০৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাজেট বিলে: প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ তথ্যমন্ত্রী: গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার কেবল ‘সহায়ক’ থাকলেও কার্যকর পার্টনার হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা দাবি করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার কেবল ‘সহায়ক’: তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর আন্তর্জাতিক ভূমিকার দাবি জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকার নির্দেশ: সংসদ ভবন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন জোরদার করুন রিজার্ভ চুরির মহাকেলেঙ্কারিতে ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত শরফ উদ্দিন বস্ত্র ও পাটের সচিব, খায়রুল কবীর এনএপিডির নতুন মহাপরিচালক বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে চট্টগ্রাম-মাতারবাড়িতে দুই মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল: মন্ত্রিপরিষদ সচিব হজ শেষে দেশে ফিরলেন ৫৭,৬৯৯ হাজি; মৃত্যু ৫২

আশা জাগিয়েও ৭ রানে হেরে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরে সিরিজ নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অজিরা দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৮৯ রান, ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিল অস্ট্রেলিয়া।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নায় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার ম্যাট রেনশরের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে অজিরা ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে। রেনশর ৫২ বলে অপরাজিত ৮৯ রান করেন, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। পাশাপাশি মাঝপথে টিম ডেভিড ২৬ বলেই ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যা দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশের বোলিং বদলাতে গিয়ে নাসুম আহমেদ সবচেয়ে সফল ছিলেন; ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে তিনি ২ উইকেট নেন। তবে বাকি বোলাররা তুলনামূলকভাবে একটু খরুচে বল করে যান—বিশেষ করে সিরিজের শেষ ওভারটি মোস্তাফিজুর রহমান করেছেন, যেখানে তিনি ১৮ রান দেন।

রান তাড়া করতে নামে বাংলাদেশ এবং শুরুটা বেশ আশাব্যঞ্জক হয়। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ১৫ বলে ঝাঁপিয়ে ৩০ রান করেন, এরপর সাইফ হাসান ইনিংসের কমান্ড নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ৪২ রান করেন। তারা পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে ভাল জুটি গড়তে সক্ষম হন; পারভেজ করেন ৩৬ রান। সৌম্য সরকারও ১৫ রানের একটি দ্রুত ইনিংস খেলেন এবং অ্যাডাম জাম্পার হাতে ব্যাট তুলে দেন।

তবে ম্যাচের শেষ পর্যায়ে চাপ সামলাতে পারেনি টাইগাররা। শেষ ৪ ওভার থেকে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। ১৭তম ওভারে অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত উইকেটে মাত্র ২ রান আসে এবং সঙ্গে শামীম পাটোয়ারী কোনো রান না করেই আউট হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থামে ১৮৯ রানে এবং জয়ের কেবল ৭ রান দূরে থামে।

এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন ছিল—শরীফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসানের পরিবর্তে প্রথমাদর্শ নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদ সুযোগ পেয়ে খেলেন। এই বদলগুলো সত্ত্বেও হার আটকানো সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচটিও বাংলাদেশ হেরেছিল ৪ উইকেটে।

সংক্ষিপ্তভাবে বললে, আত্মবিশ্বাসী কিছু ব্যাটিং প্রদর্শন ও সাহসী লড়াই থাকলেও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে শেষ পর্যায়ে রানের অভাব এবং কয়েকটি সময়োপযোগী উইকেটের কারণে বাংলাদেশ সিরিজে প্রতিশোধ নিতে পারল না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বাজেট বিলে: প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

আশা জাগিয়েও ৭ রানে হেরে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরে সিরিজ নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অজিরা দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৮৯ রান, ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিল অস্ট্রেলিয়া।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নায় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার ম্যাট রেনশরের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে অজিরা ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে। রেনশর ৫২ বলে অপরাজিত ৮৯ রান করেন, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। পাশাপাশি মাঝপথে টিম ডেভিড ২৬ বলেই ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যা দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশের বোলিং বদলাতে গিয়ে নাসুম আহমেদ সবচেয়ে সফল ছিলেন; ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে তিনি ২ উইকেট নেন। তবে বাকি বোলাররা তুলনামূলকভাবে একটু খরুচে বল করে যান—বিশেষ করে সিরিজের শেষ ওভারটি মোস্তাফিজুর রহমান করেছেন, যেখানে তিনি ১৮ রান দেন।

রান তাড়া করতে নামে বাংলাদেশ এবং শুরুটা বেশ আশাব্যঞ্জক হয়। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ১৫ বলে ঝাঁপিয়ে ৩০ রান করেন, এরপর সাইফ হাসান ইনিংসের কমান্ড নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ৪২ রান করেন। তারা পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে ভাল জুটি গড়তে সক্ষম হন; পারভেজ করেন ৩৬ রান। সৌম্য সরকারও ১৫ রানের একটি দ্রুত ইনিংস খেলেন এবং অ্যাডাম জাম্পার হাতে ব্যাট তুলে দেন।

তবে ম্যাচের শেষ পর্যায়ে চাপ সামলাতে পারেনি টাইগাররা। শেষ ৪ ওভার থেকে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। ১৭তম ওভারে অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত উইকেটে মাত্র ২ রান আসে এবং সঙ্গে শামীম পাটোয়ারী কোনো রান না করেই আউট হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থামে ১৮৯ রানে এবং জয়ের কেবল ৭ রান দূরে থামে।

এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন ছিল—শরীফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসানের পরিবর্তে প্রথমাদর্শ নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদ সুযোগ পেয়ে খেলেন। এই বদলগুলো সত্ত্বেও হার আটকানো সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচটিও বাংলাদেশ হেরেছিল ৪ উইকেটে।

সংক্ষিপ্তভাবে বললে, আত্মবিশ্বাসী কিছু ব্যাটিং প্রদর্শন ও সাহসী লড়াই থাকলেও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে শেষ পর্যায়ে রানের অভাব এবং কয়েকটি সময়োপযোগী উইকেটের কারণে বাংলাদেশ সিরিজে প্রতিশোধ নিতে পারল না।