০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ

কিম জং উনের নির্দেশ: পারমাণবিক শক্তি ও সামরিক বাহিনী আধুনিকায়ন

উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে গুণগত ও পরিমাণগতভাবে আরও শক্তিশালী করার এবং সামরিক বাহিনীকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ, যা পরে রয়টার্সও প্রতিবেদন করেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের একটি সম্প্রসারিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে কিম জং উন জোর দিয়ে বলেছেন যে, একটি অজেয় ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলাই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং দীর্ঘমেয়াদী ‘প্রকৃত শান্তি’ স্থাপনের একমাত্র পথ। তিনি জানিয়েছেন, আধুনিক ও শক্তিশালী সেনাবাহিনীই বহিরাগত হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।

বৈঠকে সামরিক প্রযুক্তিগত অবকাঠামো আধুনিকায়নের একটি সুসংহত পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রাগার সম্প্রসারণ এবং সামরিক ঘাঁটিগুলোকে আধুনিক, বিশেষায়িত মানে উন্নীত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা রিকনাইস্যান্স জেনারেল ব্যুরোর ক্ষমতা ও কর্মপরিধি বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য গোয়েন্দা সংগ্রহ ও নজরদারি সক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো।

কেসিএনএ জানায় যে বৈঠকে অত্যাধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণ এবং জাহাজ নির্মাণ কারখানাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীর মর্যাদা ও কৌশলগত ভূমিকাকে বড় ধরনেরভাবে প্রভাবিত করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

সমগ্র পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—সামরিক ক্ষেত্রে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখাই পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান লক্ষ্য। রাষ্ট্রীয় সূত্রে প্রকাশিত এই সিদ্ধান্তে ভবিষ্যতে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত নীতিতে পরিবর্তন আসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আসুন সবুজ ও নিরাপদ বসতি গড়ে তুলি: প্রধানমন্ত্রী

কিম জং উনের নির্দেশ: পারমাণবিক শক্তি ও সামরিক বাহিনী আধুনিকায়ন

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে গুণগত ও পরিমাণগতভাবে আরও শক্তিশালী করার এবং সামরিক বাহিনীকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ, যা পরে রয়টার্সও প্রতিবেদন করেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের একটি সম্প্রসারিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে কিম জং উন জোর দিয়ে বলেছেন যে, একটি অজেয় ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলাই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং দীর্ঘমেয়াদী ‘প্রকৃত শান্তি’ স্থাপনের একমাত্র পথ। তিনি জানিয়েছেন, আধুনিক ও শক্তিশালী সেনাবাহিনীই বহিরাগত হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হবে।

বৈঠকে সামরিক প্রযুক্তিগত অবকাঠামো আধুনিকায়নের একটি সুসংহত পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্রাগার সম্প্রসারণ এবং সামরিক ঘাঁটিগুলোকে আধুনিক, বিশেষায়িত মানে উন্নীত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা রিকনাইস্যান্স জেনারেল ব্যুরোর ক্ষমতা ও কর্মপরিধি বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য গোয়েন্দা সংগ্রহ ও নজরদারি সক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো।

কেসিএনএ জানায় যে বৈঠকে অত্যাধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণ এবং জাহাজ নির্মাণ কারখানাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীর মর্যাদা ও কৌশলগত ভূমিকাকে বড় ধরনেরভাবে প্রভাবিত করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

সমগ্র পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—সামরিক ক্ষেত্রে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখাই পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান লক্ষ্য। রাষ্ট্রীয় সূত্রে প্রকাশিত এই সিদ্ধান্তে ভবিষ্যতে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত নীতিতে পরিবর্তন আসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।