০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

নিউইয়র্কের টেক্সটাইল প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ব্যাপক উপস্থিতি

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল সোর্সিং প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড ও অ্যাপারেল সোর্সিং নিউইয়র্ক ২০২৬’ সালে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটি ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত নিউইয়র্কের জেভিটস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী বহু ভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী, ডিস্ট্রিবিউটর ও ক্রেতারা এসেছিলেন।

বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি দেশের তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল পণ্যের সক্ষমতা দেখানোর পাশাপাশি রপ্তানি বাজারকে আরও বিস্তৃত করার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এক্সপোরেশন প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সহায়তা দিয়ে এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়। এর পাশাপাশি প্যারামাউন্ট ইন্টারন্যাশনালসহ আরও দুয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্যোগে স্টল নিয়েছিল।

প্রদর্শনীতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে গোল্ডেন টেক্স, ব্লু অ্যাপারেলস, হীরা সোয়েটারস, পি এম সোর্সিং, এক্সকম ফ্যাশন, এ বি অ্যাপারেলস এবং ডিজাইন সোর্সিং ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক অ্যাপারেল, তৈরির পোশাক, ভ্যালু-এডেড টেক্সটাইলসহ নানা ধরনের পণ্য উপস্থাপন করে, যেখানে বাংলাদেশের টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়া ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্যের দিক থেকে প্রশংসিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্বে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, এবং এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে, এভাবেই বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রগতি ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিগণ ও পণ্য প্রস্তুতকারীরা এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পণ্য ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

নিউইয়র্কের টেক্সটাইল প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ব্যাপক উপস্থিতি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল সোর্সিং প্রদর্শনী ‘টেক্সওয়ার্ল্ড ও অ্যাপারেল সোর্সিং নিউইয়র্ক ২০২৬’ সালে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানটি ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত নিউইয়র্কের জেভিটস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্বব্যাপী বহু ভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী, ডিস্ট্রিবিউটর ও ক্রেতারা এসেছিলেন।

বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি দেশের তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল পণ্যের সক্ষমতা দেখানোর পাশাপাশি রপ্তানি বাজারকে আরও বিস্তৃত করার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এক্সপোরেশন প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সহায়তা দিয়ে এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়। এর পাশাপাশি প্যারামাউন্ট ইন্টারন্যাশনালসহ আরও দুয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্যোগে স্টল নিয়েছিল।

প্রদর্শনীতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে গোল্ডেন টেক্স, ব্লু অ্যাপারেলস, হীরা সোয়েটারস, পি এম সোর্সিং, এক্সকম ফ্যাশন, এ বি অ্যাপারেলস এবং ডিজাইন সোর্সিং ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের আধুনিক অ্যাপারেল, তৈরির পোশাক, ভ্যালু-এডেড টেক্সটাইলসহ নানা ধরনের পণ্য উপস্থাপন করে, যেখানে বাংলাদেশের টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়া ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্যের দিক থেকে প্রশংসিত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্বে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, এবং এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে, এভাবেই বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রগতি ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিগণ ও পণ্য প্রস্তুতকারীরা এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পণ্য ও প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।