০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৫। এই দিনে ইউনেস্কো বিশেষ করে তুলে ধরেছে ‘প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার’ এই প্রতিপাদ্যটি। দেশের শিক্ষা উন্নয়নে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন নেতা অংশগ্রহণ করবেন। এই আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি এই দিবসের জন্য একটি মানবিক বাণী প্রদান করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে এটি বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে এ দিনটি উদযাপিত হয়ে আসছে। সাক্ষরতা উন্নয়নে এই দিনটির গুরুত্ব বেশি কারণ তা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে এই বিষয়ের সংজ্ঞায় ছোটখাটো পার্থক্য থাকলেও, ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো সাধারণ একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। অতীতে শুধু নাম লেখার সক্ষমতাই সাক্ষরতার মানদণ্ড ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সংজ্ঞায় পরিবর্তন আসতে থাকলো। ১৯৯৩ সালে নির্দিষ্ট তিনটি শর্তে স্পষ্ট করা হয় যে, একজন ব্যক্তিকে সাক্ষর বলা হবে যদি সে নিজের ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে, লিখতে এবং সাধারণ জীবনের হিসাব-নিকাশ করতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নিরক্ষরতা দূর করা একান্ত প্রয়োজন। দেশের সংবিধানে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে ওই লক্ষ্য সাধনের প্রয়াস চালানো হচ্ছে। এভাবেই সাক্ষরতা ও উন্নয়ন সম্পর্কিত। এই উপায় দ্বারা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব, কারণ শিক্ষা ও জ্ঞান ছাড়া টেকসই সমাজ গঠন কঠিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৫। এই দিনে ইউনেস্কো বিশেষ করে তুলে ধরেছে ‘প্রযুক্তির যুগে সাক্ষরতার প্রসার’ এই প্রতিপাদ্যটি। দেশের শিক্ষা উন্নয়নে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন নেতা অংশগ্রহণ করবেন। এই আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি এই দিবসের জন্য একটি মানবিক বাণী প্রদান করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে এটি বিশ্বব্যাপী এবং ১৯৭২ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে এ দিনটি উদযাপিত হয়ে আসছে। সাক্ষরতা উন্নয়নে এই দিনটির গুরুত্ব বেশি কারণ তা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে এই বিষয়ের সংজ্ঞায় ছোটখাটো পার্থক্য থাকলেও, ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো সাধারণ একটি সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। অতীতে শুধু নাম লেখার সক্ষমতাই সাক্ষরতার মানদণ্ড ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সংজ্ঞায় পরিবর্তন আসতে থাকলো। ১৯৯৩ সালে নির্দিষ্ট তিনটি শর্তে স্পষ্ট করা হয় যে, একজন ব্যক্তিকে সাক্ষর বলা হবে যদি সে নিজের ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে, লিখতে এবং সাধারণ জীবনের হিসাব-নিকাশ করতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নিরক্ষরতা দূর করা একান্ত প্রয়োজন। দেশের সংবিধানে অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে ওই লক্ষ্য সাধনের প্রয়াস চালানো হচ্ছে। এভাবেই সাক্ষরতা ও উন্নয়ন সম্পর্কিত। এই উপায় দ্বারা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব, কারণ শিক্ষা ও জ্ঞান ছাড়া টেকসই সমাজ গঠন কঠিন।