০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা একটি দল। এই ঐতিহাসিক আদর্শকে আমরা গভীরভাবে ধারণ করে থাকি ও লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আঘাত হানে, গণহত্যা চালায়। তখন একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিদ্রোহ ঘোষণা করছি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।’ এই বিদ্রোহের কারণে তাকে কোর্ট মার্শালে বিচার ও ফাঁসির শিকার হতে হয়েছিল, তবে তিনি দেশ মাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে সৈনিকের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মন্টু কলেজ মাঠে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসএম জিলানী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাধারণত রাজনৈতিক নেতারা দেশের মুক্তির ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। সাধারণ জনগণ তখন নানা সংকটে ছিল, কোনো নেতা বা সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, যদি দ্রুত স্বাধীনতার ঘোষণা না হয়, তাহলে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। এই ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন অসম্ভব। সমাবেশে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা একটি দল। এই ঐতিহাসিক আদর্শকে আমরা গভীরভাবে ধারণ করে থাকি ও লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আঘাত হানে, গণহত্যা চালায়। তখন একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিদ্রোহ ঘোষণা করছি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।’ এই বিদ্রোহের কারণে তাকে কোর্ট মার্শালে বিচার ও ফাঁসির শিকার হতে হয়েছিল, তবে তিনি দেশ মাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে সৈনিকের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মন্টু কলেজ মাঠে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসএম জিলানী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাধারণত রাজনৈতিক নেতারা দেশের মুক্তির ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। সাধারণ জনগণ তখন নানা সংকটে ছিল, কোনো নেতা বা সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, যদি দ্রুত স্বাধীনতার ঘোষণা না হয়, তাহলে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। এই ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন অসম্ভব। সমাবেশে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।