০২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

পদ্মা সেতুর টোল আদায়ে তিন হাজার কোটি টাকার মাইলফলক সফলতা

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালনায় পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায়ের ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন সম্পন্ন হয়েছে। ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই সেতু দিয়ে সংগ্রহিত মোট রাজস্বের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি পৌঁছেছে। এই মাইলফলক দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়তা করছে।

পদ্মা সেতু দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে। এটি শুধুমাত্র যাতায়াতের সময় কমানোর জন্যই değil, বরং কৃষিতে, মাছের ব্যবসায় এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে বিপ্লবি পরিবর্তন ঘটিয়ে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই সেতু চালুর পর থেকে যানবাহন পারাপার ও রাজস্ব সংগ্রহের হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে এই বিশেষ মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় প্রধান জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান-এর গভীর দিকনির্দেশনা এবং সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ-এর দেখভালের ফলে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। আধুনিক ও সুবিধাজনক জটিলতা কমানোর জন্য সেতুর দু’প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) স্থাপন করা হয়েছে উন্নত ‘Electronic Toll Collection (ETC)’ পদ্ধতি। একই সাথে, RFID কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় ব্যবস্থার কারণে যানবাহনগুলো এখন দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা না করে দ্রুত পারাপার করছে। এই সফলতার পেছনে জনগণের সহযোগিতা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম।

পদ্মা সেতুর এই ঐতিহাসিক টোল সংগ্রহের এই সাফল্য উপলক্ষে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক অংশীজনের প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশেষ করে গাড়ির মালিক, চালক, শ্রমিক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় নিয়োজিত সকল কর্মচারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। ভবিষ্যতেও জনগণের সহযোগিতা এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পদ্মা সেতু দেশের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ধারায় অবদান রাখতে থাকবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

পদ্মা সেতুর টোল আদায়ে তিন হাজার কোটি টাকার মাইলফলক সফলতা

প্রকাশিতঃ ১২:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালনায় পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায়ের ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন সম্পন্ন হয়েছে। ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই সেতু দিয়ে সংগ্রহিত মোট রাজস্বের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি পৌঁছেছে। এই মাইলফলক দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সহায়তা করছে।

পদ্মা সেতু দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে। এটি শুধুমাত্র যাতায়াতের সময় কমানোর জন্যই değil, বরং কৃষিতে, মাছের ব্যবসায় এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে বিপ্লবি পরিবর্তন ঘটিয়ে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই সেতু চালুর পর থেকে যানবাহন পারাপার ও রাজস্ব সংগ্রহের হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে এই বিশেষ মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় প্রধান জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান-এর গভীর দিকনির্দেশনা এবং সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ-এর দেখভালের ফলে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। আধুনিক ও সুবিধাজনক জটিলতা কমানোর জন্য সেতুর দু’প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) স্থাপন করা হয়েছে উন্নত ‘Electronic Toll Collection (ETC)’ পদ্ধতি। একই সাথে, RFID কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় ব্যবস্থার কারণে যানবাহনগুলো এখন দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা না করে দ্রুত পারাপার করছে। এই সফলতার পেছনে জনগণের সহযোগিতা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম।

পদ্মা সেতুর এই ঐতিহাসিক টোল সংগ্রহের এই সাফল্য উপলক্ষে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক অংশীজনের প্রতি গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বিশেষ করে গাড়ির মালিক, চালক, শ্রমিক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় নিয়োজিত সকল কর্মচারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। ভবিষ্যতেও জনগণের সহযোগিতা এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পদ্মা সেতু দেশের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ধারায় অবদান রাখতে থাকবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।