০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাংলাদেশিদের মার্কিন ভিসায় বিজনেস ও ট্যুরিজমের জন্য জামানত বাধ্যতামূলক

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় বাংলাদেশিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে এসেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু করে বি১ ও বি২ ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদনকারীরা now_includes=০৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড জমা দিতে হবে। মূল লক্ষ্য হলো ভিসার অপব্যবহার, নির্দিষ্ট সময়ের পর অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা ওভারস্টে প্রবণতা কমানো। এই কঠোর নিয়মটি শুধু বাংলাদেশ নয়, একইসঙ্গে রয়েছে আরও ৩৭টি দেশের জন্য। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল ও ভুটানও অন্তর্ভুক্ত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, যেসব দেশের নাগরিকেরা নির্ধারিত সময়ের পরে বেশিরভাগ সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তাদের এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

ভিসা ইস্যুকারী কনস্যুলার অফিসার এখন প্রোফাইল অনুযায়ী নির্ধারিত জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নির্দিষ্ট ফর্ম ‘I-352’ পূরণ করতে হবে, এবং অর্থ জমা দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। তবে মনে রাখতে হবে, এই জামানত বা বন্ড জমা দেওয়া মানেই ভিসা নিশ্চিত নয়; কোনো আবেদনকারী যদি অনুমতিপত্রের বাইরে আগে থেকেই অর্থ জমা দেয় তবে সেই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে না। এই নতুন নিয়মের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছুক যে, ভ্রমণকারী সবাই সময়মতো আইন মেনে দেশে ফিরবেন।

নতুন নিয়মে কিছু কঠোর শর্ত ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভিসাধারীদের নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে— বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (BOS), নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JFK), ওয়াশিংটন ডুলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (IAD)। অন্য কোন পথে যাতায়াত করলে তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং বিমানবন্দর থেকে প্রবেশ বা প্রস্থানের অনুমতি বাতিল হতে পারে। প্রত্যেক প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি নিবিড়ভাবে রেকর্ড রাখবে, যা পরে জামানতের পরবর্তী ব্যবস্থার উপর প্রভাব ফেলবে।

অবশেষে, জামানত ফেরতের বিষয়টি ভিসার শর্তপালনের উপর নির্ভরশীল। যদি কোনো পর্যটক বা ব্যবসায়ী তাঁর ভিসার মেয়াদ শেষের আগে বা সময়মতো দেশে ফিরে যান, তবে আবেদনকৃত অর্থ সম্পূর্ণরূপে ফেরত পাবেন। এক্ষেত্রে ভিসা প্রত্যাখ্যান বা ভিসা পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের বাইরে থাকলে, বা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করলে, সেই অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে। এই পদক্ষেপ মূলত বৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ নিশ্চিত করতে এবং অনিয়ম অভিবাসন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বাংলাদেশিদের মার্কিন ভিসায় বিজনেস ও ট্যুরিজমের জন্য জামানত বাধ্যতামূলক

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় বাংলাদেশিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে এসেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু করে বি১ ও বি২ ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদনকারীরা now_includes=০৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত বা বন্ড জমা দিতে হবে। মূল লক্ষ্য হলো ভিসার অপব্যবহার, নির্দিষ্ট সময়ের পর অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা ওভারস্টে প্রবণতা কমানো। এই কঠোর নিয়মটি শুধু বাংলাদেশ নয়, একইসঙ্গে রয়েছে আরও ৩৭টি দেশের জন্য। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল ও ভুটানও অন্তর্ভুক্ত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, যেসব দেশের নাগরিকেরা নির্ধারিত সময়ের পরে বেশিরভাগ সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তাদের এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

ভিসা ইস্যুকারী কনস্যুলার অফিসার এখন প্রোফাইল অনুযায়ী নির্ধারিত জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নির্দিষ্ট ফর্ম ‘I-352’ পূরণ করতে হবে, এবং অর্থ জমা দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। তবে মনে রাখতে হবে, এই জামানত বা বন্ড জমা দেওয়া মানেই ভিসা নিশ্চিত নয়; কোনো আবেদনকারী যদি অনুমতিপত্রের বাইরে আগে থেকেই অর্থ জমা দেয় তবে সেই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে না। এই নতুন নিয়মের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছুক যে, ভ্রমণকারী সবাই সময়মতো আইন মেনে দেশে ফিরবেন।

নতুন নিয়মে কিছু কঠোর শর্ত ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভিসাধারীদের নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হবে— বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (BOS), নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JFK), ওয়াশিংটন ডুলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (IAD)। অন্য কোন পথে যাতায়াত করলে তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং বিমানবন্দর থেকে প্রবেশ বা প্রস্থানের অনুমতি বাতিল হতে পারে। প্রত্যেক প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি নিবিড়ভাবে রেকর্ড রাখবে, যা পরে জামানতের পরবর্তী ব্যবস্থার উপর প্রভাব ফেলবে।

অবশেষে, জামানত ফেরতের বিষয়টি ভিসার শর্তপালনের উপর নির্ভরশীল। যদি কোনো পর্যটক বা ব্যবসায়ী তাঁর ভিসার মেয়াদ শেষের আগে বা সময়মতো দেশে ফিরে যান, তবে আবেদনকৃত অর্থ সম্পূর্ণরূপে ফেরত পাবেন। এক্ষেত্রে ভিসা প্রত্যাখ্যান বা ভিসা পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের বাইরে থাকলে, বা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করলে, সেই অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে। এই পদক্ষেপ মূলত বৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ নিশ্চিত করতে এবং অনিয়ম অভিবাসন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।