০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আদনান আল রাজীব ঘোষণা করলেন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

টেলিভিশন ও বিজ্ঞাপনের জগতে দীর্ঘদিন ধরেই সমাদৃত নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সত্যি হওয়ার খবরে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন তিনি — এবার তিনি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন।

নিজের কাজের মতো প্রেমকে দেখেন এমনভাবেই কথাটি শুরু করে আদনান আল রাজীব। তিনি বলেন, গল্পগুলো অনেক সময় ভালোবাসার মানুষের মতো: কেউ হুট করে দরজায় কড়া নাড়ে, আবার কেউ অনেক দূর থেকে নীরবে অপেক্ষা করে। বহু বছর ধরে নিজের মনের মধ্যে তিনি এক নিখাদ প্রেমের গল্প তৈরি করতে চেয়েছেন; লিখেছেন, কাটিছেঁড়া করেছেন এবং বারবার ঝালাই করেছেন—অবশেষে সেই গল্পটি এখন প্রকাশ্য রূপ পেয়েছে।

আদনান তাঁর প্রথম বড় সফলতার স্মৃতিচারণ করে জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে নির্মিত প্রেমের গল্প ‘কাছে আসার গল্প’ দর্শক এবং সমালোচকদের ভালো লাগা পেয়েছিল। সেই সময় থেকেই তিনি বড় পর্দার জন্য একটি প্রেমভিত্তিক ছবি করার বাসনা পুষে চলেছেন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিরন্তর খোঁজখবর শেষে এখন সেই স্বপ্নে পদক্ষেপ নিলেন। তবে বর্তমানে ছবির নাম, মুখ্য অভিনেতা-অভিনেত্রী বা শুটিং শুরুর কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়া অতিরিক্ত বিস্তারিত তিনি জানাননি।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে আদনান আল রাজীবের প্রতিভা ইতোমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে। গত বছর তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আলী’ কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ‘স্পেশাল মেনশন’ সম্মাননা লাভ করেছিল। এটি পরবর্তীতে বিশ্বের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে পুরস্কার ও প্রশংসা পেয়েছে, যা বাংলা চলচ্চিত্রের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছিল।

এবার দর্শকদের প্রশ্ন হচ্ছে—বড় পর্দায় তাঁর প্রথম ছবি কেমন প্রতিক্রিয়া আনবে। শিল্পী ও নির্মাতা হিসেবে আদনান আল রাজীবের কথাগুলোতে দেখা যায়, এই ছবিটি তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি ও দীর্ঘদিনের ভাবনার প্রতিফলন হবে। সিনেমাটি কবে প্রশিক্ষণ শুরু করবে এবং পর্দায় কখন দেখা যাবে, তা নিয়ে সবকিছু শীঘ্রই জানানো হবে বলে তিনি ভক্তদের আশ্বাস দিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আদনান আল রাজীব ঘোষণা করলেন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

টেলিভিশন ও বিজ্ঞাপনের জগতে দীর্ঘদিন ধরেই সমাদৃত নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সত্যি হওয়ার খবরে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন তিনি — এবার তিনি একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন।

নিজের কাজের মতো প্রেমকে দেখেন এমনভাবেই কথাটি শুরু করে আদনান আল রাজীব। তিনি বলেন, গল্পগুলো অনেক সময় ভালোবাসার মানুষের মতো: কেউ হুট করে দরজায় কড়া নাড়ে, আবার কেউ অনেক দূর থেকে নীরবে অপেক্ষা করে। বহু বছর ধরে নিজের মনের মধ্যে তিনি এক নিখাদ প্রেমের গল্প তৈরি করতে চেয়েছেন; লিখেছেন, কাটিছেঁড়া করেছেন এবং বারবার ঝালাই করেছেন—অবশেষে সেই গল্পটি এখন প্রকাশ্য রূপ পেয়েছে।

আদনান তাঁর প্রথম বড় সফলতার স্মৃতিচারণ করে জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে নির্মিত প্রেমের গল্প ‘কাছে আসার গল্প’ দর্শক এবং সমালোচকদের ভালো লাগা পেয়েছিল। সেই সময় থেকেই তিনি বড় পর্দার জন্য একটি প্রেমভিত্তিক ছবি করার বাসনা পুষে চলেছেন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিরন্তর খোঁজখবর শেষে এখন সেই স্বপ্নে পদক্ষেপ নিলেন। তবে বর্তমানে ছবির নাম, মুখ্য অভিনেতা-অভিনেত্রী বা শুটিং শুরুর কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়া অতিরিক্ত বিস্তারিত তিনি জানাননি।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে আদনান আল রাজীবের প্রতিভা ইতোমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে। গত বছর তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আলী’ কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ‘স্পেশাল মেনশন’ সম্মাননা লাভ করেছিল। এটি পরবর্তীতে বিশ্বের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে পুরস্কার ও প্রশংসা পেয়েছে, যা বাংলা চলচ্চিত্রের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছিল।

এবার দর্শকদের প্রশ্ন হচ্ছে—বড় পর্দায় তাঁর প্রথম ছবি কেমন প্রতিক্রিয়া আনবে। শিল্পী ও নির্মাতা হিসেবে আদনান আল রাজীবের কথাগুলোতে দেখা যায়, এই ছবিটি তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি ও দীর্ঘদিনের ভাবনার প্রতিফলন হবে। সিনেমাটি কবে প্রশিক্ষণ শুরু করবে এবং পর্দায় কখন দেখা যাবে, তা নিয়ে সবকিছু শীঘ্রই জানানো হবে বলে তিনি ভক্তদের আশ্বাস দিয়েছেন।