০৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউইয়র্কের টেক্সটাইল প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ব্যাপক উপস্থিতি

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল সোর্সিং প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড ও অ্যাপারেল সোর্সিং নিউইয়র্ক ২০২৬’ সালে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটি ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত নিউইয়র্কের জেভিটস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী বহু ভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী, ডিস্ট্রিবিউটর ও ক্রেতারা এসেছিলেন।

বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি দেশের তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল পণ্যের সক্ষমতা দেখানোর পাশাপাশি রপ্তানি বাজারকে আরও বিস্তৃত করার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এক্সপোরেশন প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সহায়তা দিয়ে এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়। এর পাশাপাশি প্যারামাউন্ট ইন্টারন্যাশনালসহ আরও দুয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্যোগে স্টল নিয়েছিল।

প্রদর্শনীতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে গোল্ডেন টেক্স, ব্লু অ্যাপারেলস, হীরা সোয়েটারস, পি এম সোর্সিং, এক্সকম ফ্যাশন, এ বি অ্যাপারেলস এবং ডিজাইন সোর্সিং ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক অ্যাপারেল, তৈরির পোশাক, ভ্যালু-এডেড টেক্সটাইলসহ নানা ধরনের পণ্য উপস্থাপন করে, যেখানে বাংলাদেশের টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়া ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্যের দিক থেকে প্রশংসিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্বে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, এবং এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে, এভাবেই বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রগতি ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিগণ ও পণ্য প্রস্তুতকারীরা এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পণ্য ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত

নিউইয়র্কের টেক্সটাইল প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ব্যাপক উপস্থিতি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল সোর্সিং প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড ও অ্যাপারেল সোর্সিং নিউইয়র্ক ২০২৬’ সালে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটি ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত নিউইয়র্কের জেভিটস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী বহু ভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী, ডিস্ট্রিবিউটর ও ক্রেতারা এসেছিলেন।

বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি দেশের তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল পণ্যের সক্ষমতা দেখানোর পাশাপাশি রপ্তানি বাজারকে আরও বিস্তৃত করার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এক্সপোরেশন প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সহায়তা দিয়ে এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়। এর পাশাপাশি প্যারামাউন্ট ইন্টারন্যাশনালসহ আরও দুয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্যোগে স্টল নিয়েছিল।

প্রদর্শনীতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে গোল্ডেন টেক্স, ব্লু অ্যাপারেলস, হীরা সোয়েটারস, পি এম সোর্সিং, এক্সকম ফ্যাশন, এ বি অ্যাপারেলস এবং ডিজাইন সোর্সিং ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক অ্যাপারেল, তৈরির পোশাক, ভ্যালু-এডেড টেক্সটাইলসহ নানা ধরনের পণ্য উপস্থাপন করে, যেখানে বাংলাদেশের টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়া ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্যের দিক থেকে প্রশংসিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্বে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, এবং এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে, এভাবেই বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রগতি ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিগণ ও পণ্য প্রস্তুতকারীরা এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পণ্য ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।