০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন শুরু

বাংলা সাহিত্যের অমর কথাসাহিত্যিক ও সৃজনশীল লেখক মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ। তাঁর স্মৃতি ও সাহিত্যের ধারাকে সম্মাননা জানাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালির লাহিনীপাড়ায় দুই দিনব্যাপী এই জন্মোৎসব শুরু হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগितায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ নভেম্বর।

আয়োজনে সজ্জিত হয়েছে একটি বিশাল গ্রামীণ মেলা, যেখানে বাহারি রঙের পসরা সাজিয়ে দোকানিরা দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছেন। স্থানীয় শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার মানুষ এই উৎসবে অংশ নিচ্ছেন, যাতে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রাণ জেগে উঠছে।

দ্বিতীয় দিনটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বিকেলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়ায় বুকের ধাক্কা দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করবেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম।

প্রথম দিন বিকেলে শুরু হবে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার আসর ও আলোচনা সভা। এরপর রাত পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাট্য পরিবেশন। দিনটিতে মঞ্চে আলোকিত হবে কবির জনপ্রিয় নাটক ‘জমিদার দর্পণ’।

অবশেষে, শুক্রবার মধ্যরাতে কবির কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ অবলম্বনে নাটক ‘এজিদের পরিণতি’ প্রদর্শিত হবে, যা দিয়ে এই বিশাল জন্মোৎসব শেষ হবে।

মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গৌর নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার অন্যতম প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রচয়িতা, যাঁর জীবন ও সাহিত্য আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান। তার বাবার নাম সৈয়দ মীর মুয়াজ্জম হোসেন এবং মায়ের নাম দৌলতন নেছা। ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তিনি পরলোকে চলে যান, এরপর তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুরে সমাহিত করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, ‘কবির ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই উপলক্ষ্যে বিশেষ দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং আমরা গর্বিত এই মহৎ উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

বাংলা সাহিত্যের অমর কথাসাহিত্যিক ও সৃজনশীল লেখক মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ। তাঁর স্মৃতি ও সাহিত্যের ধারাকে সম্মাননা জানাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালির লাহিনীপাড়ায় দুই দিনব্যাপী এই জন্মোৎসব শুরু হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগितায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ নভেম্বর।

আয়োজনে সজ্জিত হয়েছে একটি বিশাল গ্রামীণ মেলা, যেখানে বাহারি রঙের পসরা সাজিয়ে দোকানিরা দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছেন। স্থানীয় শিল্পী, সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার মানুষ এই উৎসবে অংশ নিচ্ছেন, যাতে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রাণ জেগে উঠছে।

দ্বিতীয় দিনটি বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বিকেলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়ায় বুকের ধাক্কা দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করবেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম।

প্রথম দিন বিকেলে শুরু হবে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলার আসর ও আলোচনা সভা। এরপর রাত পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাট্য পরিবেশন। দিনটিতে মঞ্চে আলোকিত হবে কবির জনপ্রিয় নাটক ‘জমিদার দর্পণ’।

অবশেষে, শুক্রবার মধ্যরাতে কবির কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ অবলম্বনে নাটক ‘এজিদের পরিণতি’ প্রদর্শিত হবে, যা দিয়ে এই বিশাল জন্মোৎসব শেষ হবে।

মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গৌর নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলার অন্যতম প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রচয়িতা, যাঁর জীবন ও সাহিত্য আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান। তার বাবার নাম সৈয়দ মীর মুয়াজ্জম হোসেন এবং মায়ের নাম দৌলতন নেছা। ১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তিনি পরলোকে চলে যান, এরপর তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নবাবপুরে সমাহিত করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, ‘কবির ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই উপলক্ষ্যে বিশেষ দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং আমরা গর্বিত এই মহৎ উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য।’