১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইরানে টানা ১১তম দিনে মার্কিন হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি

ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে টানা একাদশ রাতেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী, সংবাদ সংস্থা এএফপির বরাতে জানিয়েছে হামলার তীব্রতা বেড়েছে।

সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি প্রচুর হওয়ায় সেই ক্ষমতা কমানোই লক্ষ্য করে ইরানের ওপর এই আঘাত করা হচ্ছে। তাদের ভাষ্যে, অভিযান শুরু হয় গত মঙ্গলবার গ্রিনিচ সময় রাত ২৩:০০টা থেকে এবং নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোকে ধরে নতুন করে কার্যক্রম চালানো হয়।

সেন্টকমের পরবর্তী বার্তায় বলা হয়েছে, বুধবার গ্রিনিচ সময় রাত ০০:১৫টা পর্যন্ত এই আক্রমণ পরিচালিত হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ইরানের সামরিক অপারেশন কেন্দ্র, নৌযুদ্ধ সামর্থ্য, যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার, ড্রোন মজুদ কেন্দ্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজের উপর ইরান আক্রমণ চালিয়েছে। সেন্টকম বলেছে, এসব উসকানিমূলক হামলায় শতাধিক নিরীহ নাবিকের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক নৌপথে অবাধ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

সেন্টকমের দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাস থেকে তারা প্রায় ৯০০টি জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে মার্কিন সামরিক পাহারা থাকার কারণে বিশ্ববাজারে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ব্যারেল কাঁচা তেল পরিবহন সম্ভব হয়েছে, বলে তারা দাবি করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক হামলা ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বজায় রাখতে নেওয়া একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও, পাল্টা প্রতিকার ও উত্তেজনার জবাব হিসেবে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতে কেমন রূপ নেবে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইরানে টানা ১১তম দিনে মার্কিন হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে টানা একাদশ রাতেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী, সংবাদ সংস্থা এএফপির বরাতে জানিয়েছে হামলার তীব্রতা বেড়েছে।

সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি প্রচুর হওয়ায় সেই ক্ষমতা কমানোই লক্ষ্য করে ইরানের ওপর এই আঘাত করা হচ্ছে। তাদের ভাষ্যে, অভিযান শুরু হয় গত মঙ্গলবার গ্রিনিচ সময় রাত ২৩:০০টা থেকে এবং নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোকে ধরে নতুন করে কার্যক্রম চালানো হয়।

সেন্টকমের পরবর্তী বার্তায় বলা হয়েছে, বুধবার গ্রিনিচ সময় রাত ০০:১৫টা পর্যন্ত এই আক্রমণ পরিচালিত হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ইরানের সামরিক অপারেশন কেন্দ্র, নৌযুদ্ধ সামর্থ্য, যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার, ড্রোন মজুদ কেন্দ্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ধ্বংসাত্মক হামলা চালানো হয়েছে।

মার্কিন বাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজের উপর ইরান আক্রমণ চালিয়েছে। সেন্টকম বলেছে, এসব উসকানিমূলক হামলায় শতাধিক নিরীহ নাবিকের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক নৌপথে অবাধ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

সেন্টকমের দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাস থেকে তারা প্রায় ৯০০টি জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করেছে। একই সময়ে মার্কিন সামরিক পাহারা থাকার কারণে বিশ্ববাজারে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ব্যারেল কাঁচা তেল পরিবহন সম্ভব হয়েছে, বলে তারা দাবি করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক হামলা ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বজায় রাখতে নেওয়া একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও, পাল্টা প্রতিকার ও উত্তেজনার জবাব হিসেবে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতে কেমন রূপ নেবে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।