০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

ইসির প্রস্তুতি সম্পন্ন, ১৫ লাখের বেশি নিবন্ধনসহ পোস্টাল ভোটের ব্যাপক আয়োজন

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রবাস থেকে আসা ভোটের সংখ্যা বাড়তে থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা অফিসে ছিল প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপক পরিকল্পনা। প্রতি নির্বাচনী আসনের জন্য ৪০০টি পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিরাপদ বোতাম বাক্স প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩০০টি নির্বাচনী আসনে প্রবাস ও দেশের ভোটারদের মধ্যে ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছেন ভোটের জন্য। এই পোস্টাল ভোটীগণ ভোট দিবেন ১২ ফেব্রুয়ারি, বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে তাঁদের ব্যালটগুলো পৌঁছালে তা সরাসরি গণনা শুরু হবে।

রোববার ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের প্রতিনিধি উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বাক্সগুলো লক করেছেন এবং গ্রহণের জন্য নির্ধারিত কক্ষের ব্যবস্থা করেছেন। ইউনুচ আলী, রিটার্নিং কর্মকর্তা, বলেন, এবার ওএসিভি ও আইসিপিভি-ভোটের নতুন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট প্রার্থীদের জন্য পৃথক কক্ষে রাখা হয়েছে, যেখানে ২৪টি ব্যালট বাক্স রয়েছে ঢাকা-১৩ এর জন্য।

ঢাকা-১৩ আসনের নিবন্ধিত পোস্টাল ভোটার সংখ্যা ৫,৬১৭ জন এবং ঢাকা-১৫ আসনে রয়েছে ৭,৪০৫ জন। ইউনুচ আলী আরও উল্লেখ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উপস্থিতিতে সব ব্যালট বাক্স লক করা হয়েছে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ ব্যালট আসার কথা রয়েছে। ব্যালট স্বচ্ছভাবে সংগ্রহ ও সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য বারকোড ও কিউআর কোড স্ক্যান প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে; সব ডেটা ল্যাপটপে ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত হবে।

প্রত্যেক ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ব্যালট আসার পর সেগুলো সতর্কতার সঙ্গে বাক্সে ঢোকানো হবে, এরপর যদি আর আসা হয় তাহলে অন্য সেটে রাখা হবে।

অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, ডাক বিভাগ থেকে আসা পোস্টাল ব্যালটগুলো নিয়মিত স্ক্যান, চেক করে রেজিস্ট্রির সঙ্গে মিলিয়ে বাক্সে সংরক্ষণ করা হবে। ভোটের দিন গণনা শুরু হতে আগে সব প্রার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

ইসির প্রস্তুতি সম্পন্ন, ১৫ লাখের বেশি নিবন্ধনসহ পোস্টাল ভোটের ব্যাপক আয়োজন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রবাস থেকে আসা ভোটের সংখ্যা বাড়তে থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা অফিসে ছিল প্রস্তুতি নেওয়ার ব্যাপক পরিকল্পনা। প্রতি নির্বাচনী আসনের জন্য ৪০০টি পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিরাপদ বোতাম বাক্স প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩০০টি নির্বাচনী আসনে প্রবাস ও দেশের ভোটারদের মধ্যে ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছেন ভোটের জন্য। এই পোস্টাল ভোটীগণ ভোট দিবেন ১২ ফেব্রুয়ারি, বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে তাঁদের ব্যালটগুলো পৌঁছালে তা সরাসরি গণনা শুরু হবে।

রোববার ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের প্রতিনিধি উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বাক্সগুলো লক করেছেন এবং গ্রহণের জন্য নির্ধারিত কক্ষের ব্যবস্থা করেছেন। ইউনুচ আলী, রিটার্নিং কর্মকর্তা, বলেন, এবার ওএসিভি ও আইসিপিভি-ভোটের নতুন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট প্রার্থীদের জন্য পৃথক কক্ষে রাখা হয়েছে, যেখানে ২৪টি ব্যালট বাক্স রয়েছে ঢাকা-১৩ এর জন্য।

ঢাকা-১৩ আসনের নিবন্ধিত পোস্টাল ভোটার সংখ্যা ৫,৬১৭ জন এবং ঢাকা-১৫ আসনে রয়েছে ৭,৪০৫ জন। ইউনুচ আলী আরও উল্লেখ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উপস্থিতিতে সব ব্যালট বাক্স লক করা হয়েছে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি সবশেষ ব্যালট আসার কথা রয়েছে। ব্যালট স্বচ্ছভাবে সংগ্রহ ও সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য বারকোড ও কিউআর কোড স্ক্যান প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে; সব ডেটা ল্যাপটপে ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত হবে।

প্রত্যেক ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ব্যালট আসার পর সেগুলো সতর্কতার সঙ্গে বাক্সে ঢোকানো হবে, এরপর যদি আর আসা হয় তাহলে অন্য সেটে রাখা হবে।

অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, ডাক বিভাগ থেকে আসা পোস্টাল ব্যালটগুলো নিয়মিত স্ক্যান, চেক করে রেজিস্ট্রির সঙ্গে মিলিয়ে বাক্সে সংরক্ষণ করা হবে। ভোটের দিন গণনা শুরু হতে আগে সব প্রার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।