০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা, জাহাজ আটক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে

ইসলামাবাদে হওয়ার কথা থাকা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। পাকিস্তানে আলোচনা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকলেও, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন বাহিনীকে ইরানের একটি কার্গো জাহাজ আটক করার ঘটনায় তীব্র শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অগ্রাহ্য করার অভিযোগেই জাহাজটিকে আটকা করা হয়েছে — ঘটনাটি আলোচনার পরিবেশ আরও খারাপ করে তুলতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্য-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আমিন সাইক্যাল আল জাজিরাকে বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সহজেই উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনার ফলাফলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ‘যদি উভয় পক্ষই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান চান, এখনই এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয় যা সংঘাতকে নতুন করে জোরদার করবে,’ তিনি সতর্ক করেছেন।

সাইক্যাল ট্রাম্পের ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘একদিকে তিনি সংকট সমাধানের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি ভরিয়ে রেখেছেন — এই দ্বৈত নীতি পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।’ তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দুই পক্ষই প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে এবং হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের জন্য একটি নতুন প্রতিরোধক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

তবে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ এসলামি মনে করেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা কেবল দর-কষাকষির কৌশল; ইরান সেটি পুনরায় খুলতে চায়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করার পরিকল্পনা নেই। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঈসমাইল বাঘেই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। তাঁর অভিযোগ, ওয়াশিংটন নৌ-অবরোধ বজায় রেখেছে এবং আলোচনার সময়ও হামলা চালিয়েছে—যা তেহরান ভুলে যায়নি।

বাঘেই আরও বলেন, তেহরান এ বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে ইতিমধ্যে অবহিত করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র নতুনভাবে সংঘাত উসকানি দেয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদের প্রথম দফার বৈঠকে ইরান দশ দফা দাবি উত্থাপন করেছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অসহযোগিতায় এগোতে পারেনি। বৈঠকে লেবানন সম্পর্কিত একটি সমঝোতাও উঠেছিল — সেনার কথায়, লেবাননকেও যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার বিষয়ে একমত হয়েছিল, কিন্তু পরে ওয়াশিংটন সেটি অস্বীকার করে।

ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার দরজা বন্ধের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান এখনও আশাবাদী থাকার সংকেত দিচ্ছে। ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য কড়া নিরাপত্তা ও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হলেও, ইরানের তীব্র অবস্থান আসন্ন বৈঠক সফল হবে কি না—তা নিয়ে সংশয় বেশ জোরালো। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এখন গভীর অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, যেখানে তেহরান জানিয়ে দিয়েছে তারা আর কোনো ‘অফলপ্রসূ’ সংলাপে অংশ নেবে না।

সংঘাতের মানবিক দামও মোটেই কম নয়। ইরানের লিগাল মেডিসিন অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৭৫ ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির প্রধান আব্বাস মাসজেদি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে; নিহতের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ ও ৪৯৬ জন নারী। এখনও চারটি মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি।

মাসজেদি বলেন, ব্যবহৃত বিস্ফোরক ও ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে প্রায় ৪০ শতাংশ মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছিল না; পরে বিভিন্ন এলাকার বিশেষজ্ঞরা কাজ করে অনেককে পরিবারে হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, নিহতদের বড় অংশই সাধারণ নাগরিক—শিশু, প্রবীণ ও বিভিন্ন সরকারি কর্মী। বিশেষভাবে হৃদয়বিদারক উল্লেখ করা হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলাকে; সেখানেই ১৬৮ জনের বেশি শিশু নিহত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে; এ অভিযান থেকে সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে এবং ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে বলে দাবিকৃত। জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও রাডার লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানে।

