০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারো ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল বুধবার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রস রিজার্ভ পৌঁছে গেছে ৩১ বিলিয়ন ৩৩ লাখ ডলারে। একই সময়ে, আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, অর্থাৎ বিপিএম-৬ অনুসারে, রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৬ বিলিয়ন ৩১ লাখ ডলারে। এর আগে, গত রোববার সরকারের 공유 হিসাব অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের পদ্ধতিতে ছিল ২৫ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে, বাংলাদেশ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) এককালীন ২০২ কোটি ডলারের পরিশোধ করে। এর ফলে, গ্রস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী নেমে আসে ২৪ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নেওয়া ঋণের কারণে গত জুনের শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে যায় ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে, যা শেষ ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রথমবারের মতো, ২০২৩ সালের মার্চের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩২ বিলিয়ন ডলার নিচে নেমে আসে। এরপর, জুন শেষে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন থেকে আইএমএফের শর্ত মেনে বিপিএম-৬ অনুসারে হিসাব প্রকাশ করছে, যেখানে জুনে রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশের ইতিহাসে, আগস্ট ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। পরে অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অন্যান্য কারণে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকায়, গত জুলাইয়ে তা পৌঁছেছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। সরকার পতনের পর, অর্থ পাচার কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে ডলার প্রবাহ বেড়েছে। হুন্ডির প্রবাহ কমে যাওয়ায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। চলতি অর্থবছরের ২০ আগস্ট পর্যন্ত, রেমিট্যান্স এসেছে ৪১২ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারো ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল বুধবার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রস রিজার্ভ পৌঁছে গেছে ৩১ বিলিয়ন ৩৩ লাখ ডলারে। একই সময়ে, আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, অর্থাৎ বিপিএম-৬ অনুসারে, রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৬ বিলিয়ন ৩১ লাখ ডলারে। এর আগে, গত রোববার সরকারের 공유 হিসাব অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের পদ্ধতিতে ছিল ২৫ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে, বাংলাদেশ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) এককালীন ২০২ কোটি ডলারের পরিশোধ করে। এর ফলে, গ্রস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী নেমে আসে ২৪ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ের বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নেওয়া ঋণের কারণে গত জুনের শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে যায় ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে, যা শেষ ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রথমবারের মতো, ২০২৩ সালের মার্চের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩২ বিলিয়ন ডলার নিচে নেমে আসে। এরপর, জুন শেষে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন থেকে আইএমএফের শর্ত মেনে বিপিএম-৬ অনুসারে হিসাব প্রকাশ করছে, যেখানে জুনে রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশের ইতিহাসে, আগস্ট ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। পরে অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অন্যান্য কারণে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকায়, গত জুলাইয়ে তা পৌঁছেছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। সরকার পতনের পর, অর্থ পাচার কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে ডলার প্রবাহ বেড়েছে। হুন্ডির প্রবাহ কমে যাওয়ায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয় প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। চলতি অর্থবছরের ২০ আগস্ট পর্যন্ত, রেমিট্যান্স এসেছে ৪১২ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।