০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা একটি দল। এই ঐতিহাসিক আদর্শকে আমরা গভীরভাবে ধারণ করে থাকি ও লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আঘাত হানে, গণহত্যা চালায়। তখন একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিদ্রোহ ঘোষণা করছি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।’ এই বিদ্রোহের কারণে তাকে কোর্ট মার্শালে বিচার ও ফাঁসির শিকার হতে হয়েছিল, তবে তিনি দেশ মাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে সৈনিকের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মন্টু কলেজ মাঠে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসএম জিলানী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাধারণত রাজনৈতিক নেতারা দেশের মুক্তির ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। সাধারণ জনগণ তখন নানা সংকটে ছিল, কোনো নেতা বা সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, যদি দ্রুত স্বাধীনতার ঘোষণা না হয়, তাহলে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। এই ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন অসম্ভব। সমাবেশে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা একটি দল। এই ঐতিহাসিক আদর্শকে আমরা গভীরভাবে ধারণ করে থাকি ও লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আঘাত হানে, গণহত্যা চালায়। তখন একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিদ্রোহ ঘোষণা করছি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।’ এই বিদ্রোহের কারণে তাকে কোর্ট মার্শালে বিচার ও ফাঁসির শিকার হতে হয়েছিল, তবে তিনি দেশ মাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে সৈনিকের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মন্টু কলেজ মাঠে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসএম জিলানী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাধারণত রাজনৈতিক নেতারা দেশের মুক্তির ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। সাধারণ জনগণ তখন নানা সংকটে ছিল, কোনো নেতা বা সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, যদি দ্রুত স্বাধীনতার ঘোষণা না হয়, তাহলে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। এই ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন অসম্ভব। সমাবেশে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।