০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

জাতীয় স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ ও জবাবদিহীমূলক গণমাধ্যম অপরিহার্য: পরিবেশ উপদেষ্টা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ গণমাধ্যম অপরিহার্য। রোববার ঢাকায় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যমের সংস্কার ও উন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে পাঁচজন উপদেষ্টা রয়েছেন, যারা শুধুমাত্র কমিশনের সুপারিশ নয়, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করছেন এবং পরামর্শ দিচ্ছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যত বেশি সমর্থন ও ঐক্য নিয়ে সংস্কার কার্যক শুরু হবে, ততই স্থায়ী ও কার্যকর হবে। তিনি শ্রোতাদের অবহিত করেন, বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম একটি অন্তর্বর্তী সরকারের চাওয়া হওয়ার পাশাপাশি দেশের স্বার্থে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার গুরুত্ব অপরিহার্য।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়লে তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। তিনি আরো জানান, গণতন্ত্রের স্বার্থে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ ও জবাবদিহিমূলক হওয়া দরকার; কাগজে পরিবর্তন আসলেই যথেষ্ট নয়, মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনও জরুরি। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়ে আলাদা গণমাধ্যম কমিশন গঠন করেছে। সুপারিশের বাস্তবায়ন ও কার্যকরের জন্য এখন কাজ চলমান।

সাংবাদিকের পেশাগত উৎকর্ষতা, স্ব-নিয়ন্ত্রণ (সেল্ফ-রেগুলেশন), সেক্টরাল ঐক্য এবং গণমাধ্যমের অর্থনীতি ও শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, সরকার মব জাস্টিসের বিরোধী, কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনছে। পাশাপাশি তিনি গণমাধ্যমে নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা ও জনগণের আস্থা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।

অবশেষে বলেন, যদি আমরা সবাই মিলে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি, তা হলে সেটি টেকসই হবে। সরকার সহায়তা করবে, কিন্তু এর টেকসইতা ও সম্প্রসারণের মূল দায়িত্ব গণমাধ্যমকেই নিতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার ট্রাস্টির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সেন্টারের সদস্যসচিব ইলিয়াস হোসেন এবং বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

জাতীয় স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ ও জবাবদিহীমূলক গণমাধ্যম অপরিহার্য: পরিবেশ উপদেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ গণমাধ্যম অপরিহার্য। রোববার ঢাকায় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যমের সংস্কার ও উন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে পাঁচজন উপদেষ্টা রয়েছেন, যারা শুধুমাত্র কমিশনের সুপারিশ নয়, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করছেন এবং পরামর্শ দিচ্ছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যত বেশি সমর্থন ও ঐক্য নিয়ে সংস্কার কার্যক শুরু হবে, ততই স্থায়ী ও কার্যকর হবে। তিনি শ্রোতাদের অবহিত করেন, বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম একটি অন্তর্বর্তী সরকারের চাওয়া হওয়ার পাশাপাশি দেশের স্বার্থে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার গুরুত্ব অপরিহার্য।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়লে তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। তিনি আরো জানান, গণতন্ত্রের স্বার্থে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ ও জবাবদিহিমূলক হওয়া দরকার; কাগজে পরিবর্তন আসলেই যথেষ্ট নয়, মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনও জরুরি। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়ে আলাদা গণমাধ্যম কমিশন গঠন করেছে। সুপারিশের বাস্তবায়ন ও কার্যকরের জন্য এখন কাজ চলমান।

সাংবাদিকের পেশাগত উৎকর্ষতা, স্ব-নিয়ন্ত্রণ (সেল্ফ-রেগুলেশন), সেক্টরাল ঐক্য এবং গণমাধ্যমের অর্থনীতি ও শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, সরকার মব জাস্টিসের বিরোধী, কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনছে। পাশাপাশি তিনি গণমাধ্যমে নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা ও জনগণের আস্থা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।

অবশেষে বলেন, যদি আমরা সবাই মিলে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি, তা হলে সেটি টেকসই হবে। সরকার সহায়তা করবে, কিন্তু এর টেকসইতা ও সম্প্রসারণের মূল দায়িত্ব গণমাধ্যমকেই নিতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার ট্রাস্টির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সেন্টারের সদস্যসচিব ইলিয়াস হোসেন এবং বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন।