০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

শুল্ক কমানো হয়েছে, এনইআইআর বন্ধ হবে না: ফয়েজ তৈয়্যব

প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) পদ্ধতিকে বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ফয়েজ আহমদ উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দাবি জানিয়ে আসছেন, যার প্রতিফলন হিসেবে ইতিমধ্যে মোবাইল আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। এর ফলে, এনইআইআর পদ্ধতিকে বন্ধ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এই পদ্ধতি গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের যোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশের মোবাইল বাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, এখনো প্রতিবছর বাংলাদেশে আমদানি হওয়া মোবাইল সেটের প্রায় অর্ধেকই অবৈধ পথে, রেকর্ডের বাইরে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আসছে। এসব অপ্রমাণিত এবং জাল নকল, কপি বা পুরানো মোবাইল সেটগুলো পরে নতুন বডি বা কেসিং লাগিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, যা প্রতারণামূলক এবং বিপুল আর্থিক ক্ষতি সাধন করছে। এরফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, আর একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এসব জালিয়াতি ও অসাধু ব্যবসা আর চালানো চলবে না। এনইআইআর পদ্ধতি এই অরাজকতা বন্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়াও, সম্প্রতি বিটিআরসি ভবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ব্যাপারে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেছিলেন যে, হামলা ও ভাঙচুরের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট বা রাষ্ট্রের কার্যক্রমে বাধা দিতে সহনশীল নয়। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে একটি উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পিছপা হবে না। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের উত্সাহিত করেন বৈধ পথে ব্যবসা চালানোর জন্য। সরকারের মূল লক্ষ্য এখন রাজস্ব বৃদ্ধি ও মানসম্পন্ন মোবাইল হ্যান্ডসেট নিশ্চিত করা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

শুল্ক কমানো হয়েছে, এনইআইআর বন্ধ হবে না: ফয়েজ তৈয়্যব

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) পদ্ধতিকে বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। রবিবার দুপুরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ফয়েজ আহমদ উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দাবি জানিয়ে আসছেন, যার প্রতিফলন হিসেবে ইতিমধ্যে মোবাইল আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। এর ফলে, এনইআইআর পদ্ধতিকে বন্ধ করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এই পদ্ধতি গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের যোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশের মোবাইল বাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, এখনো প্রতিবছর বাংলাদেশে আমদানি হওয়া মোবাইল সেটের প্রায় অর্ধেকই অবৈধ পথে, রেকর্ডের বাইরে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আসছে। এসব অপ্রমাণিত এবং জাল নকল, কপি বা পুরানো মোবাইল সেটগুলো পরে নতুন বডি বা কেসিং লাগিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে, যা প্রতারণামূলক এবং বিপুল আর্থিক ক্ষতি সাধন করছে। এরফলে সাধারণ ক্রেতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, আর একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এসব জালিয়াতি ও অসাধু ব্যবসা আর চালানো চলবে না। এনইআইআর পদ্ধতি এই অরাজকতা বন্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়াও, সম্প্রতি বিটিআরসি ভবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ব্যাপারে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেছিলেন যে, হামলা ও ভাঙচুরের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট বা রাষ্ট্রের কার্যক্রমে বাধা দিতে সহনশীল নয়। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে একটি উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার যেকোনো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পিছপা হবে না। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের উত্সাহিত করেন বৈধ পথে ব্যবসা চালানোর জন্য। সরকারের মূল লক্ষ্য এখন রাজস্ব বৃদ্ধি ও মানসম্পন্ন মোবাইল হ্যান্ডসেট নিশ্চিত করা।