বর্তমানে আলোচনা এবং সামরিক উত্তেজনা—দুই দিকেই চাপ বাড়তে থাকা পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক উদ্যোগকে আরও জোরদার করার আহ্বান রয়েছে, যাতে সামগ্রিকভাবে সংঘাত প্রকট না হয়ে ওঠে এবং জীবন-জীবিকা রক্ষায় বাস্তব কোনো সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা, জাহাজ আটক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে হওয়ার কথা থাকা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। পাকিস্তানে আলোচনা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকলেও, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন বাহিনীকে ইরানের একটি কার্গো জাহাজ আটক করার ঘটনায় তীব্র শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অগ্রাহ্য করার অভিযোগেই জাহাজটিকে আটকা করা হয়েছে — ঘটনাটি আলোচনার পরিবেশ আরও খারাপ করে তুলতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যপ্রাচ্য-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আমিন সাইক্যাল আল জাজিরাকে বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সহজেই উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনার ফলাফলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ‘যদি উভয় পক্ষই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান চান, এখনই এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয় যা সংঘাতকে নতুন করে জোরদার করবে,’ তিনি সতর্ক করেছেন।

সাইক্যাল ট্রাম্পের ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘একদিকে তিনি সংকট সমাধানের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি ভরিয়ে রেখেছেন — এই দ্বৈত নীতি পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।’ তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দুই পক্ষই প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে এবং হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের জন্য একটি নতুন প্রতিরোধক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

তবে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ এসলামি মনে করেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা কেবল দর-কষাকষির কৌশল; ইরান সেটি পুনরায় খুলতে চায়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করার পরিকল্পনা নেই। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঈসমাইল বাঘেই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে। তাঁর অভিযোগ, ওয়াশিংটন নৌ-অবরোধ বজায় রেখেছে এবং আলোচনার সময়ও হামলা চালিয়েছে—যা তেহরান ভুলে যায়নি।

বাঘেই আরও বলেন, তেহরান এ বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে ইতিমধ্যে অবহিত করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র নতুনভাবে সংঘাত উসকানি দেয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদের প্রথম দফার বৈঠকে ইরান দশ দফা দাবি উত্থাপন করেছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অসহযোগিতায় এগোতে পারেনি। বৈঠকে লেবানন সম্পর্কিত একটি সমঝোতাও উঠেছিল — সেনার কথায়, লেবাননকেও যুদ্ধবিরতির আওতায় আনার বিষয়ে একমত হয়েছিল, কিন্তু পরে ওয়াশিংটন সেটি অস্বীকার করে।

ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার দরজা বন্ধের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান এখনও আশাবাদী থাকার সংকেত দিচ্ছে। ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য কড়া নিরাপত্তা ও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হলেও, ইরানের তীব্র অবস্থান আসন্ন বৈঠক সফল হবে কি না—তা নিয়ে সংশয় বেশ জোরালো। পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এখন গভীর অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, যেখানে তেহরান জানিয়ে দিয়েছে তারা আর কোনো ‘অফলপ্রসূ’ সংলাপে অংশ নেবে না।

সংঘাতের মানবিক দামও মোটেই কম নয়। ইরানের লিগাল মেডিসিন অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৭৫ ছাড়িয়েছে। সংস্থাটির প্রধান আব্বাস মাসজেদি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে; নিহতের মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ ও ৪৯৬ জন নারী। এখনও চারটি মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি।

মাসজেদি বলেন, ব্যবহৃত বিস্ফোরক ও ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে প্রায় ৪০ শতাংশ মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছিল না; পরে বিভিন্ন এলাকার বিশেষজ্ঞরা কাজ করে অনেককে পরিবারে হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, নিহতদের বড় অংশই সাধারণ নাগরিক—শিশু, প্রবীণ ও বিভিন্ন সরকারি কর্মী। বিশেষভাবে হৃদয়বিদারক উল্লেখ করা হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলাকে; সেখানেই ১৬৮ জনের বেশি শিশু নিহত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে; এ অভিযান থেকে সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে এবং ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে বলে দাবিকৃত। জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও রাডার লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানে।

বর্তমানে আলোচনা এবং সামরিক উত্তেজনা—দুই দিকেই চাপ বাড়তে থাকা পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা ও কূটনৈতিক উদ্যোগকে আরও জোরদার করার আহ্বান রয়েছে, যাতে সামগ্রিকভাবে সংঘাত প্রকট না হয়ে ওঠে এবং জীবন-জীবিকা রক্ষায় বাস্তব কোনো সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায়।