০৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লালু ও তার ৩ সহযোগী আটক

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং চারটি হত্যাকাণ্ডসহ মোট ২৩ মামলার আসামি সাজেদুল হক লালু ও তার তিন সহযোগীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনভর অভিযান চালিয়ে আটক করে। তাদের আটক করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা এবং রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে। দুপুরের পর একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জেলা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, হোগলাকান্দি গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে সাজেদুল হক লালু (৪৫), চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে শাকিল (২৭), একই গ্রামের মৃত মাহমুদ হোসেনের ছেলে দুইজন—আলাউদ্দিন (৬৫) ও জসিম (৪৫)।

গজারিয়া থানার এক অফিসার জানান, ২৬ নভেম্বর রাতে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাউনিয়া গ্রামে টিকটক ভিডিও তৈরির নাম করে এক যুবক জয় সরকারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহারে নাম রয়েছে এই চারজনের। এরপর থেকেই তারা পলাতক ছিল।

অভিযানকালে র‍্যাব-৩ তাদের আটক করে রাতের দিকে হাতিরঝিল থেকে, আর র‍্যাব-১১ এর একটি দল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে শাকিলকে, কাচপুর বালুর মাঠ থেকে আলাউদ্দিনকে এবং ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে। পরে বুধবার গভীর রাতে هؤلاء সবাই গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী বলেন, লালু গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অস্ত্র, মাদক, মারামারি এবং নানা ধরনের অপরাধে অন্তত ২৩টি মামলা রয়েছে। তার গ্রেপ্তারিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিয়াম এসেছে এবং বাকি আসামিদের দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শীর্ষ সন্ত্রাসী লালুর গ্রেপ্তার ঘটনায় নিহত জয় সরকার এর বোন জান্নাতি আক্তার ও নিহত মান্নানের স্ত্রী সুমি আক্তার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সুমি আক্তার বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস পরে লালু আইনের হাতে ধরা পড়ছে। কয়েক মাস আগে মান্নান হত্যার পর তাকে আইনের আওতায় আনা হলে হয়তো আর এই ধরনের অপরাধে জড়াতে পারত না। আমি চাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হোক, কারণ অপরাধের জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কিছু নয়।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লালু ও তার ৩ সহযোগী আটক

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং চারটি হত্যাকাণ্ডসহ মোট ২৩ মামলার আসামি সাজেদুল হক লালু ও তার তিন সহযোগীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনভর অভিযান চালিয়ে আটক করে। তাদের আটক করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা এবং রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে। দুপুরের পর একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জেলা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, হোগলাকান্দি গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে সাজেদুল হক লালু (৪৫), চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে শাকিল (২৭), একই গ্রামের মৃত মাহমুদ হোসেনের ছেলে দুইজন—আলাউদ্দিন (৬৫) ও জসিম (৪৫)।

গজারিয়া থানার এক অফিসার জানান, ২৬ নভেম্বর রাতে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাউনিয়া গ্রামে টিকটক ভিডিও তৈরির নাম করে এক যুবক জয় সরকারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহারে নাম রয়েছে এই চারজনের। এরপর থেকেই তারা পলাতক ছিল।

অভিযানকালে র‍্যাব-৩ তাদের আটক করে রাতের দিকে হাতিরঝিল থেকে, আর র‍্যাব-১১ এর একটি দল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে শাকিলকে, কাচপুর বালুর মাঠ থেকে আলাউদ্দিনকে এবং ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে। পরে বুধবার গভীর রাতে هؤلاء সবাই গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী বলেন, লালু গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অস্ত্র, মাদক, মারামারি এবং নানা ধরনের অপরাধে অন্তত ২৩টি মামলা রয়েছে। তার গ্রেপ্তারিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিয়াম এসেছে এবং বাকি আসামিদের দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শীর্ষ সন্ত্রাসী লালুর গ্রেপ্তার ঘটনায় নিহত জয় সরকার এর বোন জান্নাতি আক্তার ও নিহত মান্নানের স্ত্রী সুমি আক্তার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সুমি আক্তার বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস পরে লালু আইনের হাতে ধরা পড়ছে। কয়েক মাস আগে মান্নান হত্যার পর তাকে আইনের আওতায় আনা হলে হয়তো আর এই ধরনের অপরাধে জড়াতে পারত না। আমি চাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হোক, কারণ অপরাধের জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কিছু নয়।’