০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা একটি দল। এই ঐতিহাসিক আদর্শকে আমরা গভীরভাবে ধারণ করে থাকি ও লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আঘাত হানে, গণহত্যা চালায়। তখন একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিদ্রোহ ঘোষণা করছি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।’ এই বিদ্রোহের কারণে তাকে কোর্ট মার্শালে বিচার ও ফাঁসির শিকার হতে হয়েছিল, তবে তিনি দেশ মাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে সৈনিকের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মন্টু কলেজ মাঠে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসএম জিলানী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাধারণত রাজনৈতিক নেতারা দেশের মুক্তির ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। সাধারণ জনগণ তখন নানা সংকটে ছিল, কোনো নেতা বা সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, যদি দ্রুত স্বাধীনতার ঘোষণা না হয়, তাহলে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। এই ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন অসম্ভব। সমাবেশে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা একটি দল। এই ঐতিহাসিক আদর্শকে আমরা গভীরভাবে ধারণ করে থাকি ও লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আঘাত হানে, গণহত্যা চালায়। তখন একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিদ্রোহ ঘোষণা করছি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে।’ এই বিদ্রোহের কারণে তাকে কোর্ট মার্শালে বিচার ও ফাঁসির শিকার হতে হয়েছিল, তবে তিনি দেশ মাতৃকার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে সৈনিকের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মন্টু কলেজ মাঠে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসএম জিলানী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে জানা যায়, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সাধারণত রাজনৈতিক নেতারা দেশের মুক্তির ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। সাধারণ জনগণ তখন নানা সংকটে ছিল, কোনো নেতা বা সংগঠন নেতৃত্ব দেয়নি। জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, যদি দ্রুত স্বাধীনতার ঘোষণা না হয়, তাহলে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হবে না। এই ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জন অসম্ভব। সমাবেশে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।