছু অভিবাসনপ্রত্যাশী মরক্কো থেকে স্পেনের দিকে যেতে প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রশস্ত পথও চেষ্টা করেন, যা হলেও সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর স্রোত ও বিপজ্জনক।

মানবিকভাবেই এই সংখ্যাগুলো উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সংস্থাগুলো এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এধরনের রকমারি নীতিমালা ও সীমান্তকাঠোরতার বদলে নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা ও বৈধ প্রত্যাবর্তন-অবস্থান বিধানের ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন, যাতে ঝুঁকি কমে এবং প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব হয়।