০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লালু ও তার ৩ সহযোগী আটক

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং চারটি হত্যাকাণ্ডসহ মোট ২৩ মামলার আসামি সাজেদুল হক লালু ও তার তিন সহযোগীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনভর অভিযান চালিয়ে আটক করে। তাদের আটক করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা এবং রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে। দুপুরের পর একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জেলা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, হোগলাকান্দি গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে সাজেদুল হক লালু (৪৫), চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে শাকিল (২৭), একই গ্রামের মৃত মাহমুদ হোসেনের ছেলে দুইজন—আলাউদ্দিন (৬৫) ও জসিম (৪৫)।

গজারিয়া থানার এক অফিসার জানান, ২৬ নভেম্বর রাতে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাউনিয়া গ্রামে টিকটক ভিডিও তৈরির নাম করে এক যুবক জয় সরকারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহারে নাম রয়েছে এই চারজনের। এরপর থেকেই তারা পলাতক ছিল।

অভিযানকালে র‍্যাব-৩ তাদের আটক করে রাতের দিকে হাতিরঝিল থেকে, আর র‍্যাব-১১ এর একটি দল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে শাকিলকে, কাচপুর বালুর মাঠ থেকে আলাউদ্দিনকে এবং ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে। পরে বুধবার গভীর রাতে هؤلاء সবাই গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী বলেন, লালু গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অস্ত্র, মাদক, মারামারি এবং নানা ধরনের অপরাধে অন্তত ২৩টি মামলা রয়েছে। তার গ্রেপ্তারিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিয়াম এসেছে এবং বাকি আসামিদের দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শীর্ষ সন্ত্রাসী লালুর গ্রেপ্তার ঘটনায় নিহত জয় সরকার এর বোন জান্নাতি আক্তার ও নিহত মান্নানের স্ত্রী সুমি আক্তার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সুমি আক্তার বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস পরে লালু আইনের হাতে ধরা পড়ছে। কয়েক মাস আগে মান্নান হত্যার পর তাকে আইনের আওতায় আনা হলে হয়তো আর এই ধরনের অপরাধে জড়াতে পারত না। আমি চাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হোক, কারণ অপরাধের জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কিছু নয়।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী লালু ও তার ৩ সহযোগী আটক

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং চারটি হত্যাকাণ্ডসহ মোট ২৩ মামলার আসামি সাজেদুল হক লালু ও তার তিন সহযোগীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনভর অভিযান চালিয়ে আটক করে। তাদের আটক করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা এবং রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে। দুপুরের পর একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জেলা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, হোগলাকান্দি গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে সাজেদুল হক লালু (৪৫), চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে শাকিল (২৭), একই গ্রামের মৃত মাহমুদ হোসেনের ছেলে দুইজন—আলাউদ্দিন (৬৫) ও জসিম (৪৫)।

গজারিয়া থানার এক অফিসার জানান, ২৬ নভেম্বর রাতে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাউনিয়া গ্রামে টিকটক ভিডিও তৈরির নাম করে এক যুবক জয় সরকারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহারে নাম রয়েছে এই চারজনের। এরপর থেকেই তারা পলাতক ছিল।

অভিযানকালে র‍্যাব-৩ তাদের আটক করে রাতের দিকে হাতিরঝিল থেকে, আর র‍্যাব-১১ এর একটি দল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে শাকিলকে, কাচপুর বালুর মাঠ থেকে আলাউদ্দিনকে এবং ফতুল্লা থানা এলাকা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে। পরে বুধবার গভীর রাতে هؤلاء সবাই গজারিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী বলেন, লালু গজারিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চারটি হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অস্ত্র, মাদক, মারামারি এবং নানা ধরনের অপরাধে অন্তত ২৩টি মামলা রয়েছে। তার গ্রেপ্তারিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিয়াম এসেছে এবং বাকি আসামিদের দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শীর্ষ সন্ত্রাসী লালুর গ্রেপ্তার ঘটনায় নিহত জয় সরকার এর বোন জান্নাতি আক্তার ও নিহত মান্নানের স্ত্রী সুমি আক্তার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সুমি আক্তার বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস পরে লালু আইনের হাতে ধরা পড়ছে। কয়েক মাস আগে মান্নান হত্যার পর তাকে আইনের আওতায় আনা হলে হয়তো আর এই ধরনের অপরাধে জড়াতে পারত না। আমি চাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হোক, কারণ অপরাধের জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কিছু নয়।’