০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার উদ্যোগ নেই, বরং করজট কমানোর প্রস্তাব: এনবিআর চেয়ারম্যান ২০২৬-২৭ বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের বরাদ্দ বাড়ল ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা সীমান্তে জোরপূর্বক ‘পুশ-ইন’ নিয়ে আসকের উদ্বেগ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ নিয়ে উদ্বেগ, মানবিক সমাধানের আহ্বান—আসক

রাশেদ খাঁন বললেন—জামায়াতের এমপিরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নিক

বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন বলেছেন, জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামের এমপিরা তাদের পারফরম্যান্স বাড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ নিতে পারেন। তিনি বুধবার (১০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, গত অধিবেশনে খারাপ কার্যকারিতার পর জামায়াতের এমপিদের জন্য বিশেষভাবে ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ করানো হয়েছিল। কিন্তু যে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ছিল সংসদীয় কার্যক্রমে উন্নতি আনা, তা কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়ে যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোর্স বা সিলেবাসের বাইরে গিয়ে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা শুরু করেন। তখন এমপিরা ভীত এবং হতবাক হয়ে পড়েছিলেন, যার ফলে দিনের পর দিন করা প্রস্তুতি বৃথা গিয়ে পড়ে।

এই পরিস্থিতি বুঝিয়ে তিনি বলেন, সংসদে সজ্জ্বলভাবে অংশ নিতে হলে এখনই রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নেওয়া জরুরি — এবং সেই প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি হতে পারেন। অন্যথায় একেবারে ৬৮ জন জামায়াত এমপি এমনভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়া লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ আরও জানান, আগে মানুষের ধারণা ছিল জামায়াতের নেতারা শিক্ষিত এবং তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণও ভালো। কিন্তু বর্তমান পরিসেবা দেখে মনে হচ্ছে দলের মধ্যে দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব আছে, যদিও দলের তরুণ সদস্যরা মনোযোগী। সে কারণেই শেখার কোনো শেষ নেই—লজ্জা পেলেও শেখা উচিত—এমন কথা বলেই তিনি জামায়াতের এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ক্লাস নেওয়ার অনুরোধ জানান।

শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারা জামায়াতে ইসলামিকে সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। বিরোধী দল যদি দুর্বল থাকে, তাহলে সংসদে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভাব দেখা দেবে এবং ফলত দেশের মানুষ সংসদে পুনরায় আওয়ামী লীগের শূন্যতা অনুভব করতে পারে, যা মোটেও কাম্য নয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাশেদ খাঁন বললেন—জামায়াতের এমপিরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নিক

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন বলেছেন, জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামের এমপিরা তাদের পারফরম্যান্স বাড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ নিতে পারেন। তিনি বুধবার (১০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, গত অধিবেশনে খারাপ কার্যকারিতার পর জামায়াতের এমপিদের জন্য বিশেষভাবে ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ করানো হয়েছিল। কিন্তু যে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ছিল সংসদীয় কার্যক্রমে উন্নতি আনা, তা কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়ে যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোর্স বা সিলেবাসের বাইরে গিয়ে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা শুরু করেন। তখন এমপিরা ভীত এবং হতবাক হয়ে পড়েছিলেন, যার ফলে দিনের পর দিন করা প্রস্তুতি বৃথা গিয়ে পড়ে।

এই পরিস্থিতি বুঝিয়ে তিনি বলেন, সংসদে সজ্জ্বলভাবে অংশ নিতে হলে এখনই রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নেওয়া জরুরি — এবং সেই প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি হতে পারেন। অন্যথায় একেবারে ৬৮ জন জামায়াত এমপি এমনভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়া লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ আরও জানান, আগে মানুষের ধারণা ছিল জামায়াতের নেতারা শিক্ষিত এবং তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণও ভালো। কিন্তু বর্তমান পরিসেবা দেখে মনে হচ্ছে দলের মধ্যে দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব আছে, যদিও দলের তরুণ সদস্যরা মনোযোগী। সে কারণেই শেখার কোনো শেষ নেই—লজ্জা পেলেও শেখা উচিত—এমন কথা বলেই তিনি জামায়াতের এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ক্লাস নেওয়ার অনুরোধ জানান।

শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারা জামায়াতে ইসলামিকে সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। বিরোধী দল যদি দুর্বল থাকে, তাহলে সংসদে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভাব দেখা দেবে এবং ফলত দেশের মানুষ সংসদে পুনরায় আওয়ামী লীগের শূন্যতা অনুভব করতে পারে, যা মোটেও কাম্য নয়।